ঢাকা ১১:০৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অলি আহমদের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছে ইসি অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে হারিয়ে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ ঝিনাইদহে পুকুরে ডুবে সপ্তম শ্রেণির ছাত্রের মৃত্যু অনারারি ডক্টরেট পেলেন বলিউড অভিনেত্রী রানী মুখার্জি প্রাণ গ্রুপে অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার পদে চাকরির সুযোগ দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় শিশুসহ ১১ জনের প্রাণহানি হাসিনাকে ‘অমূল্য সম্পদ’ বলা চসিক সচিবের অডিও ফাঁস কিশোরগঞ্জে ইমাম ও পুরোহিতদের সম্মানি ভাতা কার্যক্রম উদ্বোধন করছেন প্রধানমন্ত্রী কিশোরগঞ্জের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ইনিংস ব্যবধানে হার এড়ালো অস্ট্রেলিয়া, লিড মাত্র ১৫ রানের

রংপুরে বারো আউলিয়া এলাকায় আশানুরের গরুর আবাসিক হোটেল

স্টাফ রিপোর্টার রংপুর:
  • আপডেট সময় : ০৯:৪৬:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬ ১৫৭ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

স্টাফ রিপোর্টার
রংপুর:

রংপুর নগরের মডার্ন মোড় পার হয়ে প্রায় আধা কিলোমিটার দূরে বারো আউলিয়া এলাকায় আশানুরের এ গরুর হোটেল। তবে হোটেলটি আগে ছিল মডার্ন মোড়ের বাঁপাশে। বছর দেড়েক আগে এটি ঢাকা-রংপুর মহাসড়কের ডানপাশে জায়গা ভাড়া নিয়ে করা হয়েছে।

আজ (১৯ মে) মঙ্গলবার সকালে সরেজমিনে দেখা যায়, মহাসড়কের পাশে ৫০ শতক জমিতে টিনের শেড করা হয়েছে। ভেতরে সারিবদ্ধভাবে গরু রাখা হয়েছে। টিনের শেডে বিশেষ ব্যবস্থায় সূর্যের আলো প্রবেশের ব্যবস্থা আছে। গরুর মাথার ওপর ঘুরছে কয়েকটি বৈদ্যুতিক পাখা। সেখানে গরুকে খাবার দিচ্ছেন শ্রমিকেরা। পাশাপাশি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ চলছে।

আশানুর বললেন, প্রতিদিন ব্যবসায়ীরা রংপুরের বিভিন্ন হাট থেকে গরু কিনে রাতে এখানে রাখেন। এ জন্য গরুপ্রতি ৫০ টাকা নেওয়া হয়। তবে কোরবানির ঈদ ঘিরে গরুর চাপ বেড়েছে। এখন গরুপ্রতি ভাড়া ১০ টাকা বেশি নেওয়া হচ্ছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেল, কোরবানির ঈদের কারণে ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেটসহ দক্ষিণাঞ্চলের গরু ব্যবসায়ীরা রংপুরসহ আশপাশের জেলাগুলোর হাট থেকে প্রতিদিন শত শত গরু কিনছেন। এসব গরুর কিছু সঙ্গে সঙ্গে ট্রাকে করে পাঠানো হচ্ছে। বাকি গরু রাখা হচ্ছে আশানুরের গরুর হোটেলে। এখানে গরুকে খাওয়ানোর জন্য খড় ও ভুসির আলাদা ব্যবস্থাও আছে।

আশানুরের গরুর হোটেলে তিনি ও তাঁর বাবা ছাড়াও ছোট ভাই শাহিন মিয়া, ভগ্নিপতি আলাল মিয়াও দেখাশোনা করেন। শাহিন জানান, ব্যবসায়ী মূলত নিরাপত্তার বিষয়টি দেখেন। তাঁরা এ বিষয়ে সতর্ক থাকছেন। এখন পর্যন্ত গরু হারিয়ে গেছে বা এ রকম কোনো সমস্যা হয়নি।

শাহিন মিয়ার সঙ্গে কথা বলার সময় কয়েকজন গরু ব্যবসায়ীকে সেখানে দেখা গেল। সুরুজ মিয়া নামে চট্টগ্রামের এক ব্যবসায়ী বললেন, তাঁরা রংপুরের শঠিবাড়ি, লালবাগ, বেদগাড়ি, বুড়িরহাট, পাওটানা ও লালমনিরহাটের বড়বাড়ি হাট থেকে গরু কিনেছেন। আগে গরু কেনার পর তাঁদের পরিবহন নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়তে হতো। অনেক সময় বেশি টানাটানির কারণে গরু ক্লান্ত হয়ে যেত। এখন গরুর আবাসিক হোটেলে রেখে সুবিধাজনক সময়ে পরিবহন করতে পারছেন।

জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. নাজমুল হুদা জানান,
এটি ভালো উদ্যোগ। চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, সিলেট থেকে বিভিন্ন ব্যবসায়ীরা এসে বিভিন্ন হাটে গরু কিনে এখানে রাখেন। পরে পরিমাণমতো হলে গাড়িতে করে নিয়ে যান। গরুর আবাসিক হোটেল হওয়ায় ব্যবসায়ীরা খুব উৎফুল্ল। একই সঙ্গে গরুগুলোকে কম ক্লান্ত হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

রংপুরে বারো আউলিয়া এলাকায় আশানুরের গরুর আবাসিক হোটেল

আপডেট সময় : ০৯:৪৬:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার
রংপুর:

রংপুর নগরের মডার্ন মোড় পার হয়ে প্রায় আধা কিলোমিটার দূরে বারো আউলিয়া এলাকায় আশানুরের এ গরুর হোটেল। তবে হোটেলটি আগে ছিল মডার্ন মোড়ের বাঁপাশে। বছর দেড়েক আগে এটি ঢাকা-রংপুর মহাসড়কের ডানপাশে জায়গা ভাড়া নিয়ে করা হয়েছে।

আজ (১৯ মে) মঙ্গলবার সকালে সরেজমিনে দেখা যায়, মহাসড়কের পাশে ৫০ শতক জমিতে টিনের শেড করা হয়েছে। ভেতরে সারিবদ্ধভাবে গরু রাখা হয়েছে। টিনের শেডে বিশেষ ব্যবস্থায় সূর্যের আলো প্রবেশের ব্যবস্থা আছে। গরুর মাথার ওপর ঘুরছে কয়েকটি বৈদ্যুতিক পাখা। সেখানে গরুকে খাবার দিচ্ছেন শ্রমিকেরা। পাশাপাশি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ চলছে।

আশানুর বললেন, প্রতিদিন ব্যবসায়ীরা রংপুরের বিভিন্ন হাট থেকে গরু কিনে রাতে এখানে রাখেন। এ জন্য গরুপ্রতি ৫০ টাকা নেওয়া হয়। তবে কোরবানির ঈদ ঘিরে গরুর চাপ বেড়েছে। এখন গরুপ্রতি ভাড়া ১০ টাকা বেশি নেওয়া হচ্ছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেল, কোরবানির ঈদের কারণে ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেটসহ দক্ষিণাঞ্চলের গরু ব্যবসায়ীরা রংপুরসহ আশপাশের জেলাগুলোর হাট থেকে প্রতিদিন শত শত গরু কিনছেন। এসব গরুর কিছু সঙ্গে সঙ্গে ট্রাকে করে পাঠানো হচ্ছে। বাকি গরু রাখা হচ্ছে আশানুরের গরুর হোটেলে। এখানে গরুকে খাওয়ানোর জন্য খড় ও ভুসির আলাদা ব্যবস্থাও আছে।

আশানুরের গরুর হোটেলে তিনি ও তাঁর বাবা ছাড়াও ছোট ভাই শাহিন মিয়া, ভগ্নিপতি আলাল মিয়াও দেখাশোনা করেন। শাহিন জানান, ব্যবসায়ী মূলত নিরাপত্তার বিষয়টি দেখেন। তাঁরা এ বিষয়ে সতর্ক থাকছেন। এখন পর্যন্ত গরু হারিয়ে গেছে বা এ রকম কোনো সমস্যা হয়নি।

শাহিন মিয়ার সঙ্গে কথা বলার সময় কয়েকজন গরু ব্যবসায়ীকে সেখানে দেখা গেল। সুরুজ মিয়া নামে চট্টগ্রামের এক ব্যবসায়ী বললেন, তাঁরা রংপুরের শঠিবাড়ি, লালবাগ, বেদগাড়ি, বুড়িরহাট, পাওটানা ও লালমনিরহাটের বড়বাড়ি হাট থেকে গরু কিনেছেন। আগে গরু কেনার পর তাঁদের পরিবহন নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়তে হতো। অনেক সময় বেশি টানাটানির কারণে গরু ক্লান্ত হয়ে যেত। এখন গরুর আবাসিক হোটেলে রেখে সুবিধাজনক সময়ে পরিবহন করতে পারছেন।

জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. নাজমুল হুদা জানান,
এটি ভালো উদ্যোগ। চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, সিলেট থেকে বিভিন্ন ব্যবসায়ীরা এসে বিভিন্ন হাটে গরু কিনে এখানে রাখেন। পরে পরিমাণমতো হলে গাড়িতে করে নিয়ে যান। গরুর আবাসিক হোটেল হওয়ায় ব্যবসায়ীরা খুব উৎফুল্ল। একই সঙ্গে গরুগুলোকে কম ক্লান্ত হচ্ছে।