ঢাকা ১২:১৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দালাল ও টেস্ট বাণিজ্য বন্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সিলেটে এনসিপির পদযাত্রা ঘিরে ৫ উপজেলায় বিজিবি মোতায়েনের আবেদন ঢাকা সফরে আসছেন মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত সার্জিও গোর বীর মুক্তিযোদ্ধা সাংবাদিক কিসমত খন্দকার আর নেই বিদেশের মাটিতে টেস্টে টানা অষ্টম হারের লজ্জায় পাকিস্তান একীভূত ৫ ব্যাংকের গ্রাহকদের টাকা তোলার নিয়ম আরও সহজ খিলগাঁও ও মুগদা থানার দুই হত্যাচেষ্টা মামলায় ব্যারিস্টার সুমনের জামিন এনসিপি নেতাদের ওপর হামলা ও পুলিশি বাধার নিন্দা ১১ দলীয় ঐক্যের কুষ্টিয়ায় পুনর্বাসন ছাড়া রেলওয়ের উচ্ছেদ অভিযানে বিএনপির বিক্ষোভ রাবিতে শিক্ষার্থী নির্যাতনের ঘটনায় শাস্তির দাবিতে শিক্ষকদের স্মারকলিপি

মোহাম্মদপুরে মা-মেয়ে হত্যার ঘটনায় সেই গৃহকর্মী গ্রেফতার

ফখরুল আলম সাজু ক্রাইম রিপোর্টার:
  • আপডেট সময় : ১১:২৩:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৫ ১৪১ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

ফখরুল আলম সাজু
ক্রাইম রিপোর্টার:

রাজধানী ঢাকা মোহাম্মদপুরে মা ও মেয়ে হত্যার ঘটনায় মূল আসামি আয়েশাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ, ঝালকাঠি এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পুলিশ।

মোহাম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেজবাহ উদ্দিন গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, রাজধানীর ঢাকা মোহাম্মদপুরে জোড়াখুনের ঘটনায় জড়িত গৃহকর্মী আয়েশাকে ঝালকাঠি থেকে গ্রেফতার করেছে মোহাম্মদপুর থানা পুলিশ।

৮ ডিসেম্বর সোমবার কথিত গৃহকর্মী আয়েশা, মা লায়লা ফিরোজ (৪৮) ও মেয়ে নাফিসা লাওয়াল বিনতে আজিজকে (১৫) হত্যা করে পালিয়ে যান।

জোড়া হত্যার ঘটনায় সোমবার রাতে গৃহকর্মী আয়েশাকে একমাত্র আসামি করে মোহাম্মদপুর থানায় হত্যা মামলা করেন নিহত লায়লা আফরোজের স্বামী স্কুলশিক্ষক আজম আজিজুল ইসলাম।

মামলার এজাহারে বলা হয়, সোমবার সকাল ৭টার দিকে তিনি উত্তরায় স্কুলে চলে যান, সেখানে থাকা অবস্থায় স্ত্রীর মোবাইলে একাধিকবার ফোন দিয়ে যোগাযোগের চেষ্টা করে ব্যর্থ হন।

পরে তিনি বাসায় ফিরে স্ত্রী ও মেয়ের রক্তে ভেজা লাশ দেখেন, ভবনের সিসিটিভি ফুটেজ অনুযায়ী, আয়েশা সকাল ৭টা ৫১ মিনিটে কাজ করার জন্য বাসায় আসেন এবং সকাল ৯টা ৩৫ মিনিটে নাফিসার স্কুলড্রেস পরে বাসা থেকে পালিয়ে যান।

যাওয়ার সময় একটি মোবাইল ফোন, একটি ল্যাপটপ, স্বর্ণালংকার, নগদ টাকাসহ মূল্যবান জিনিস নিয়ে পালিয়ে যান।

সূত্রে থেকে জানা যায়, লায়লা আফরোজের শরীরে প্রায় ৩০টি ছুরিকাঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

তার মেয়ে নাফিসার শরীরে ৪টি ছুরিকাঘাতের চিহ্ন রয়েছে, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ মর্গে লায়লা ও তার মেয়ের মরদেহের ময়নাতদন্ত শেষে ৯ ডিসেম্বর মঙ্গলবার সকালে তাদের গ্রামের বাড়ি নাটোর পৌরসভার দক্ষিণ বড়গাছায় নেওয়া হয়।

জোহরের নামাজের পর জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাদের মরদেহ দাফন করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

মোহাম্মদপুরে মা-মেয়ে হত্যার ঘটনায় সেই গৃহকর্মী গ্রেফতার

আপডেট সময় : ১১:২৩:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৫
print news

ফখরুল আলম সাজু
ক্রাইম রিপোর্টার:

রাজধানী ঢাকা মোহাম্মদপুরে মা ও মেয়ে হত্যার ঘটনায় মূল আসামি আয়েশাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ, ঝালকাঠি এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পুলিশ।

মোহাম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেজবাহ উদ্দিন গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, রাজধানীর ঢাকা মোহাম্মদপুরে জোড়াখুনের ঘটনায় জড়িত গৃহকর্মী আয়েশাকে ঝালকাঠি থেকে গ্রেফতার করেছে মোহাম্মদপুর থানা পুলিশ।

৮ ডিসেম্বর সোমবার কথিত গৃহকর্মী আয়েশা, মা লায়লা ফিরোজ (৪৮) ও মেয়ে নাফিসা লাওয়াল বিনতে আজিজকে (১৫) হত্যা করে পালিয়ে যান।

জোড়া হত্যার ঘটনায় সোমবার রাতে গৃহকর্মী আয়েশাকে একমাত্র আসামি করে মোহাম্মদপুর থানায় হত্যা মামলা করেন নিহত লায়লা আফরোজের স্বামী স্কুলশিক্ষক আজম আজিজুল ইসলাম।

মামলার এজাহারে বলা হয়, সোমবার সকাল ৭টার দিকে তিনি উত্তরায় স্কুলে চলে যান, সেখানে থাকা অবস্থায় স্ত্রীর মোবাইলে একাধিকবার ফোন দিয়ে যোগাযোগের চেষ্টা করে ব্যর্থ হন।

পরে তিনি বাসায় ফিরে স্ত্রী ও মেয়ের রক্তে ভেজা লাশ দেখেন, ভবনের সিসিটিভি ফুটেজ অনুযায়ী, আয়েশা সকাল ৭টা ৫১ মিনিটে কাজ করার জন্য বাসায় আসেন এবং সকাল ৯টা ৩৫ মিনিটে নাফিসার স্কুলড্রেস পরে বাসা থেকে পালিয়ে যান।

যাওয়ার সময় একটি মোবাইল ফোন, একটি ল্যাপটপ, স্বর্ণালংকার, নগদ টাকাসহ মূল্যবান জিনিস নিয়ে পালিয়ে যান।

সূত্রে থেকে জানা যায়, লায়লা আফরোজের শরীরে প্রায় ৩০টি ছুরিকাঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

তার মেয়ে নাফিসার শরীরে ৪টি ছুরিকাঘাতের চিহ্ন রয়েছে, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ মর্গে লায়লা ও তার মেয়ের মরদেহের ময়নাতদন্ত শেষে ৯ ডিসেম্বর মঙ্গলবার সকালে তাদের গ্রামের বাড়ি নাটোর পৌরসভার দক্ষিণ বড়গাছায় নেওয়া হয়।

জোহরের নামাজের পর জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাদের মরদেহ দাফন করা হয়।