ঢাকা ০৭:৫১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পাঁচ ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা করল ইসি বাংলাদেশ-আফগানিস্তান টেস্টের সঙ্গে থাকছে চ্যাম্পিয়নস লিগের জমজমাট লড়াই ঢাকা-দিল্লি বাণিজ্য আলোচনা: অমীমাংসিত রয়ে গেল পুরনো সব বাধা শরীয়তপুরে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ শিকার, ১৫ জেলে আটক অভিনেত্রী নাসিমা খান আর নেই: ‘বড় বোনকে হারালাম’ সুচন্দা সৌদিতে মৃত হানিফের মরদেহ ফেরাতে মায়ের আকুতি: ‘মোর মানিকেরে কোলে দাও’ সাবেক সেনাপ্রধান আজিজের সঙ্গে যোগাযোগ, ৪ দিনের রিমান্ডে দুই সাবেক সেনা কর্মকর্তা ডেঙ্গুতে ৩০০ মৃত্যু: প্রশাসনিক ব্যর্থতা নাকি সুশাসনের ঘাটতি, প্রশ্ন আইনজীবীর সুনামগঞ্জে এমপির ডিও লেটারে সার ডিলার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ সৌদি আরব কেন হুতিদের সামরিকভাবে পরাজিত করতে পারছে না

দুর্ভোগের আরেক নাম কলিমাখালী ফাজিল মাদ্রাসা

আরিফ হোসেন রনি, সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০৭:৫৮:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ৩৩৩ বার পড়া হয়েছে

দুর্ভোগের আরেক নাম কলিমাখালী ফাজিল মাদ্রাসা

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি




আরিফ হোসেন রনি, সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি:-

সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনি উপজেলার ৭নং শ্রীউলা ইউনিয়নের অন্তর্গত কলিমাখালী আজিজিয়া সিদ্দিকিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসা ১৯৬৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়ে দীর্ঘদিন ধরে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের এক গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। গুণগত মান ও শিক্ষার্থীদের সাফল্যের দিক থেকে এই মাদ্রাসা ইতোমধ্যে অত্র অঞ্চলে ব্যাপক সুনাম অর্জন করেছে।

প্রতিষ্ঠার পর থেকে আজ পর্যন্ত হাজারো দরিদ্র ও অসহায় শিক্ষার্থী এখান থেকে লেখাপড়া করে সমাজে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন। অনেকেই হয়েছেন শিক্ষক, অধ্যাপক, আলেম, সচিব ও সরকারি কর্মকর্তা। শিক্ষাক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ২০১৭ সালে প্রতিষ্ঠানটি সাতক্ষীরা জেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্বাচিত হয় এবং মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে পুরস্কারস্বরূপ ১ লক্ষ টাকা লাভ করে। বর্তমানে দাখিল, আলেম ও ফাজিল শাখায় প্রায় ৬০০ শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত, যেখানে পাশের হার প্রতি বছর প্রায় শতভাগ।

তবে শিক্ষার এ উজ্জ্বল ইতিহাসের পেছনে রয়েছে অব্যবস্থাপনা ও অবহেলার দীর্ঘ ছাপ। মাদ্রাসার প্রধান মাঠটি নিচু হওয়ায় অল্প বৃষ্টিতেই পানিতে তলিয়ে যায়। এর ফলে শিক্ষার্থীরা খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম থেকে বঞ্চিত হয়। পাশাপাশি চারপাশে কোনো বাউন্ডারি না থাকায় শিক্ষার্থীরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। এ অবস্থায় অভিভাবক ও এলাকাবাসী দীর্ঘদিন ধরে মাঠ ভরাট ও বাউন্ডারি প্রাচীর নির্মাণের দাবি জানিয়ে আসছেন।

এলাকাবাসীর ভাষ্যমতে, দ্রুত এ সমস্যার সমাধান না হলে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ও নিরাপত্তা দুটোই বিঘ্নিত হতে পারে। তারা জানান, যেহেতু জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মাদ্রাসাটির গভর্নিং বডির সভাপতি, তাই এরই মধ্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও জেলা পরিষদের বরাবর আবেদন করা হয়েছে।

তাদের প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ অচিরেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করলে কলিমাখালী ফাজিল মাদ্রাসা কেবল একটি ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান হিসেবেই নয়, বরং একটি আকর্ষণীয় মডেল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবেও প্রতিষ্ঠিত হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

দুর্ভোগের আরেক নাম কলিমাখালী ফাজিল মাদ্রাসা

আপডেট সময় : ০৭:৫৮:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

আরিফ হোসেন রনি, সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি:-

সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনি উপজেলার ৭নং শ্রীউলা ইউনিয়নের অন্তর্গত কলিমাখালী আজিজিয়া সিদ্দিকিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসা ১৯৬৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়ে দীর্ঘদিন ধরে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের এক গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। গুণগত মান ও শিক্ষার্থীদের সাফল্যের দিক থেকে এই মাদ্রাসা ইতোমধ্যে অত্র অঞ্চলে ব্যাপক সুনাম অর্জন করেছে।

প্রতিষ্ঠার পর থেকে আজ পর্যন্ত হাজারো দরিদ্র ও অসহায় শিক্ষার্থী এখান থেকে লেখাপড়া করে সমাজে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন। অনেকেই হয়েছেন শিক্ষক, অধ্যাপক, আলেম, সচিব ও সরকারি কর্মকর্তা। শিক্ষাক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ২০১৭ সালে প্রতিষ্ঠানটি সাতক্ষীরা জেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্বাচিত হয় এবং মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে পুরস্কারস্বরূপ ১ লক্ষ টাকা লাভ করে। বর্তমানে দাখিল, আলেম ও ফাজিল শাখায় প্রায় ৬০০ শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত, যেখানে পাশের হার প্রতি বছর প্রায় শতভাগ।

তবে শিক্ষার এ উজ্জ্বল ইতিহাসের পেছনে রয়েছে অব্যবস্থাপনা ও অবহেলার দীর্ঘ ছাপ। মাদ্রাসার প্রধান মাঠটি নিচু হওয়ায় অল্প বৃষ্টিতেই পানিতে তলিয়ে যায়। এর ফলে শিক্ষার্থীরা খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম থেকে বঞ্চিত হয়। পাশাপাশি চারপাশে কোনো বাউন্ডারি না থাকায় শিক্ষার্থীরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। এ অবস্থায় অভিভাবক ও এলাকাবাসী দীর্ঘদিন ধরে মাঠ ভরাট ও বাউন্ডারি প্রাচীর নির্মাণের দাবি জানিয়ে আসছেন।

এলাকাবাসীর ভাষ্যমতে, দ্রুত এ সমস্যার সমাধান না হলে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ও নিরাপত্তা দুটোই বিঘ্নিত হতে পারে। তারা জানান, যেহেতু জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মাদ্রাসাটির গভর্নিং বডির সভাপতি, তাই এরই মধ্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও জেলা পরিষদের বরাবর আবেদন করা হয়েছে।

তাদের প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ অচিরেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করলে কলিমাখালী ফাজিল মাদ্রাসা কেবল একটি ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান হিসেবেই নয়, বরং একটি আকর্ষণীয় মডেল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবেও প্রতিষ্ঠিত হবে।