ঢাকা ০৬:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গৌরনদীতে ফ্যামিলি কার্ড উপকারভোগীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর মতবিনিময় জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে বাড়ছে ডায়ালাইসিস বেড: স্বাস্থ্যমন্ত্রী দিল্লিতে বিমসটেক বৈঠকে যোগ দিচ্ছে বাংলাদেশ, নজর থাকবে ভারতের আচরণের দিকে খেলার সময় সেপটিক ট্যাংকে পড়ে পাঁচ বছরের শিশুর মৃত্যু প্রধানমন্ত্রীকে সভাপতি করে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন বিষয়ক উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন ফ্রান্সের দল নিয়ে স্পেনের সাবেক প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্যে তীব্র বিতর্ক নারায়ণগঞ্জে দুই ডাকাতি মামলার রহস্য উন্মোচন: গ্রেফতার ৫ ঢাকায় টানা বৃষ্টিতে জনদুর্ভোগ, অচল জনজীবন বরকলে বন্যাদুর্গতদের সহায়তায় এগিয়ে এল বিজিবি মেয়েদের স্নাতক পর্যন্ত পড়াশোনা ফ্রি করার ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

ঢাকায় টানা বৃষ্টিতে জনদুর্ভোগ, অচল জনজীবন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:০৪:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

রাজধানীতে টানা বৃষ্টির কারণে সৃষ্ট জলাবদ্ধতা ও যানজটের দুর্ভোগ সোমবারও অব্যাহত রয়েছে। ১৩ জুলাই সোমবার সকালেও ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টিপাত চলতে থাকায় কর্মজীবী মানুষ, শিক্ষার্থী ও অফিসগামী যাত্রীরা চরম ভোগান্তির শিকার হয়েছেন। সকাল থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন সড়কের মোড়ে মোড়ে যাত্রীদের বাসের জন্য ছাতা মাথায় অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে। গণপরিবহনের সংখ্যা চাহিদার তুলনায় কম থাকায় বাসগুলোতে ছিল উপচে পড়া ভিড়। এ পরিস্থিতিতে অনেকে বাধ্য হয়েই বাড়তি ভাড়া দিয়ে সিএনজি অটোরিকশা ও ব্যাটারিচালিত রিকশায় গন্তব্যে রওনা হয়েছেন।

গতকালের ভারী বর্ষণের ফলে রাজধানীর গুলশান, বনানী, বারিধারা, মোহাম্মদপুর, মেরুল বাড্ডা, মালিবাগ, শান্তিনগর, আগারগাঁও, ফার্মগেট, তেজগাঁও, সায়েদাবাদ, ধানমন্ডি, মিরপুর, কালশী, হাতিরঝিল, বংশাল, নাজিমউদ্দিন রোড ও রামপুরাসহ বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছিল। সোমবার সকালেও এসব এলাকার অনেক স্থানে পানি জমে থাকতে দেখা গেছে। রামপুরা থেকে গুলশানে কর্মস্থলে যাওয়ার অপেক্ষায় থাকা বেসরকারি চাকরিজীবী আরেফিন জানান, গলির ভেতরে বৃষ্টির কারণে নোংরা ও দুর্গন্ধযুক্ত পানি জমে আছে। এছাড়া সড়কে যানবাহন কম থাকায় রিকশা ও সিএনজি চালকরা দ্বিগুণ ভাড়া দাবি করছেন। সময়মতো অফিসে পৌঁছানোর তাগিদে বাধ্য হয়েই অনেকে বেশি ভাড়া গুনছেন।

অন্যদিকে, সিএনজি চালক মোকলেছুর বৃষ্টির মধ্যে গাড়ি চালানো ঝুঁকিপূর্ণ উল্লেখ করে জানান, রাস্তায় পানি জমে থাকায় গাড়ির ক্ষতির আশঙ্কা থাকে, তাই ভাড়ার পরিমাণ কিছুটা বেশি নেওয়া হচ্ছে। এদিকে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে। এর ফলে নগরবাসীর এই জলাবদ্ধতা ও যানজটের ভোগান্তি আরও কিছুদিন স্থায়ী হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ঢাকায় টানা বৃষ্টিতে জনদুর্ভোগ, অচল জনজীবন

আপডেট সময় : ০৪:০৪:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬
print news

রাজধানীতে টানা বৃষ্টির কারণে সৃষ্ট জলাবদ্ধতা ও যানজটের দুর্ভোগ সোমবারও অব্যাহত রয়েছে। ১৩ জুলাই সোমবার সকালেও ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টিপাত চলতে থাকায় কর্মজীবী মানুষ, শিক্ষার্থী ও অফিসগামী যাত্রীরা চরম ভোগান্তির শিকার হয়েছেন। সকাল থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন সড়কের মোড়ে মোড়ে যাত্রীদের বাসের জন্য ছাতা মাথায় অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে। গণপরিবহনের সংখ্যা চাহিদার তুলনায় কম থাকায় বাসগুলোতে ছিল উপচে পড়া ভিড়। এ পরিস্থিতিতে অনেকে বাধ্য হয়েই বাড়তি ভাড়া দিয়ে সিএনজি অটোরিকশা ও ব্যাটারিচালিত রিকশায় গন্তব্যে রওনা হয়েছেন।

গতকালের ভারী বর্ষণের ফলে রাজধানীর গুলশান, বনানী, বারিধারা, মোহাম্মদপুর, মেরুল বাড্ডা, মালিবাগ, শান্তিনগর, আগারগাঁও, ফার্মগেট, তেজগাঁও, সায়েদাবাদ, ধানমন্ডি, মিরপুর, কালশী, হাতিরঝিল, বংশাল, নাজিমউদ্দিন রোড ও রামপুরাসহ বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছিল। সোমবার সকালেও এসব এলাকার অনেক স্থানে পানি জমে থাকতে দেখা গেছে। রামপুরা থেকে গুলশানে কর্মস্থলে যাওয়ার অপেক্ষায় থাকা বেসরকারি চাকরিজীবী আরেফিন জানান, গলির ভেতরে বৃষ্টির কারণে নোংরা ও দুর্গন্ধযুক্ত পানি জমে আছে। এছাড়া সড়কে যানবাহন কম থাকায় রিকশা ও সিএনজি চালকরা দ্বিগুণ ভাড়া দাবি করছেন। সময়মতো অফিসে পৌঁছানোর তাগিদে বাধ্য হয়েই অনেকে বেশি ভাড়া গুনছেন।

অন্যদিকে, সিএনজি চালক মোকলেছুর বৃষ্টির মধ্যে গাড়ি চালানো ঝুঁকিপূর্ণ উল্লেখ করে জানান, রাস্তায় পানি জমে থাকায় গাড়ির ক্ষতির আশঙ্কা থাকে, তাই ভাড়ার পরিমাণ কিছুটা বেশি নেওয়া হচ্ছে। এদিকে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে। এর ফলে নগরবাসীর এই জলাবদ্ধতা ও যানজটের ভোগান্তি আরও কিছুদিন স্থায়ী হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।