ঢাকা ০২:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বরিশাল সফরে প্রধানমন্ত্রী, ৪০ কিলোমিটার মানবপ্রাচীরে উষ্ণ অভ্যর্থনা ঢাকায় ২৪ ঘণ্টায় ৯৭ মিলিমিটার বৃষ্টি: রেকর্ড অতি ভারী বর্ষণ দেশজুড়ে ভারী বৃষ্টির সতর্কবার্তা আরও ২৪ ঘণ্টা বাড়াল আবহাওয়া অধিদপ্তর দেশের বাজারে সোনার গহনার দাম কমালো বাজুস রাজনৈতিক বক্তব্যের চেয়ে দেশের জন্য কাজ করা জরুরি: তারেক রহমান নতুন জুয়া প্রতিরোধ আইনের মামলায় গ্রেপ্তার ২ আসামি রিমান্ডে গাইবান্ধার রাম মূর্তির নির্মাতা হরিদাস চন্দ্র সিআইডির হাতে গ্রেপ্তার উরুগুয়ে জাতীয় দলের নতুন কোচ হলেন কিংবদন্তি দিয়েগো ফোরলান মাতৃত্বের পরিকল্পনা ও ক্যারিয়ারের ভারসাম্য রক্ষায় তারকাদের এগ ফ্রিজিং রাজধানীতে টানা বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা, চালক ও পথচারীদের বিশেষ সতর্কতা

বিশ্ব প্রযুক্তির অগ্রযাত্রায় উজ্জ্বল নক্ষত্র বাংলাদেশি বিজ্ঞানী ড. সাইফ ইসলাম

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:১৯:২৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬ ৮ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

ন্যানোটেকনোলজি এবং সেমিকন্ডাক্টরের মতো জটিল ও আধুনিক বিজ্ঞানের বিশ্বমঞ্চে বর্তমানে এক পরিচিত ও উজ্জ্বল নাম ড. এম. সাইফ ইসলাম। তিনি আমেরিকার খ্যাতনামা ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া, ডেভিস (UC Davis)-এর ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক এবং প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তথ্যপ্রযুক্তির ভবিষ্যৎ রূপরেখা বদলে দেওয়া এই কৃতি বিজ্ঞানীর ঝুলিতে রয়েছে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দেওয়া নানা অর্জন।

ড. সাইফ ইসলামের গবেষণার পরিধি অত্যন্ত বিস্তৃত। ন্যানো-ডিভাইস এবং অপটোইলেকট্রনিক্স ক্ষেত্রে তাঁর ৪২টিরও বেশি মার্কিন ও আন্তর্জাতিক পেটেন্ট রয়েছে। তাঁর উদ্ভাবিত প্রযুক্তি ভবিষ্যতে কম্পিউটিং ও ডেটা ট্রান্সমিশন প্রক্রিয়াকে আরও অনেক বেশি গতিশীল ও কার্যকর করে তুলছে। তিনি ক্যালিফোর্নিয়ার বিখ্যাত গবেষণা সংস্থা ‘CITRIS’ (Center for Information Technology Research in the Interest of Society)-এর ডেভিস ক্যাম্পাস শাখার ডিরেক্টর হিসেবেও অত্যন্ত সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন।

তাঁর নিজস্ব গবেষণাগার ‘Inano’ (Integrated Nanodevices and Nanosystems)-এ সিলিকন চিপ এবং ন্যানোফোটোনিক্সের অবিশ্বাস্য সব প্রযুক্তি উদ্ভাবন নিয়ে কাজ হচ্ছে। তাঁর গবেষণালব্ধ ২৫০টিরও বেশি বৈজ্ঞানিক গবেষণাপত্র বিশ্বের নামী জার্নালগুলোতে প্রকাশিত হয়েছে। যুগান্তকারী সব উদ্ভাবনের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি IEEE, AAAS (American Association for the Advancement of Science), NAI (National Academy of Inventors) এবং OSA-এর মতো মর্যাদাপূর্ণ সব বৈজ্ঞানিক সংস্থার ‘ফেলো’ নির্বাচিত হয়েছেন।

বাংলাদেশি এই কৃতি সন্তানের হাত ধরে বিশ্ব প্রযুক্তি প্রতিনিয়ত এগিয়ে যাচ্ছে। তাঁর এই অসাধারণ সাফল্য ও কর্মময় জীবন প্রতিটি বাংলাদেশি তরুণের জন্য এক বিশাল অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে দাঁড়িয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

বিশ্ব প্রযুক্তির অগ্রযাত্রায় উজ্জ্বল নক্ষত্র বাংলাদেশি বিজ্ঞানী ড. সাইফ ইসলাম

আপডেট সময় : ১১:১৯:২৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬
print news

ন্যানোটেকনোলজি এবং সেমিকন্ডাক্টরের মতো জটিল ও আধুনিক বিজ্ঞানের বিশ্বমঞ্চে বর্তমানে এক পরিচিত ও উজ্জ্বল নাম ড. এম. সাইফ ইসলাম। তিনি আমেরিকার খ্যাতনামা ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া, ডেভিস (UC Davis)-এর ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক এবং প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তথ্যপ্রযুক্তির ভবিষ্যৎ রূপরেখা বদলে দেওয়া এই কৃতি বিজ্ঞানীর ঝুলিতে রয়েছে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দেওয়া নানা অর্জন।

ড. সাইফ ইসলামের গবেষণার পরিধি অত্যন্ত বিস্তৃত। ন্যানো-ডিভাইস এবং অপটোইলেকট্রনিক্স ক্ষেত্রে তাঁর ৪২টিরও বেশি মার্কিন ও আন্তর্জাতিক পেটেন্ট রয়েছে। তাঁর উদ্ভাবিত প্রযুক্তি ভবিষ্যতে কম্পিউটিং ও ডেটা ট্রান্সমিশন প্রক্রিয়াকে আরও অনেক বেশি গতিশীল ও কার্যকর করে তুলছে। তিনি ক্যালিফোর্নিয়ার বিখ্যাত গবেষণা সংস্থা ‘CITRIS’ (Center for Information Technology Research in the Interest of Society)-এর ডেভিস ক্যাম্পাস শাখার ডিরেক্টর হিসেবেও অত্যন্ত সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন।

তাঁর নিজস্ব গবেষণাগার ‘Inano’ (Integrated Nanodevices and Nanosystems)-এ সিলিকন চিপ এবং ন্যানোফোটোনিক্সের অবিশ্বাস্য সব প্রযুক্তি উদ্ভাবন নিয়ে কাজ হচ্ছে। তাঁর গবেষণালব্ধ ২৫০টিরও বেশি বৈজ্ঞানিক গবেষণাপত্র বিশ্বের নামী জার্নালগুলোতে প্রকাশিত হয়েছে। যুগান্তকারী সব উদ্ভাবনের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি IEEE, AAAS (American Association for the Advancement of Science), NAI (National Academy of Inventors) এবং OSA-এর মতো মর্যাদাপূর্ণ সব বৈজ্ঞানিক সংস্থার ‘ফেলো’ নির্বাচিত হয়েছেন।

বাংলাদেশি এই কৃতি সন্তানের হাত ধরে বিশ্ব প্রযুক্তি প্রতিনিয়ত এগিয়ে যাচ্ছে। তাঁর এই অসাধারণ সাফল্য ও কর্মময় জীবন প্রতিটি বাংলাদেশি তরুণের জন্য এক বিশাল অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে দাঁড়িয়েছে।