ঢাকা ০৪:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘নগদ’ বিক্রির কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই, লাভজনক করার উদ্যোগ কাশ্মীরের মসজিদে অভিন্ন খুতবার প্রস্তাব, বিতর্কের মুখে ওয়াকফ বোর্ড ঈশ্বরদীতে ১২ বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ, থানায় মামলা পেশোয়ারে স্কুলের ছাদ ধসে ২৭ শিক্ষার্থীসহ নিহত ২৮ হামজার বিতর্কিত লাল কার্ডে ক্ষোভে ফুঁসছেন শেফিল্ড কোচ সৌদিগামী ১০৩ ফ্লাইট ব্যাহত, ভোগান্তিতে ১৫ হাজার ৭৭৯ যাত্রী খালি পেটে শিঙাড়া খেলে যেসব স্বাস্থ্যঝুঁকি হতে পারে পেশোয়ারে স্কুল ভবন ধসে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকসহ নিহত ২১ প্রাথমিক গণিত শিক্ষায় এআই প্রযুক্তির কার্যকারিতা নিয়ে ডাচ গবেষকদের গবেষণা পার্বত্য চট্টগ্রামের উন্নয়নে সুশাসন ও স্বচ্ছতার ওপর জোর দিলেন প্রতিমন্ত্রী

এইচএসসি ২০২৬: ভূগোলে ভালো ফলাফলের ৮টি কার্যকরী কৌশল

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৫:৪৯:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬ ৪৫ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

এইচএসসি পরীক্ষায় ভালো ফলাফল অর্জনে ভূগোল একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। অনেক শিক্ষার্থীর ধারণা ভূগোল কেবল মুখস্থ করার বিষয়, কিন্তু বাস্তবে এটি বিশ্লেষণ, ধারণা, প্রয়োগ এবং উপস্থাপনার সমন্বয়ে গঠিত। সঠিক কৌশল অনুসরণ করলে এই বিষয়ে সহজেই ভালো নম্বর পাওয়া সম্ভব। ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রভাষক মো. শাকিরুল ইসলাম ভূগোলে ভালো করার ৮টি নিয়ম বিস্তারিত আলোচনা করেছেন।

পরীক্ষায় এ+ পাওয়ার ক্ষেত্রে বহুনির্বাচনি বা এমসিকিউ অংশ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অনেক শিক্ষার্থী সৃজনশীল অংশে ভালো করলেও এমসিকিউতে নম্বর হারিয়ে কাঙ্ক্ষিত ফলাফল থেকে বঞ্চিত হয়। তাই প্রতিটি অধ্যায়ের সংজ্ঞা, তথ্য, বৈশিষ্ট্য, মানচিত্রভিত্তিক উপাদান, চিত্র, সাল ও পরিসংখ্যান নিয়মিত অনুশীলন করা জরুরি।

জ্ঞানমূলক ও অনুধাবনমূলক প্রশ্নের উত্তরে অপ্রয়োজনীয় তথ্য বর্জন করে সরাসরি পাঠ্যবই অনুসরণ করতে হবে। সংজ্ঞা, কী, কাকে বলে বা ব্যাখ্যা করার মতো প্রশ্নগুলো সরাসরি পাঠ্যবই থেকে আসে, তাই মূল বই বারবার পড়া এবং গুরুত্বপূর্ণ সংজ্ঞাগুলো আয়ত্তে রাখা আবশ্যক। অন্যদিকে, প্রয়োগমূলক ও উচ্চতর দক্ষতার (গ ও ঘ) প্রশ্নের ক্ষেত্রে উদ্দীপকটি মনোযোগ দিয়ে পড়ে মূল ধারণা বের করতে হবে। নিজের মতামত, বিশ্লেষণ, যুক্তি এবং প্রাসঙ্গিক উদাহরণের মাধ্যমে উত্তর লিখলে মান ও নম্বর বৃদ্ধি পায়। এ ক্ষেত্রে চিত্র বা মানচিত্রের ব্যবহার উত্তরকে আরও সমৃদ্ধ করে তোলে।

