ঢাকা ০৫:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬, ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারের মৃত্যুদণ্ড রায় ঘোষণা দোকান উচ্ছেদ নিয়ে ২ গোষ্ঠীর রণক্ষেত্র, নারী সহ আহত ২০ যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলা ক্ষেত্রপালা বিদ্যুতের লাইনকে কেন্দ্র করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাঙচুর ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ড্রাইভারদের অনিয়ম, চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা নোয়াখালীতে বিএনপি-আওয়ামী লীগ সংঘর্ষ, অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুর আহত ১০ পরশুরামে মাদক মামলার আসামি ফাতেমা গ্রেফতার কুড়িগ্রামে পিকআপ ও মোটরসাইকেল মুখামুখি সংঘর্ষে পিতা ও পুত্র নিহত গোপালগঞ্জ ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে ১ শিশুর মৃত্যু কুমিল্লায় বাস এর সাথে মোটরসাইকেলের ধাক্কা, নিহত-২ ভিক্ষুককে কুপিয়ে ১৬০ টাকা ছিনতাই, কিশোর গ্যাং লিডার আটক

নীলফামারীতে তিস্তা সেচ প্রকল্পে ফসলের ক্ষেতে বেড়েছে কৃষকদের ব্যস্ততা

হীমেল কুমার মিত্র স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় : ০৫:১১:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ২৬২ বার পড়া হয়েছে

নীলফামারীতে তিস্তা সেচ প্রকল্পে ফসলের ক্ষেতে বেড়েছে কৃষকদের ব্যস্ততা

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

নীলফামারীতে তিস্তা সেচ প্রকল্পে ফসলের ক্ষেতে বেড়েছে কৃষকদের ব্যস্ততা। পুরোদমে চলছে বোরো চারা রোপণ ও জমি তৈরির কাজ। অবশ্য প্রধান খালসহ সেকেন্ডারি ও টারশিয়ারি খালের সংস্কার কাজ চলায় ৩০ হাজারের বিপরীতে সেচ সুবিধা পাওয়া যাচ্ছে ২০ হাজার হেক্টর জমিতে।
দেরিতে হলেও মিলছে তিস্তার পানি।

কৃষকরা জানান, তিস্তা সেচ প্রকল্পের পানি না পাওয়ার কারণে তাদেরকে বিএডিসির সেচ অথবা নিজস্ব উদ্যোগে শ্যালো পাম্পের সাহায্যে জমিতে পানি নিতে হতো। এতে করে প্রতি বিঘা জমিতে সেচ দিতে খরচ হতো দেড় হাজার থেকে ২ হাজার টাকা। কিন্তু তিস্তার পানি থেকে সেচ সুবিধা পাওয়ায় খরচ কমে এসেছে ২শ থেকে ৩শ টাকায়।

নীলফামারী পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. আশরাফুল আলম জানান, ২০২৪ সালে প্রকল্পের সংস্কার কাজ শেষ হলে পুরোদমে সেচ সুবিধা পাওয়া যাবে। জেলায় এবার বোরো চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৮১ হাজার ৭শ হেক্টর জমিতে।
দেরিতে হলেও মিলছে তিস্তার পানি।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

নীলফামারীতে তিস্তা সেচ প্রকল্পে ফসলের ক্ষেতে বেড়েছে কৃষকদের ব্যস্ততা

আপডেট সময় : ০৫:১১:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৩
print news

নীলফামারীতে তিস্তা সেচ প্রকল্পে ফসলের ক্ষেতে বেড়েছে কৃষকদের ব্যস্ততা। পুরোদমে চলছে বোরো চারা রোপণ ও জমি তৈরির কাজ। অবশ্য প্রধান খালসহ সেকেন্ডারি ও টারশিয়ারি খালের সংস্কার কাজ চলায় ৩০ হাজারের বিপরীতে সেচ সুবিধা পাওয়া যাচ্ছে ২০ হাজার হেক্টর জমিতে।
দেরিতে হলেও মিলছে তিস্তার পানি।

কৃষকরা জানান, তিস্তা সেচ প্রকল্পের পানি না পাওয়ার কারণে তাদেরকে বিএডিসির সেচ অথবা নিজস্ব উদ্যোগে শ্যালো পাম্পের সাহায্যে জমিতে পানি নিতে হতো। এতে করে প্রতি বিঘা জমিতে সেচ দিতে খরচ হতো দেড় হাজার থেকে ২ হাজার টাকা। কিন্তু তিস্তার পানি থেকে সেচ সুবিধা পাওয়ায় খরচ কমে এসেছে ২শ থেকে ৩শ টাকায়।

নীলফামারী পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. আশরাফুল আলম জানান, ২০২৪ সালে প্রকল্পের সংস্কার কাজ শেষ হলে পুরোদমে সেচ সুবিধা পাওয়া যাবে। জেলায় এবার বোরো চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৮১ হাজার ৭শ হেক্টর জমিতে।
দেরিতে হলেও মিলছে তিস্তার পানি।