ঢাকা ০৬:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পরীক্ষার আগের দিনও প্রবেশপত্র পায়নি ২৯ পরীক্ষার্থী প্রতিবাদে মহাসড়ক অবরোধ রূপগঞ্জে জমি বিরোধে বিধবার দোকানে ভাঙচুর, ৭টিতে তালা দেওয়ার অভিযোগ অনলাইন জুয়ায় টাকা হারিয়ে যুবকের আত্মহত্যা নোয়াখালী-লক্ষ্মীপুরে তেলের সংকট ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও মিলছে না জ্বালানি পরশুরামে স্কুল শিক্ষার্থী বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটে মৃত্যু নওগাঁয় খাবারের প্রলোভনে শিশুকে ধর্ষণ রূপগঞ্জে ব্যবসায়ীর বাড়িতে হামলা, আহত ৪, লুট ১২ লক্ষাধিক টাকার মালামাল জ্বালানি তেলের দাম বাড়লেও বাড়েনি গণপরিবহনের ভাড়া সুনামগঞ্জের বিদ্যুতের মেরামত করতে গিয়ে কৃষকের মৃত্যু নেত্রকোনায় স্ত্রীর হাত-পায়ের রগ কেটে দেয়ার অভিযোগে স্বামী আটক

মুগদা হাসপাতালে দালাল চক্রের কাছে রুগীরা হয়রানি শিকার

ফখরুল আলম সাজু ক্রাইম রিপোর্টারঃ
  • আপডেট সময় : ১২:০৬:১২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ অক্টোবর ২০২৫ ১১৯ বার পড়া হয়েছে

মুগদা হাসপাতালে দালাল চক্রের কাছে রুগীরা হয়রানি শিকার

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

ফখরুল আলম সাজু
ক্রাইম রিপোর্টার:

রাজধানী ঢাকা মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রতিদিন দালালের খপ্পরে পড়ে হয়রানিশিকার হয় শতশত রুগী।

মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ঢাকা মধ্যে ৪র্থ স্থান রয়েছে, মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রতিদিন হাজার হাজার রুগী ভর্তি থেকে শুরু করে আউটডোর ইনডোর ডাক্তার দেখান।

মুগদা হাসপাতালে আউটডোর ইনডোর রুগী এবং ভর্তির রুগী প্রতিদিন দালালের খপ্পরে পড়ে প্রতারিত ও প্রতারণার শিকার হচ্ছেন, মুগদা হাসপাতালে আসে-পাশে রয়েছে অসংখ্য প্রাইভেট ডায়াগনস্টিক সেন্টার।

ডায়াগনস্টিক সেন্টার মালিক ও কর্মচারীরা মুগদা হাসপাতালে ভিতরে প্রবেশ করে রুগীদের সবসময় হয়রানি করে থাকেন, মুগদা হাসপাতালের ডাক্তার যদি রুগীদের কোন টেষ্ট দেন তাহলে ঐ রুগীকে দালাল চক্র বিভিন্ন কৌশলে রুগীদের টেষ্টের জন্য কৌশল অবলম্বন করে তাদের ডায়াগনস্টিক নিয়ে যাওয়া হয়, ডায়াগনস্টিক সেন্টার টেষ্ট করতে গেলে গুনতে হয় মোটা অংকের টাকা, এর মাঝে সরকার হাসপাতালে বেশীর ভাগ রুগী আসেন গরীব অসহায় ও মধ্যবিত্ত পরিবারেরা তাদের কাছে প্রাইভেট ডায়াগনস্টিক সেন্টার টেষ্ট করার মত টাকা পয়সা থাকেন না।

মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দৈনিক দেশের আয়না ও দৈনিক একুশে সংবাদ টিম সরজমিন গিয়ে দেখে যে, মেডিকাস ডায়াগনস্টিক এন্ড কনসাল্টেশন সেন্টার কর্মকর্তা শারমিন আক্তার নিশি মুগদা হাসপাতালে প্রবেশ করে রুগীদের হাত থেকে প্রেসক্রিপশন পেপার নিয়ে টানা হ্যাচরা করে টেষ্টের জন্য এবং কৌশল অবলম্বন করছেন।

মেডিকাস ডায়াগনস্টিক এন্ড কনসাল্টেশন সেন্টার কর্মকর্তা শারমিন আক্তার নিশি রুগীদের জানাচ্ছেন সরকারী থেকে মেডিকাস ডায়াগনস্টিক এন্ড কনসাল্টেশন সেন্টার টেষ্ট ভাল হয়, এবং একজন রুগী ছিলেন দৈনিক একুশে সংবাদ এর স্টাফ রিপোর্টার, মেডিকাস ডায়াগনস্টিক এন্ড কনসাল্টেশন সেন্টার কর্মকর্তা শারমিন আক্তার নিশি সাংবাদিক দের উপস্থিত টের পেয়ে সেখান থেকে সরে যান।