ভূগোলের উত্তরপত্রে মানচিত্র, চিত্র, ফ্লোচার্ট ও ছকের ব্যবহার পরীক্ষকের ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। অনেক সময় প্রশ্নে সরাসরি না চাইলেও প্রয়োজন অনুযায়ী ছোট চিত্র বা মানচিত্র ব্যবহার করা উচিত। এছাড়া শুধু পড়ে নয়, লিখে অনুশীলন করাও জরুরি। নির্দিষ্ট সময়ে প্রশ্নের উত্তর লেখার অভ্যাস করলে পরীক্ষার হলে সময় ব্যবস্থাপনা সহজ হয় এবং আত্মবিশ্বাস বাড়ে।

প্রস্তুতির ক্ষেত্রে বাজারের গাইডের ওপর নির্ভর না করে পাঠ্যবইকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিতে হবে। বোর্ড প্রশ্ন, নির্বাচনী পরীক্ষা ও মডেল টেস্টের প্রশ্নগুলো সমাধান করলে প্রস্তুতি শক্তিশালী হয়। পরীক্ষার আগে নতুন কিছু না শিখে পুরনো পড়াগুলো বারবার রিভিশন দেওয়া প্রয়োজন, যা তথ্য দীর্ঘস্থায়ীভাবে মনে রাখতে সাহায্য করে।

উত্তরপত্রের উপস্থাপনার ক্ষেত্রে অপ্রাসঙ্গিক লেখা পরিহার করা উচিত। উত্তর বড় হলেই বেশি নম্বর পাওয়া যায়—এটি ভুল ধারণা। বরং সংক্ষিপ্ত, তথ্যভিত্তিক ও সুসংগঠিত উত্তরই বেশি নম্বর পাওয়ার চাবিকাঠি। পরীক্ষার হলে প্রশ্নপত্র হাতে পেয়ে প্রথমে ভালোভাবে পড়ে নিতে হবে এবং যে প্রশ্নগুলোর উত্তর সবচেয়ে ভালো জানা আছে, সেগুলো আগে লিখতে হবে। পরিকল্পিত প্রস্তুতি, আত্মবিশ্বাস ও পরিশ্রম থাকলে ভূগোলে এ+ অর্জন করা কঠিন নয়।

ভূগোল ১ম পত্র: পরামর্শএইচএসসি পরীক্ষায় ভালো ফলাফলের জন্য ভূগোল একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo

নিউজটি শেয়ার করুন

এইচএসসি ২০২৬: ভূগোলে ভালো ফলাফলের ৮টি কার্যকরী কৌশল

আপডেট সময় : ০৫:৪৯:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬

এইচএসসি পরীক্ষায় ভালো ফলাফল অর্জনে ভূগোল একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। অনেক শিক্ষার্থীর ধারণা ভূগোল কেবল মুখস্থ করার বিষয়, কিন্তু বাস্তবে এটি বিশ্লেষণ, ধারণা, প্রয়োগ এবং উপস্থাপনার সমন্বয়ে গঠিত। সঠিক কৌশল অনুসরণ করলে এই বিষয়ে সহজেই ভালো নম্বর পাওয়া সম্ভব। ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রভাষক মো. শাকিরুল ইসলাম ভূগোলে ভালো করার ৮টি নিয়ম বিস্তারিত আলোচনা করেছেন।

পরীক্ষায় এ+ পাওয়ার ক্ষেত্রে বহুনির্বাচনি বা এমসিকিউ অংশ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অনেক শিক্ষার্থী সৃজনশীল অংশে ভালো করলেও এমসিকিউতে নম্বর হারিয়ে কাঙ্ক্ষিত ফলাফল থেকে বঞ্চিত হয়। তাই প্রতিটি অধ্যায়ের সংজ্ঞা, তথ্য, বৈশিষ্ট্য, মানচিত্রভিত্তিক উপাদান, চিত্র, সাল ও পরিসংখ্যান নিয়মিত অনুশীলন করা জরুরি।

