ঢাকা ১০:৪৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অলি আহমদের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছে ইসি অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে হারিয়ে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ ঝিনাইদহে পুকুরে ডুবে সপ্তম শ্রেণির ছাত্রের মৃত্যু অনারারি ডক্টরেট পেলেন বলিউড অভিনেত্রী রানী মুখার্জি প্রাণ গ্রুপে অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার পদে চাকরির সুযোগ দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় শিশুসহ ১১ জনের প্রাণহানি হাসিনাকে ‘অমূল্য সম্পদ’ বলা চসিক সচিবের অডিও ফাঁস কিশোরগঞ্জে ইমাম ও পুরোহিতদের সম্মানি ভাতা কার্যক্রম উদ্বোধন করছেন প্রধানমন্ত্রী কিশোরগঞ্জের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ইনিংস ব্যবধানে হার এড়ালো অস্ট্রেলিয়া, লিড মাত্র ১৫ রানের

নীলফামারীতে তিস্তা সেচ প্রকল্পে ফসলের ক্ষেতে বেড়েছে কৃষকদের ব্যস্ততা

হীমেল কুমার মিত্র স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় : ০৫:১১:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ৩০৮ বার পড়া হয়েছে

নীলফামারীতে তিস্তা সেচ প্রকল্পে ফসলের ক্ষেতে বেড়েছে কৃষকদের ব্যস্ততা

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নীলফামারীতে তিস্তা সেচ প্রকল্পে ফসলের ক্ষেতে বেড়েছে কৃষকদের ব্যস্ততা। পুরোদমে চলছে বোরো চারা রোপণ ও জমি তৈরির কাজ। অবশ্য প্রধান খালসহ সেকেন্ডারি ও টারশিয়ারি খালের সংস্কার কাজ চলায় ৩০ হাজারের বিপরীতে সেচ সুবিধা পাওয়া যাচ্ছে ২০ হাজার হেক্টর জমিতে।
দেরিতে হলেও মিলছে তিস্তার পানি।

কৃষকরা জানান, তিস্তা সেচ প্রকল্পের পানি না পাওয়ার কারণে তাদেরকে বিএডিসির সেচ অথবা নিজস্ব উদ্যোগে শ্যালো পাম্পের সাহায্যে জমিতে পানি নিতে হতো। এতে করে প্রতি বিঘা জমিতে সেচ দিতে খরচ হতো দেড় হাজার থেকে ২ হাজার টাকা। কিন্তু তিস্তার পানি থেকে সেচ সুবিধা পাওয়ায় খরচ কমে এসেছে ২শ থেকে ৩শ টাকায়।

নীলফামারী পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. আশরাফুল আলম জানান, ২০২৪ সালে প্রকল্পের সংস্কার কাজ শেষ হলে পুরোদমে সেচ সুবিধা পাওয়া যাবে। জেলায় এবার বোরো চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৮১ হাজার ৭শ হেক্টর জমিতে।
দেরিতে হলেও মিলছে তিস্তার পানি।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

নীলফামারীতে তিস্তা সেচ প্রকল্পে ফসলের ক্ষেতে বেড়েছে কৃষকদের ব্যস্ততা

আপডেট সময় : ০৫:১১:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

নীলফামারীতে তিস্তা সেচ প্রকল্পে ফসলের ক্ষেতে বেড়েছে কৃষকদের ব্যস্ততা। পুরোদমে চলছে বোরো চারা রোপণ ও জমি তৈরির কাজ। অবশ্য প্রধান খালসহ সেকেন্ডারি ও টারশিয়ারি খালের সংস্কার কাজ চলায় ৩০ হাজারের বিপরীতে সেচ সুবিধা পাওয়া যাচ্ছে ২০ হাজার হেক্টর জমিতে।
দেরিতে হলেও মিলছে তিস্তার পানি।

কৃষকরা জানান, তিস্তা সেচ প্রকল্পের পানি না পাওয়ার কারণে তাদেরকে বিএডিসির সেচ অথবা নিজস্ব উদ্যোগে শ্যালো পাম্পের সাহায্যে জমিতে পানি নিতে হতো। এতে করে প্রতি বিঘা জমিতে সেচ দিতে খরচ হতো দেড় হাজার থেকে ২ হাজার টাকা। কিন্তু তিস্তার পানি থেকে সেচ সুবিধা পাওয়ায় খরচ কমে এসেছে ২শ থেকে ৩শ টাকায়।

নীলফামারী পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. আশরাফুল আলম জানান, ২০২৪ সালে প্রকল্পের সংস্কার কাজ শেষ হলে পুরোদমে সেচ সুবিধা পাওয়া যাবে। জেলায় এবার বোরো চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৮১ হাজার ৭শ হেক্টর জমিতে।
দেরিতে হলেও মিলছে তিস্তার পানি।