স্থানীয় হাসপাতালে রুগীরা ও তার স্বজনরা জানান, তারা মুগদা হাসপাতালে ডাক্তার দেখাতে আসলে বা হাসপাতালে ভর্তি রুগীদের নিয়ে এইভাবে দালাল চক্রের হয়রানিশিকার হন।

তাদেরকে বিভিন্ন কৌশলে ভুলিয়ে-ভালিয়ে প্রাইভেট ডায়াগনস্টিক সেন্টার নিয়ে যান টেষ্ট করার জন্য। বলেন দাম কম রাখবে বলে নিয়ে যাওয়া হয় অথচ টেষ্ট করার পর তাদের দিতে মোট অংকের টাকা যেটা সরকারি হাসপাতালে তুলনা অনেক বেশী এতে করে রুগী ও রুগীর পরিবার বেশী ভাগে হয়রানি শিকান হন।

মেডিকাস ডায়াগনস্টিক এন্ড কনসাল্টেশন সেন্টার চেয়ারম্যান মোঃ মাহাতাব হোসেন সাথে সাংবাদিকরা মুঠোফোনে যোগাযোগ করতে চাইলে যোগাযোগ করতে ব্যর্থ হয়, পরে মেডিকাস ডায়াগনস্টিক এন্ড কনসাল্টেশন সেন্টার এমডি রেজাউল করিম সাথে মুঠোফোনে কথা বললে তিনি বলেন, তাদের লোক হাসপাতালে থাকতে পারে এটা কমন বেপার এটা তাদের ব্যবসা এটা নিয়ে সাংবাদিক কোন প্রকার মাথা না দেন এটা সাংবাদিক দের কাজ নয় এবং তার সাথে রাজনৈতিক প্রভাব খাঠান এই বলে ফোনটা কেটে দেন।

মুগদা হাসপাতালে পরিচালক ডাঃ মেজবাউর রহমান সাংবাদিকদের জানান, কিছু দিন আগে মুগদা হাসপাতালে ম্যাজিস্ট্রেট ও যৌথ বাহিনীর অভিযান করে ডায়াগনস্টিক সেন্টার কিছু দালালা চক্রকে গ্রেফতার করেন, পরিচালক আরো জানান ডায়াগনস্টিক সেন্টার কিছু দালালদের জন্য রুগীরা বিভিন্ন ধরনের হয়রানি শিকার হয়, এই দালাল চক্রকে মুগদা হাসপাতালের আনসার বাহিনী কোন প্রকার বাধা দিতে গেলে দালাল চক্র বা ডায়াগনস্টিক সেন্টার কর্মকর্তা যারা আছেন তারা উল্টো আনসার বাহিনীকে হুমকি দিয়ে থাকেন তাই আনসার বাহিনী ভয়ে ডায়াগনস্টিক সেন্টার দালাল চক্রকে কিছুই বলার সাহস পায়না, পরিচালক বলেন আমরা ও চাই ডায়াগনস্টিক সেন্টার যারা দালাল চক্র রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হক যাতে করে হাসপাতালের রুগীদের কোন প্রকার হয়রানিশিকার না হতে হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

মুগদা হাসপাতালে দালাল চক্রের কাছে রুগীরা হয়রানি শিকার

আপডেট সময় : ১২:০৬:১২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ অক্টোবর ২০২৫
print news

ফখরুল আলম সাজু
ক্রাইম রিপোর্টার:

রাজধানী ঢাকা মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রতিদিন দালালের খপ্পরে পড়ে হয়রানিশিকার হয় শতশত রুগী।

মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ঢাকা মধ্যে ৪র্থ স্থান রয়েছে, মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রতিদিন হাজার হাজার রুগী ভর্তি থেকে শুরু করে আউটডোর ইনডোর ডাক্তার দেখান।

মুগদা হাসপাতালে আউটডোর ইনডোর রুগী এবং ভর্তির রুগী প্রতিদিন দালালের খপ্পরে পড়ে প্রতারিত ও প্রতারণার শিকার হচ্ছেন, মুগদা হাসপাতালে আসে-পাশে রয়েছে অসংখ্য প্রাইভেট ডায়াগনস্টিক সেন্টার।

ডায়াগনস্টিক সেন্টার মালিক ও কর্মচারীরা মুগদা হাসপাতালে ভিতরে প্রবেশ করে রুগীদের সবসময় হয়রানি করে থাকেন, মুগদা হাসপাতালের ডাক্তার যদি রুগীদের কোন টেষ্ট দেন তাহলে ঐ রুগীকে দালাল চক্র বিভিন্ন কৌশলে রুগীদের টেষ্টের জন্য কৌশল অবলম্বন করে তাদের ডায়াগনস্টিক নিয়ে যাওয়া হয়, ডায়াগনস্টিক সেন্টার টেষ্ট করতে গেলে গুনতে হয় মোটা অংকের টাকা, এর মাঝে সরকার হাসপাতালে বেশীর ভাগ রুগী আসেন গরীব অসহায় ও মধ্যবিত্ত পরিবারেরা তাদের কাছে প্রাইভেট ডায়াগনস্টিক সেন্টার টেষ্ট করার মত টাকা পয়সা থাকেন না।

মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দৈনিক দেশের আয়না ও দৈনিক একুশে সংবাদ টিম সরজমিন গিয়ে দেখে যে, মেডিকাস ডায়াগনস্টিক এন্ড কনসাল্টেশন সেন্টার কর্মকর্তা শারমিন আক্তার নিশি মুগদা হাসপাতালে প্রবেশ করে রুগীদের হাত থেকে প্রেসক্রিপশন পেপার নিয়ে টানা হ্যাচরা করে টেষ্টের জন্য এবং কৌশল অবলম্বন করছেন।

মেডিকাস ডায়াগনস্টিক এন্ড কনসাল্টেশন সেন্টার কর্মকর্তা শারমিন আক্তার নিশি রুগীদের জানাচ্ছেন সরকারী থেকে মেডিকাস ডায়াগনস্টিক এন্ড কনসাল্টেশন সেন্টার টেষ্ট ভাল হয়, এবং একজন রুগী ছিলেন দৈনিক একুশে সংবাদ এর স্টাফ রিপোর্টার, মেডিকাস ডায়াগনস্টিক এন্ড কনসাল্টেশন সেন্টার কর্মকর্তা শারমিন আক্তার নিশি সাংবাদিক দের উপস্থিত টের পেয়ে সেখান থেকে সরে যান।

স্থানীয় হাসপাতালে রুগীরা ও তার স্বজনরা জানান, তারা মুগদা হাসপাতালে ডাক্তার দেখাতে আসলে বা হাসপাতালে ভর্তি রুগীদের নিয়ে এইভাবে দালাল চক্রের হয়রানিশিকার হন।

তাদেরকে বিভিন্ন কৌশলে ভুলিয়ে-ভালিয়ে প্রাইভেট ডায়াগনস্টিক সেন্টার নিয়ে যান টেষ্ট করার জন্য। বলেন দাম কম রাখবে বলে নিয়ে যাওয়া হয় অথচ টেষ্ট করার পর তাদের দিতে মোট অংকের টাকা যেটা সরকারি হাসপাতালে তুলনা অনেক বেশী এতে করে রুগী ও রুগীর পরিবার বেশী ভাগে হয়রানি শিকান হন।

মেডিকাস ডায়াগনস্টিক এন্ড কনসাল্টেশন সেন্টার চেয়ারম্যান মোঃ মাহাতাব হোসেন সাথে সাংবাদিকরা মুঠোফোনে যোগাযোগ করতে চাইলে যোগাযোগ করতে ব্যর্থ হয়, পরে মেডিকাস ডায়াগনস্টিক এন্ড কনসাল্টেশন সেন্টার এমডি রেজাউল করিম সাথে মুঠোফোনে কথা বললে তিনি বলেন, তাদের লোক হাসপাতালে থাকতে পারে এটা কমন বেপার এটা তাদের ব্যবসা এটা নিয়ে সাংবাদিক কোন প্রকার মাথা না দেন এটা সাংবাদিক দের কাজ নয় এবং তার সাথে রাজনৈতিক প্রভাব খাঠান এই বলে ফোনটা কেটে দেন।

মুগদা হাসপাতালে পরিচালক ডাঃ মেজবাউর রহমান সাংবাদিকদের জানান, কিছু দিন আগে মুগদা হাসপাতালে ম্যাজিস্ট্রেট ও যৌথ বাহিনীর অভিযান করে ডায়াগনস্টিক সেন্টার কিছু দালালা চক্রকে গ্রেফতার করেন, পরিচালক আরো জানান ডায়াগনস্টিক সেন্টার কিছু দালালদের জন্য রুগীরা বিভিন্ন ধরনের হয়রানি শিকার হয়, এই দালাল চক্রকে মুগদা হাসপাতালের আনসার বাহিনী কোন প্রকার বাধা দিতে গেলে দালাল চক্র বা ডায়াগনস্টিক সেন্টার কর্মকর্তা যারা আছেন তারা উল্টো আনসার বাহিনীকে হুমকি দিয়ে থাকেন তাই আনসার বাহিনী ভয়ে ডায়াগনস্টিক সেন্টার দালাল চক্রকে কিছুই বলার সাহস পায়না, পরিচালক বলেন আমরা ও চাই ডায়াগনস্টিক সেন্টার যারা দালাল চক্র রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হক যাতে করে হাসপাতালের রুগীদের কোন প্রকার হয়রানিশিকার না হতে হয়।