ঢাকার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বড় চ্যালেঞ্জ, নাগরিকদের সচেতন হওয়ার আহ্বান মন্ত্রীর
- আপডেট সময় : ০৬:০২:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে

রাজধানী ঢাকায় মানুষের ক্রমবর্ধমান চাপের ফলে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এখন একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বুধবার ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের নগরভবনে ‘নগরের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা আমার আপনার সকলের দায়িত্ব’ শীর্ষক এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানটিতে সভাপতিত্ব করেন ডিএনসিসি প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান।
মন্ত্রী বলেন, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রস্থল হওয়ায় ঢাকায় মানুষের চাপ ক্রমাগত বাড়ছে, যা নগর ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকে আরও জটিল করে তুলেছে। একটি পরিচ্ছন্ন নগরী গড়ে তোলার জন্য কেবল সরকারি বা সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগ যথেষ্ট নয়, এর জন্য প্রয়োজন নাগরিকদের সক্রিয় অংশগ্রহণ ও দায়িত্বশীল আচরণ। প্রত্যেকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্ব পালন করলে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আনা সম্ভব বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আরও বলেন, ঢাকায় নগর ও গ্রামীণ সংস্কৃতির মিশ্র প্রভাব বিদ্যমান। আধুনিক নগর সংস্কৃতি গড়ে তুলতে নাগরিক শৃঙ্খলা ও সচেতনতা বাড়ানোর কোনো বিকল্প নেই। এআই নির্ভর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, কার্যকর তদারকি ও সচেতনতা থাকলে মানুষ নিয়ম মেনে চলতে পারে, যা বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রেও কার্যকর করা সম্ভব।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, নগর ব্যবস্থাপনার দীর্ঘদিনের প্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয়হীনতা দূর করতে সিটি কর্পোরেশনগুলোকে স্বাবলম্বী ও পূর্ণাঙ্গ কার্যকর সংস্থায় রূপান্তর করা সময়ের দাবি। তিনি রাজউক, ওয়াসা, বিদ্যুৎ বিভাগ ও ট্রাফিক পুলিশসহ নগর উন্নয়নের সাথে জড়িত সকল সংস্থাকে একটি একক সমন্বিত আইনি কাঠামোর আওতায় আনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
ডিএনসিসি প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান জানান, আগামীতে অতি বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা নিরসনে সিটি কর্পোরেশন অন্যান্য সংস্থার সাথে সমন্বয় করে কাজ করবে। এছাড়া উত্তরের আওতাধীন ২৯টি খাল দখলমুক্ত ও খনন করে পানির প্রবাহ স্বাভাবিক রাখতে তিনি সকল নাগরিকের সহযোগিতা কামনা করেন।




























