ঢাকা ০৬:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
লালমনিরহাটে ভারত গজলডোবা ব্যারাজের ৪০টি গেট খুলে দেওয়ায় বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি কুমিল্লায় স্কুল ছাত্র গুলিবিদ্ধের ঘটনায় বিদেশি পিস্তল ও গুলি সহ গ্রেফতার-৪ ফতুল্লা উত্তর দেলপাড়ায় স্ত্রী ধারালো অস্ত্র দিয়ে স্বামীকে নির্মম হত্যা ঘাতক স্ত্রী গ্রেফতার অন্তর্বর্তী সরকারের ১৮ মাসের কর্মকাণ্ড তদন্তের দাবি সংসদে, প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চাইলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চট্টগ্রামে ব্যাংকের ১৭ লক্ষ টাকা চুরির রহস্য উদ্ঘাটন নিরাপত্তা প্রহরী রংপুর থেকে গ্রেফতার কক্সবাজার ইয়াবা সহ আটক ১ ভোলায় ফুটপাতের পাগলী মা হলেও বাবা হলোনা কেউ নবীনগরে গাঁজা সহ আটক-১ দুধকুমার নদের পানি বিপৎসীমার ২৩ সেন্টিমিটার ওপরে

নিউ মার্কেটে শীর্ষ সন্ত্রাসী টিটন গুলিতে নিহত

ফখরুল আলম সাজু
  • আপডেট সময় : ০১:১৪:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬ ৯০ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

ফখরুল আলম সাজু

রাজধানী ঢাকা নিউ মার্কেট এলাকায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে খন্দকার নাঈম আহমেদ ওরফে টিটন (৫২) নামে তালিকা ভুক্ত ১ শীর্ষ সন্ত্রাসী নিহত হয়েছেন।

২৮ এপ্রিল মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ শাহনেওয়াজ ছাত্রাবাসের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

গুলিবিদ্ধ অবস্থায় টিটনকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্মরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

পুলিশ জানায়, ঘটনাস্থল থেকে আহত ব্যক্তিকে প্রথমে শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি, পরে আঙুলের ছাপ পরীক্ষা করে তার পরিচয় নিশ্চিত করা হয়, নিহত টিটন ২০০২ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময় ঘোষিত ২৩ শীর্ষ সন্ত্রাসীর ১ জন ছিলেন।

ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) এর অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার “ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস” এস এন মো. নজরুল ইসলাম এবং রমনা বিভাগের উপকমিশনার মাসুদ আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, টিটন দীর্ঘ ২ দশকের বেশি সময় কারাগারে ছিলেন, ২০২৩ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর তিনি জামিন পেলেও আইনি জটিলতায় মুক্তি পাননি, পরে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তিনি কারামুক্ত হন।

মুক্তির পর তিনি নিয়মিত আদালতে হাজিরা দেননি, এর ফলে আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে।

টিটনের বিরুদ্ধে হত্যা, চাঁদাবাজি সহ নানা অপরাধে একাধিক মামলা রয়েছে, তিনি ঢাকার রায়ের বাজার ও হাজারীবাগ এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে আধিপত্য বিস্তার করে আসছিলেন।

এছাড়া তিনি আরেক তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী সানজিদুল ইসলাম ইমনের শ্যালক, ইমনের প্রভাবেই টিটনের অপরাধ জগতে উত্থান ঘটে বলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ধারণা।

ঘটনার পর এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে, হত্যাকাণ্ডের কারণ ও জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

নিউ মার্কেটে শীর্ষ সন্ত্রাসী টিটন গুলিতে নিহত

আপডেট সময় : ০১:১৪:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
print news

ফখরুল আলম সাজু

রাজধানী ঢাকা নিউ মার্কেট এলাকায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে খন্দকার নাঈম আহমেদ ওরফে টিটন (৫২) নামে তালিকা ভুক্ত ১ শীর্ষ সন্ত্রাসী নিহত হয়েছেন।

২৮ এপ্রিল মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ শাহনেওয়াজ ছাত্রাবাসের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

গুলিবিদ্ধ অবস্থায় টিটনকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্মরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

পুলিশ জানায়, ঘটনাস্থল থেকে আহত ব্যক্তিকে প্রথমে শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি, পরে আঙুলের ছাপ পরীক্ষা করে তার পরিচয় নিশ্চিত করা হয়, নিহত টিটন ২০০২ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময় ঘোষিত ২৩ শীর্ষ সন্ত্রাসীর ১ জন ছিলেন।

ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) এর অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার “ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস” এস এন মো. নজরুল ইসলাম এবং রমনা বিভাগের উপকমিশনার মাসুদ আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, টিটন দীর্ঘ ২ দশকের বেশি সময় কারাগারে ছিলেন, ২০২৩ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর তিনি জামিন পেলেও আইনি জটিলতায় মুক্তি পাননি, পরে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তিনি কারামুক্ত হন।

মুক্তির পর তিনি নিয়মিত আদালতে হাজিরা দেননি, এর ফলে আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে।

টিটনের বিরুদ্ধে হত্যা, চাঁদাবাজি সহ নানা অপরাধে একাধিক মামলা রয়েছে, তিনি ঢাকার রায়ের বাজার ও হাজারীবাগ এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে আধিপত্য বিস্তার করে আসছিলেন।

এছাড়া তিনি আরেক তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী সানজিদুল ইসলাম ইমনের শ্যালক, ইমনের প্রভাবেই টিটনের অপরাধ জগতে উত্থান ঘটে বলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ধারণা।

ঘটনার পর এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে, হত্যাকাণ্ডের কারণ ও জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।