ঢাকা ১০:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অলি আহমদের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছে ইসি অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে হারিয়ে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ ঝিনাইদহে পুকুরে ডুবে সপ্তম শ্রেণির ছাত্রের মৃত্যু অনারারি ডক্টরেট পেলেন বলিউড অভিনেত্রী রানী মুখার্জি প্রাণ গ্রুপে অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার পদে চাকরির সুযোগ দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় শিশুসহ ১১ জনের প্রাণহানি হাসিনাকে ‘অমূল্য সম্পদ’ বলা চসিক সচিবের অডিও ফাঁস কিশোরগঞ্জে ইমাম ও পুরোহিতদের সম্মানি ভাতা কার্যক্রম উদ্বোধন করছেন প্রধানমন্ত্রী কিশোরগঞ্জের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ইনিংস ব্যবধানে হার এড়ালো অস্ট্রেলিয়া, লিড মাত্র ১৫ রানের

লালমনিরহাটে ভারত গজলডোবা ব্যারাজের ৪০টি গেট খুলে দেওয়ায় বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি

স্টাফ রিপোর্টার রংপুর:
  • আপডেট সময় : ০১:৫৯:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬ ১৩১ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

স্টাফ রিপোর্টার
রংপুর:

আগামী কয়েক দিন ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে দেশের বিভিন্ন নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি বা অবনতি হতে পারে বলে পানি উন্নয়ন বোর্ড আশঙ্কা করছে। এদিকে ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি কিছুটা কমলেও ভাটিতে পানি বেড়েছে। ফলে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে অন্তত ১০ হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। গতকাল বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের প্রকাশিত সর্বশেষ বুলেটিনে বলা হয়েছে।

২৪ ঘণ্টার নদীর পানি পরিস্থিতি বিশ্লেষণে দেখা গেছে, নীলফামারীর ডালিয়া, রংপুরের কাউনিয়া ও লালমনিরহাটের তারাপুরে তিস্তা নদীর পানি সতর্কসীমায় রয়েছে। বর্তমানে পানি উন্নয়ন বোর্ডের পর্যবেক্ষণাধীন স্টেশনগুলোর মধ্যে ১টি স্টেশনে পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

সূত্র মতে জানা যায়, ২৪ ঘণ্টায় দেশের অভ্যন্তরে রংপুর বিভাগে ভারী থেকে অতিভারী এবং সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন স্থানে ভারী বৃষ্টিপাত হয়েছে। এ সময়ে সর্বোচ্চ ১৩৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে কুড়িগ্রামের পাটেশ্বরী স্টেশনে।

এ ছাড়া রংপুরের বদরগঞ্জে ৯৩ মিলিমিটার, কুড়িগ্রামে ৮২ মিলিমিটার, চিলমারী ও নীলফামারীর ডালিয়ায় ৮০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি কিছুটা কমলেও ভাটিতে পানি বেড়েছে। ফলে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে অন্তত ১০ হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে বলে জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। পানির চাপ সামাল দিতে তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি গেট খুলে দেওয়া হয়েছে। এতে নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে, পানিবন্দি হয়ে পড়েছে চরাঞ্চলের অন্তত ১০ হাজার পরিবার।

লালমনিরহাটের পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সুনীল রায় জানান, ভারত গজলডোবা ব্যারাজের ৪০টি গেট খুলে দেওয়ায় বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

লালমনিরহাটের জেলা প্রশাসক রাশেদুল হক প্রদান জানান, তিস্তার মধ্যবর্তী চরের ১০ হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে আছে। চেয়ারম্যানদের তালিকা করতে বলা হয়েছে, তালিকা পেলেই শুকনো খাবার বিতরণ করা হবে।

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী জানান, পানি কখনো বিপৎসীমার ওপরে আবার কখনো বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় চরের বাসিন্দাদের সতর্ক থাকতে বলেছি। টানা বর্ষণ ও উজানের ঢলে বেলা বাড়ার সঙ্গে পানি আরও বাড়তে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

লালমনিরহাটে ভারত গজলডোবা ব্যারাজের ৪০টি গেট খুলে দেওয়ায় বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি

আপডেট সময় : ০১:৫৯:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার
রংপুর:

আগামী কয়েক দিন ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে দেশের বিভিন্ন নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি বা অবনতি হতে পারে বলে পানি উন্নয়ন বোর্ড আশঙ্কা করছে। এদিকে ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি কিছুটা কমলেও ভাটিতে পানি বেড়েছে। ফলে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে অন্তত ১০ হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। গতকাল বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের প্রকাশিত সর্বশেষ বুলেটিনে বলা হয়েছে।

২৪ ঘণ্টার নদীর পানি পরিস্থিতি বিশ্লেষণে দেখা গেছে, নীলফামারীর ডালিয়া, রংপুরের কাউনিয়া ও লালমনিরহাটের তারাপুরে তিস্তা নদীর পানি সতর্কসীমায় রয়েছে। বর্তমানে পানি উন্নয়ন বোর্ডের পর্যবেক্ষণাধীন স্টেশনগুলোর মধ্যে ১টি স্টেশনে পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

সূত্র মতে জানা যায়, ২৪ ঘণ্টায় দেশের অভ্যন্তরে রংপুর বিভাগে ভারী থেকে অতিভারী এবং সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন স্থানে ভারী বৃষ্টিপাত হয়েছে। এ সময়ে সর্বোচ্চ ১৩৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে কুড়িগ্রামের পাটেশ্বরী স্টেশনে।

এ ছাড়া রংপুরের বদরগঞ্জে ৯৩ মিলিমিটার, কুড়িগ্রামে ৮২ মিলিমিটার, চিলমারী ও নীলফামারীর ডালিয়ায় ৮০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি কিছুটা কমলেও ভাটিতে পানি বেড়েছে। ফলে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে অন্তত ১০ হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে বলে জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। পানির চাপ সামাল দিতে তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি গেট খুলে দেওয়া হয়েছে। এতে নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে, পানিবন্দি হয়ে পড়েছে চরাঞ্চলের অন্তত ১০ হাজার পরিবার।

লালমনিরহাটের পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সুনীল রায় জানান, ভারত গজলডোবা ব্যারাজের ৪০টি গেট খুলে দেওয়ায় বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

লালমনিরহাটের জেলা প্রশাসক রাশেদুল হক প্রদান জানান, তিস্তার মধ্যবর্তী চরের ১০ হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে আছে। চেয়ারম্যানদের তালিকা করতে বলা হয়েছে, তালিকা পেলেই শুকনো খাবার বিতরণ করা হবে।

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী জানান, পানি কখনো বিপৎসীমার ওপরে আবার কখনো বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় চরের বাসিন্দাদের সতর্ক থাকতে বলেছি। টানা বর্ষণ ও উজানের ঢলে বেলা বাড়ার সঙ্গে পানি আরও বাড়তে পারে।