ঢাকা ০২:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তিস্তার পানি বিপদসীমার নিচে, স্বস্তি ফিরছে তীরবর্তী এলাকায় কক্সবাজারে ভয়াবহ বন্যায় ২২ জনের মৃত্যু, পানিবন্দি তিন লাখ মানুষ নরসিংদীর মেথিকান্দা স্টেশনে বৃদ্ধা হত্যার ঘটনায় ৬ জন গ্রেপ্তার ফ্রান্সের কাছে হারের পর হ্যান্ডবলের দাবি মরক্কোর কোচের গাজায় ফুটবল বিশ্বকাপ দেখানো ত্রাণ কর্মকর্তা ইসরাইলি হামলায় নিহত বিশ্বকাপে অনন্য রেকর্ড গড়ে সেমিফাইনালে এমবাপ্পের ফ্রান্স খোয়াই নদের বাঁধ ভেঙে হবিগঞ্জে ২০ গ্রাম প্লাবিত দুই দশক পর ফিলিস্তিনে সাধারণ নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা বিদেশে রফতানি হচ্ছে দিনাজপুরের কৃষক আনছার আলীর বাগানের আম পার্বত্য চট্টগ্রামে দুর্যোগ মোকাবিলায় উদ্ধার ও ত্রাণ তৎপরতায় সেনাবাহিনী

পার্বত্য চট্টগ্রামে দুর্যোগ মোকাবিলায় উদ্ধার ও ত্রাণ তৎপরতায় সেনাবাহিনী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৪৯:১৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

পার্বত্য চট্টগ্রামে চলমান ভারী বর্ষণ, পাহাড়ি ঢল এবং পাহাড়ধসের ফলে সৃষ্ট ভয়াবহ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে স্থানীয় প্রশাসন ও অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করে যাচ্ছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। উদ্ধার তৎপরতার পাশাপাশি ত্রাণ সহায়তা প্রদান, ক্ষতিগ্রস্তদের নিরাপদ স্থানে স্থানান্তর এবং সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা পুনরুদ্ধারে সেনাবাহিনী নিরলসভাবে কাজ করছে।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, পাহাড়ধস ও জলাবদ্ধতার কারণে যেসব এলাকায় সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে, সেখানে সেনাবাহিনীর প্রকৌশল দল ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে ধ্বংসাবশেষ ও মাটি সরিয়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা সচল করার চেষ্টা করছে। এছাড়া ভূমিধসের উচ্চ ঝুঁকিতে থাকা এলাকাগুলো থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় ২২১টি পরিবারকে উদ্ধার করে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

দুর্যোগপূর্ণ এলাকায় আটকে পড়া পর্যটকদের উদ্ধারেও বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে সেনাবাহিনী। এর আওতায় বান্দরবান থেকে ১৪০ জন এবং সাজেকে আটকা পড়া প্রায় ৬০০ জন পর্যটকের মধ্যে প্রথম ধাপে ১৫০ জনকে স্থানীয় প্রশাসনের সহায়তায় নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। বাকি পর্যটকদেরও পর্যায়ক্রমে নিরাপদ স্থানে স্থানান্তরের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে রান্না করা খাবার, শুকনো খাবার, বিশুদ্ধ পানি এবং জরুরি ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে। একই সঙ্গে পাহাড়ি ও বাঙালি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মাঝে চাল, ডাল, তেল ও আলুর মতো খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। আইএসপিআর জানিয়েছে, পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে উদ্ধার ও পুনর্বাসন কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

পার্বত্য চট্টগ্রামে দুর্যোগ মোকাবিলায় উদ্ধার ও ত্রাণ তৎপরতায় সেনাবাহিনী

আপডেট সময় : ১১:৪৯:১৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬
print news

পার্বত্য চট্টগ্রামে চলমান ভারী বর্ষণ, পাহাড়ি ঢল এবং পাহাড়ধসের ফলে সৃষ্ট ভয়াবহ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে স্থানীয় প্রশাসন ও অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করে যাচ্ছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। উদ্ধার তৎপরতার পাশাপাশি ত্রাণ সহায়তা প্রদান, ক্ষতিগ্রস্তদের নিরাপদ স্থানে স্থানান্তর এবং সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা পুনরুদ্ধারে সেনাবাহিনী নিরলসভাবে কাজ করছে।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, পাহাড়ধস ও জলাবদ্ধতার কারণে যেসব এলাকায় সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে, সেখানে সেনাবাহিনীর প্রকৌশল দল ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে ধ্বংসাবশেষ ও মাটি সরিয়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা সচল করার চেষ্টা করছে। এছাড়া ভূমিধসের উচ্চ ঝুঁকিতে থাকা এলাকাগুলো থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় ২২১টি পরিবারকে উদ্ধার করে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

দুর্যোগপূর্ণ এলাকায় আটকে পড়া পর্যটকদের উদ্ধারেও বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে সেনাবাহিনী। এর আওতায় বান্দরবান থেকে ১৪০ জন এবং সাজেকে আটকা পড়া প্রায় ৬০০ জন পর্যটকের মধ্যে প্রথম ধাপে ১৫০ জনকে স্থানীয় প্রশাসনের সহায়তায় নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। বাকি পর্যটকদেরও পর্যায়ক্রমে নিরাপদ স্থানে স্থানান্তরের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে রান্না করা খাবার, শুকনো খাবার, বিশুদ্ধ পানি এবং জরুরি ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে। একই সঙ্গে পাহাড়ি ও বাঙালি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মাঝে চাল, ডাল, তেল ও আলুর মতো খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। আইএসপিআর জানিয়েছে, পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে উদ্ধার ও পুনর্বাসন কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হবে।