জ্ঞানমূলক ও অনুধাবনমূলক প্রশ্নের উত্তরে অপ্রয়োজনীয় তথ্য বর্জন করে সরাসরি পাঠ্যবই অনুসরণ করতে হবে। সংজ্ঞা, কী, কাকে বলে বা ব্যাখ্যা করার মতো প্রশ্নগুলো সরাসরি পাঠ্যবই থেকে আসে, তাই মূল বই বারবার পড়া এবং গুরুত্বপূর্ণ সংজ্ঞাগুলো আয়ত্তে রাখা আবশ্যক। অন্যদিকে, প্রয়োগমূলক ও উচ্চতর দক্ষতার (গ ও ঘ) প্রশ্নের ক্ষেত্রে উদ্দীপকটি মনোযোগ দিয়ে পড়ে মূল ধারণা বের করতে হবে। নিজের মতামত, বিশ্লেষণ, যুক্তি এবং প্রাসঙ্গিক উদাহরণের মাধ্যমে উত্তর লিখলে মান ও নম্বর বৃদ্ধি পায়। এ ক্ষেত্রে চিত্র বা মানচিত্রের ব্যবহার উত্তরকে আরও সমৃদ্ধ করে তোলে।

ভূগোলের উত্তরপত্রে মানচিত্র, চিত্র, ফ্লোচার্ট ও ছকের ব্যবহার পরীক্ষকের ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। অনেক সময় প্রশ্নে সরাসরি না চাইলেও প্রয়োজন অনুযায়ী ছোট চিত্র বা মানচিত্র ব্যবহার করা উচিত। এছাড়া শুধু পড়ে নয়, লিখে অনুশীলন করাও জরুরি। নির্দিষ্ট সময়ে প্রশ্নের উত্তর লেখার অভ্যাস করলে পরীক্ষার হলে সময় ব্যবস্থাপনা সহজ হয় এবং আত্মবিশ্বাস বাড়ে।

প্রস্তুতির ক্ষেত্রে বাজারের গাইডের ওপর নির্ভর না করে পাঠ্যবইকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিতে হবে। বোর্ড প্রশ্ন, নির্বাচনী পরীক্ষা ও মডেল টেস্টের প্রশ্নগুলো সমাধান করলে প্রস্তুতি শক্তিশালী হয়। পরীক্ষার আগে নতুন কিছু না শিখে পুরনো পড়াগুলো বারবার রিভিশন দেওয়া প্রয়োজন, যা তথ্য দীর্ঘস্থায়ীভাবে মনে রাখতে সাহায্য করে।

উত্তরপত্রের উপস্থাপনার ক্ষেত্রে অপ্রাসঙ্গিক লেখা পরিহার করা উচিত। উত্তর বড় হলেই বেশি নম্বর পাওয়া যায়—এটি ভুল ধারণা। বরং সংক্ষিপ্ত, তথ্যভিত্তিক ও সুসংগঠিত উত্তরই বেশি নম্বর পাওয়ার চাবিকাঠি। পরীক্ষার হলে প্রশ্নপত্র হাতে পেয়ে প্রথমে ভালোভাবে পড়ে নিতে হবে এবং যে প্রশ্নগুলোর উত্তর সবচেয়ে ভালো জানা আছে, সেগুলো আগে লিখতে হবে। পরিকল্পিত প্রস্তুতি, আত্মবিশ্বাস ও পরিশ্রম থাকলে ভূগোলে এ+ অর্জন করা কঠিন নয়।

ভূগোল ১ম পত্র: পরামর্শএইচএসসি পরীক্ষায় ভালো ফলাফলের জন্য ভূগোল একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo