হাসান মাহমুদের রেকর্ড হ্যাটট্রিকে ১০৬ রানের লিড পেল বাংলাদেশ
- আপডেট সময় : ০৪:২৩:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে

মরুশহরের শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে টেস্ট ম্যাচের দ্বিতীয় দিন শেষে আফগানদের ঝুলিতে যে স্বস্তি ছিল, রবিবার ম্যাচের তৃতীয় দিন সকালে তা রূপ নেয় চরম বিপর্যয়ে। টাইটানিক রূপকথার মতো পেস আক্রমণের গল্প লিখে আফগানিস্তানকে প্রথম ইনিংসে ২৪০ রানে গুটিয়ে দিয়েছেন বাংলাদেশের বোলাররা। এতে প্রথম ইনিংস শেষে ১০৬ রানের গুরুত্বপূর্ণ লিড হাতে পেয়েছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল।
দিনের খেলা শুরু হতেই মরুর বুকে পেস বোলিংয়ের ঝড় তোলেন বাংলাদেশের বোলাররা। ম্যাচের দ্বিতীয় ইনিংসে দিনের প্রথম সফলতা এনে দেন এবাদত হোসেন। দলীয় ২১৯ রানের মাথায় সেট ব্যাটার ইকরাম আলিখিলকে (৩২) বোল্ড করে আফগানদের প্রতিরোধ ভেঙে দেন তিনি। ইনিংসে ৫৬ রান খরচায় ৩টি উইকেট নেন এই পেসার। তবে সকালের মূল আকর্ষণ তুলে রেখেছিলেন তরুণ পেসার হাসান মাহমুদ।
ইনিংসের ৮৩তম ওভারে এসে লাল বলের ক্রিকেটে নতুন ইতিহাস গড়ে বসেন হাসান। ওভারের টানা তিন বলে ইসমত আলম, কায়েস আহমেদ ও জিয়া-উর-রেহমানকে সাজঘরে ফিরিয়ে তুলে নেন ক্যারিয়ারের প্রথম টেস্ট হ্যাটট্রিক। টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে অলক কাপালী ও সোহাগ গাজীর পর তৃতীয় বাংলাদেশি এবং প্রথম স্পেশালিস্ট পেসার হিসেবে এই বিরল গৌরব অর্জন করেন তিনি।
ঐতিহাসিক হ্যাটট্রিকের পরও থামেনি হাসানের বোলিং তোপ। শেষ দিকে ইয়ামিন আহমাদজাইকে আউট করে পূর্ণ করেন নিজের প্রথম ফাইফার (পাঁচ উইকেট)। ২১ ওভার বোলিং করে মাত্র ৫৫ রান খরচায় ৫টি উইকেট শিকার করেন এই পেসার। তার এই রেকর্ড গড়া বোলিংয়ের মুখে আফগানদের ইনিংস দ্রুত গুটিয়ে যায়।
এক প্রান্তে একের পর এক উইকেট পড়লেও অপর প্রান্তে হাত খুলে খেলে নিজের ব্যক্তিগত শতক তুলে নেন আফগানিস্তানের ডানহাতি ব্যাটার রহমত শাহ। শেষ দিকে দ্রুত রান সংগ্রহের চেষ্টা চালিয়ে তিনি ১০৫ রানে অপরাজিত থাকেন। আফগানিস্তানের প্রথম ইনিংস শেষ হয় ৮৯.১ ওভারে ২৪০ রানে। এর আগে বাংলাদেশ নিজেদের প্রথম ইনিংসে ৯২.৩ ওভারে ৩৪৬ রান করেছিল। ফলে ১০৬ রানে এগিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নামবে বাংলাদেশ।
আফগানিস্তান ১ম ইনিংস: ২৪০/১০ (৮৯.১ ওভার) (রহমত শাহ ১০৫ রানে অপরাজিত, হাসান মাহমুদ ৫/৫৫, এবাদত ৩/৫৬)





























