ঢাকা ১০:১৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শারদীয় দুর্গাপূজায় বিজিএমইএ কার্যালয়ে টানা ৪ দিনের ছুটি ধাপে ধাপে আইএমএফ-বিশ্বব্যাংকের শর্ত পূরণ করবে সরকার: অর্থমন্ত্রী যুদ্ধের ধাক্কায় ২০২৬ সালে সংকুচিত হবে মধ্যপ্রাচ্যের অর্থনীতি: আইএমএফ সোমেশ্বরী নদীতে সেতুর অভাবে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হাজারো মানুষের ইজারা বাতিল না হলে ১৯ অক্টোবর থেকে চট্টগ্রাম বন্দরে অনশনের হুমকি সৌদিগামী ৬১ ফ্লাইট স্থগিত, ভোগান্তিতে ৮৩৮১ যাত্রী চুয়েটে ২০ ঘণ্টা অবরুদ্ধ উপাচার্য, অসুস্থতায় মধ্যরাতে ডাকলেন অ্যাম্বুলেন্স বিইআরসির দাম উপেক্ষা করে এলপিজি বিক্রি, দিশেহারা সাধারণ ক্রেতা ১২ ঘণ্টা পর নিয়ন্ত্রণে চকবাজারের মনসুর খান প্লাজার আগুন ১২ ঘণ্টা পর নিয়ন্ত্রণে চকবাজারের মনসুর খান প্লাজার আগুন

লালমনিরহাটে ভারত গজলডোবা ব্যারাজের ৪০টি গেট খুলে দেওয়ায় বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি

স্টাফ রিপোর্টার রংপুর:
  • আপডেট সময় : ০১:৫৯:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬ ১৫২ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি




স্টাফ রিপোর্টার
রংপুর:

আগামী কয়েক দিন ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে দেশের বিভিন্ন নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি বা অবনতি হতে পারে বলে পানি উন্নয়ন বোর্ড আশঙ্কা করছে। এদিকে ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি কিছুটা কমলেও ভাটিতে পানি বেড়েছে। ফলে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে অন্তত ১০ হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। গতকাল বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের প্রকাশিত সর্বশেষ বুলেটিনে বলা হয়েছে।

২৪ ঘণ্টার নদীর পানি পরিস্থিতি বিশ্লেষণে দেখা গেছে, নীলফামারীর ডালিয়া, রংপুরের কাউনিয়া ও লালমনিরহাটের তারাপুরে তিস্তা নদীর পানি সতর্কসীমায় রয়েছে। বর্তমানে পানি উন্নয়ন বোর্ডের পর্যবেক্ষণাধীন স্টেশনগুলোর মধ্যে ১টি স্টেশনে পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

সূত্র মতে জানা যায়, ২৪ ঘণ্টায় দেশের অভ্যন্তরে রংপুর বিভাগে ভারী থেকে অতিভারী এবং সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন স্থানে ভারী বৃষ্টিপাত হয়েছে। এ সময়ে সর্বোচ্চ ১৩৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে কুড়িগ্রামের পাটেশ্বরী স্টেশনে।

এ ছাড়া রংপুরের বদরগঞ্জে ৯৩ মিলিমিটার, কুড়িগ্রামে ৮২ মিলিমিটার, চিলমারী ও নীলফামারীর ডালিয়ায় ৮০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি কিছুটা কমলেও ভাটিতে পানি বেড়েছে। ফলে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে অন্তত ১০ হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে বলে জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। পানির চাপ সামাল দিতে তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি গেট খুলে দেওয়া হয়েছে। এতে নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে, পানিবন্দি হয়ে পড়েছে চরাঞ্চলের অন্তত ১০ হাজার পরিবার।

লালমনিরহাটের পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সুনীল রায় জানান, ভারত গজলডোবা ব্যারাজের ৪০টি গেট খুলে দেওয়ায় বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

লালমনিরহাটের জেলা প্রশাসক রাশেদুল হক প্রদান জানান, তিস্তার মধ্যবর্তী চরের ১০ হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে আছে। চেয়ারম্যানদের তালিকা করতে বলা হয়েছে, তালিকা পেলেই শুকনো খাবার বিতরণ করা হবে।

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী জানান, পানি কখনো বিপৎসীমার ওপরে আবার কখনো বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় চরের বাসিন্দাদের সতর্ক থাকতে বলেছি। টানা বর্ষণ ও উজানের ঢলে বেলা বাড়ার সঙ্গে পানি আরও বাড়তে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

লালমনিরহাটে ভারত গজলডোবা ব্যারাজের ৪০টি গেট খুলে দেওয়ায় বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি

আপডেট সময় : ০১:৫৯:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার
রংপুর:

আগামী কয়েক দিন ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে দেশের বিভিন্ন নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি বা অবনতি হতে পারে বলে পানি উন্নয়ন বোর্ড আশঙ্কা করছে। এদিকে ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি কিছুটা কমলেও ভাটিতে পানি বেড়েছে। ফলে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে অন্তত ১০ হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। গতকাল বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের প্রকাশিত সর্বশেষ বুলেটিনে বলা হয়েছে।

২৪ ঘণ্টার নদীর পানি পরিস্থিতি বিশ্লেষণে দেখা গেছে, নীলফামারীর ডালিয়া, রংপুরের কাউনিয়া ও লালমনিরহাটের তারাপুরে তিস্তা নদীর পানি সতর্কসীমায় রয়েছে। বর্তমানে পানি উন্নয়ন বোর্ডের পর্যবেক্ষণাধীন স্টেশনগুলোর মধ্যে ১টি স্টেশনে পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

সূত্র মতে জানা যায়, ২৪ ঘণ্টায় দেশের অভ্যন্তরে রংপুর বিভাগে ভারী থেকে অতিভারী এবং সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন স্থানে ভারী বৃষ্টিপাত হয়েছে। এ সময়ে সর্বোচ্চ ১৩৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে কুড়িগ্রামের পাটেশ্বরী স্টেশনে।

এ ছাড়া রংপুরের বদরগঞ্জে ৯৩ মিলিমিটার, কুড়িগ্রামে ৮২ মিলিমিটার, চিলমারী ও নীলফামারীর ডালিয়ায় ৮০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি কিছুটা কমলেও ভাটিতে পানি বেড়েছে। ফলে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে অন্তত ১০ হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে বলে জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। পানির চাপ সামাল দিতে তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি গেট খুলে দেওয়া হয়েছে। এতে নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে, পানিবন্দি হয়ে পড়েছে চরাঞ্চলের অন্তত ১০ হাজার পরিবার।

লালমনিরহাটের পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সুনীল রায় জানান, ভারত গজলডোবা ব্যারাজের ৪০টি গেট খুলে দেওয়ায় বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

লালমনিরহাটের জেলা প্রশাসক রাশেদুল হক প্রদান জানান, তিস্তার মধ্যবর্তী চরের ১০ হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে আছে। চেয়ারম্যানদের তালিকা করতে বলা হয়েছে, তালিকা পেলেই শুকনো খাবার বিতরণ করা হবে।

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী জানান, পানি কখনো বিপৎসীমার ওপরে আবার কখনো বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় চরের বাসিন্দাদের সতর্ক থাকতে বলেছি। টানা বর্ষণ ও উজানের ঢলে বেলা বাড়ার সঙ্গে পানি আরও বাড়তে পারে।