ঢাকা ১০:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ভাতা ও সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর উদ্যোগ প্রধানমন্ত্রীর প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে ভাতা বাড়ানোর আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর ইনানীতে টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ম্যানেজার পুলিশ হেফাজতে কক্সবাজারের ইনানীতে রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ পর্যটকের মৃত্যু, তদন্ত কমিটি ফ্যামিলি কার্ড তালাক বন্ধ করেছে, দাবি চিফ হুইপের তরুণদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে সবার জন্য বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী নিহত সাংবাদিক আলিফের পরিবারের পাশে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার: ঢাকেশ্বরী মন্দিরে মতবিনিময়ে রাষ্ট্রপতি সৌদি আরবে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে দোষী সাব্যস্ত ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর সৌদি আরবে শ্রীলঙ্কান শ্রমিকের মৃত্যুদণ্ডের রায় বাতিল

বিশ্ব প্রযুক্তির অগ্রযাত্রায় উজ্জ্বল নক্ষত্র বাংলাদেশি বিজ্ঞানী ড. সাইফ ইসলাম

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১১:১৯:২৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬ ৫৩ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ন্যানোটেকনোলজি এবং সেমিকন্ডাক্টরের মতো জটিল ও আধুনিক বিজ্ঞানের বিশ্বমঞ্চে বর্তমানে এক পরিচিত ও উজ্জ্বল নাম ড. এম. সাইফ ইসলাম। তিনি আমেরিকার খ্যাতনামা ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া, ডেভিস (UC Davis)-এর ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক এবং প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তথ্যপ্রযুক্তির ভবিষ্যৎ রূপরেখা বদলে দেওয়া এই কৃতি বিজ্ঞানীর ঝুলিতে রয়েছে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দেওয়া নানা অর্জন।

ড. সাইফ ইসলামের গবেষণার পরিধি অত্যন্ত বিস্তৃত। ন্যানো-ডিভাইস এবং অপটোইলেকট্রনিক্স ক্ষেত্রে তাঁর ৪২টিরও বেশি মার্কিন ও আন্তর্জাতিক পেটেন্ট রয়েছে। তাঁর উদ্ভাবিত প্রযুক্তি ভবিষ্যতে কম্পিউটিং ও ডেটা ট্রান্সমিশন প্রক্রিয়াকে আরও অনেক বেশি গতিশীল ও কার্যকর করে তুলছে। তিনি ক্যালিফোর্নিয়ার বিখ্যাত গবেষণা সংস্থা ‘CITRIS’ (Center for Information Technology Research in the Interest of Society)-এর ডেভিস ক্যাম্পাস শাখার ডিরেক্টর হিসেবেও অত্যন্ত সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন।

তাঁর নিজস্ব গবেষণাগার ‘Inano’ (Integrated Nanodevices and Nanosystems)-এ সিলিকন চিপ এবং ন্যানোফোটোনিক্সের অবিশ্বাস্য সব প্রযুক্তি উদ্ভাবন নিয়ে কাজ হচ্ছে। তাঁর গবেষণালব্ধ ২৫০টিরও বেশি বৈজ্ঞানিক গবেষণাপত্র বিশ্বের নামী জার্নালগুলোতে প্রকাশিত হয়েছে। যুগান্তকারী সব উদ্ভাবনের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি IEEE, AAAS (American Association for the Advancement of Science), NAI (National Academy of Inventors) এবং OSA-এর মতো মর্যাদাপূর্ণ সব বৈজ্ঞানিক সংস্থার ‘ফেলো’ নির্বাচিত হয়েছেন।

বাংলাদেশি এই কৃতি সন্তানের হাত ধরে বিশ্ব প্রযুক্তি প্রতিনিয়ত এগিয়ে যাচ্ছে। তাঁর এই অসাধারণ সাফল্য ও কর্মময় জীবন প্রতিটি বাংলাদেশি তরুণের জন্য এক বিশাল অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

বিশ্ব প্রযুক্তির অগ্রযাত্রায় উজ্জ্বল নক্ষত্র বাংলাদেশি বিজ্ঞানী ড. সাইফ ইসলাম

আপডেট সময় : ১১:১৯:২৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

ন্যানোটেকনোলজি এবং সেমিকন্ডাক্টরের মতো জটিল ও আধুনিক বিজ্ঞানের বিশ্বমঞ্চে বর্তমানে এক পরিচিত ও উজ্জ্বল নাম ড. এম. সাইফ ইসলাম। তিনি আমেরিকার খ্যাতনামা ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া, ডেভিস (UC Davis)-এর ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক এবং প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তথ্যপ্রযুক্তির ভবিষ্যৎ রূপরেখা বদলে দেওয়া এই কৃতি বিজ্ঞানীর ঝুলিতে রয়েছে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দেওয়া নানা অর্জন।

ড. সাইফ ইসলামের গবেষণার পরিধি অত্যন্ত বিস্তৃত। ন্যানো-ডিভাইস এবং অপটোইলেকট্রনিক্স ক্ষেত্রে তাঁর ৪২টিরও বেশি মার্কিন ও আন্তর্জাতিক পেটেন্ট রয়েছে। তাঁর উদ্ভাবিত প্রযুক্তি ভবিষ্যতে কম্পিউটিং ও ডেটা ট্রান্সমিশন প্রক্রিয়াকে আরও অনেক বেশি গতিশীল ও কার্যকর করে তুলছে। তিনি ক্যালিফোর্নিয়ার বিখ্যাত গবেষণা সংস্থা ‘CITRIS’ (Center for Information Technology Research in the Interest of Society)-এর ডেভিস ক্যাম্পাস শাখার ডিরেক্টর হিসেবেও অত্যন্ত সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন।

তাঁর নিজস্ব গবেষণাগার ‘Inano’ (Integrated Nanodevices and Nanosystems)-এ সিলিকন চিপ এবং ন্যানোফোটোনিক্সের অবিশ্বাস্য সব প্রযুক্তি উদ্ভাবন নিয়ে কাজ হচ্ছে। তাঁর গবেষণালব্ধ ২৫০টিরও বেশি বৈজ্ঞানিক গবেষণাপত্র বিশ্বের নামী জার্নালগুলোতে প্রকাশিত হয়েছে। যুগান্তকারী সব উদ্ভাবনের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি IEEE, AAAS (American Association for the Advancement of Science), NAI (National Academy of Inventors) এবং OSA-এর মতো মর্যাদাপূর্ণ সব বৈজ্ঞানিক সংস্থার ‘ফেলো’ নির্বাচিত হয়েছেন।

বাংলাদেশি এই কৃতি সন্তানের হাত ধরে বিশ্ব প্রযুক্তি প্রতিনিয়ত এগিয়ে যাচ্ছে। তাঁর এই অসাধারণ সাফল্য ও কর্মময় জীবন প্রতিটি বাংলাদেশি তরুণের জন্য এক বিশাল অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh