ঢাকা ০৪:১৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬, ২১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার রায়পুরে সাহাবীর হত্যা মামলায় বাবা-ছেলে কারাগারে নারায়ণগঞ্জে জুলাই বিপ্লব বার্ষিকীর মাসব্যাপী কর্মসূচি উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলন ও কর্মসূচি ঘোষণা। মোঃ ইসমাইল হোসেন, ছাগলনাইয়াতে ট্রাক্টর ও সিএনজির সংঘর্ষে নিহত-১ ঢাকার ১৯ গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে এআই ক্যামেরা চালু, দেড় হাজার মামলা রেকর্ড সোনাগাজীতে ময়লার স্তূপে কারণে অতিষ্ঠ জনজীবন মানুষের মধ্যে ক্ষোভ ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই খুনি গ্রেফতার, রক্তমাখা ছুরি উদ্ধার চিলমারীতে ব্রহ্মপুত্রে বিলীন ২৫ বসতঘর, আতঙ্কে তীরবর্তী মানুষ রংপুরে ডিবি’র অভিযানে ৩ কেজি গাঁজা উদ্ধার, মাদক কারবারি আটক-১ লালমনিরহাটে ভারত গজলডোবা ব্যারাজের ৪০টি গেট খুলে দেওয়ায় বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি কুমিল্লায় স্কুল ছাত্র গুলিবিদ্ধের ঘটনায় বিদেশি পিস্তল ও গুলি সহ গ্রেফতার-৪

বিনা উদ্ভাবিত উচ্চ ফলনশীল ও স্বল্প জীবনকালীন জাত বিনাধান-১৭ এর মাঠ দিবসের আলোচনা অনুষ্ঠিত

স্টাফ রিপোর্টার রংপুর:
  • আপডেট সময় : ১০:১২:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৫ ১৮৬ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

স্টাফ রিপোর্টার রংপুর:

আজ (২৭ অক্টোবর) সোমবার
দুপুরে রংপুর জেলার মিঠাপুকুর উপজেলার বালারহাটে বিনা উদ্ভাবিত উচ্চ ফলনশীল ও স্বল্প জীবনকালীন জাত বিনাধান-১৭ এর মাঠ দিবসের আলোচনায় মাত্র ১০৫ থেকে ১১০ দিনের মধ্যে ধান কাটা যায় এবং পানি ও সার কম লাগার কারণে বিনাধান চাষে ব্যয় কম হয়। এ কারণেই স্বল্প সময়ে ভালো ফলনের জন্য বিনাধান-৭ চাষে চাষিদের আগ্রহ বেড়েছে বলে জানিয়েছেন বিনা, রংপুরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. রফিকুল ইসলাম আলোচনায় তিনি এ তথ্য দেন।

বিনা, রংপুরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. রফিকুল ইসলাম বলেন, বিনাধান-৭ স্বল্প সময়ে উৎপাদন সম্পন্ন হওয়ার কারণে পরবর্তীতে ওই জমিতে আলু কিংবা সরিষা করে আবারও ঠিক সময়ে বোরো ধান চাষ করা যায়। তাছাড়া বিনাধান-৭ চাষে পানি কম লাগে এবং সারও কম লাগে। যার ফলে ধান উৎপাদনে চাষিদের ব্যয় কমে। এছাড়াও বিনাধান-১১ বন্যা সহনশীল এবং অধিক ফলনশীল। ২৫ দিন পর্যন্ত পানিতে নিমজ্জিত থাকলেও এই ধানের কোনো ক্ষতি হবে না।

তিনি আরও বলেন, বিনাধান-৭ ও বিনার অন্যান্য জাতের গড় ফলন হেক্টর প্রতি ৫ টন থেকে সাড়ে ৭ টন পর্যন্ত হয়ে থাকে। এছাড়াও অন্যান্য জাতের ধানের চেয়ে বিনাধানে পোকামাকড়ের আক্রমণ কম হয়।

বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিনা) উপকেন্দ্র, রংপুরের আয়োজনে অনুষ্ঠিত মাঠ দিবসে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন রংপুর অঞ্চলের আঞ্চলিক বীজ প্রত্যয়ন অফিসার ড. পলাশ সরকার, বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বিনা, রংপুরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. রফিকুল ইসলাম, বিনার গবেষণা কার্যক্রম শক্তিশালীকরণ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ও প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো: মাহবুবুল আলম তরফদার, উপ-পরিচালক ও প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোহাম্মদ আশিকুর রহমান। সভাপতিত্ব করেন মিঠাপুকুর উপজেলা কৃষি অফিসার মো: লোকমান হেকিম। মাঠ দিবসে অত্র এলাকার কৃষকরা সহ
সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

বিনা উদ্ভাবিত উচ্চ ফলনশীল ও স্বল্প জীবনকালীন জাত বিনাধান-১৭ এর মাঠ দিবসের আলোচনা অনুষ্ঠিত

আপডেট সময় : ১০:১২:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৫
print news

স্টাফ রিপোর্টার রংপুর:

আজ (২৭ অক্টোবর) সোমবার
দুপুরে রংপুর জেলার মিঠাপুকুর উপজেলার বালারহাটে বিনা উদ্ভাবিত উচ্চ ফলনশীল ও স্বল্প জীবনকালীন জাত বিনাধান-১৭ এর মাঠ দিবসের আলোচনায় মাত্র ১০৫ থেকে ১১০ দিনের মধ্যে ধান কাটা যায় এবং পানি ও সার কম লাগার কারণে বিনাধান চাষে ব্যয় কম হয়। এ কারণেই স্বল্প সময়ে ভালো ফলনের জন্য বিনাধান-৭ চাষে চাষিদের আগ্রহ বেড়েছে বলে জানিয়েছেন বিনা, রংপুরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. রফিকুল ইসলাম আলোচনায় তিনি এ তথ্য দেন।

বিনা, রংপুরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. রফিকুল ইসলাম বলেন, বিনাধান-৭ স্বল্প সময়ে উৎপাদন সম্পন্ন হওয়ার কারণে পরবর্তীতে ওই জমিতে আলু কিংবা সরিষা করে আবারও ঠিক সময়ে বোরো ধান চাষ করা যায়। তাছাড়া বিনাধান-৭ চাষে পানি কম লাগে এবং সারও কম লাগে। যার ফলে ধান উৎপাদনে চাষিদের ব্যয় কমে। এছাড়াও বিনাধান-১১ বন্যা সহনশীল এবং অধিক ফলনশীল। ২৫ দিন পর্যন্ত পানিতে নিমজ্জিত থাকলেও এই ধানের কোনো ক্ষতি হবে না।

তিনি আরও বলেন, বিনাধান-৭ ও বিনার অন্যান্য জাতের গড় ফলন হেক্টর প্রতি ৫ টন থেকে সাড়ে ৭ টন পর্যন্ত হয়ে থাকে। এছাড়াও অন্যান্য জাতের ধানের চেয়ে বিনাধানে পোকামাকড়ের আক্রমণ কম হয়।

বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিনা) উপকেন্দ্র, রংপুরের আয়োজনে অনুষ্ঠিত মাঠ দিবসে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন রংপুর অঞ্চলের আঞ্চলিক বীজ প্রত্যয়ন অফিসার ড. পলাশ সরকার, বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বিনা, রংপুরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. রফিকুল ইসলাম, বিনার গবেষণা কার্যক্রম শক্তিশালীকরণ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ও প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো: মাহবুবুল আলম তরফদার, উপ-পরিচালক ও প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোহাম্মদ আশিকুর রহমান। সভাপতিত্ব করেন মিঠাপুকুর উপজেলা কৃষি অফিসার মো: লোকমান হেকিম। মাঠ দিবসে অত্র এলাকার কৃষকরা সহ
সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।