ঢাকা ০৪:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এলপিজি ব্যবসায়ীরা ধর্মঘট করলে ১৯৫৬ সালের আইনে কঠোর ব্যবস্থা: জ্বালানিমন্ত্রী ভৈরবে ১৬ বছরের পুরনো জমি নিয়ে বিরোধ, প্রাণনাশের হুমকি হামের প্রকোপে ২৪ ঘণ্টায় সাত শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১২০০ টঙ্গীতে এসেনশিয়াল ড্রাগসের কারখানায় আগুন, নিয়ন্ত্রণে ২১ ইউনিট ভারতে ককরোচ পার্টির দুই নেতা পাঁচ দিনের জেল হেফাজতে ট্রাম্পকে ‘স্বামী’ সম্বোধন করে বিব্রত নতুন প্রেস সচিব কেটি জ্যাকারিয়া তারেক রহমান সরকারের মেয়াদের মাঝামাঝি: সম্ভাবনা ও নীতিগত অগ্রাধিকার তরুণ সমাজকে মাদকের হাত থেকে রক্ষার আহ্বান প্রেসিডেন্টের ২০২৭ সালের পাঠ্যবইয়ে স্বাধীনতার ঘোষণার বর্ণনায় আসছে পরিবর্তন ইউনূসকে হেনস্তা কেবল শুরু, মন্তব্য যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ নেতার

২০৩০ সাল থেকে কি ৬৪ দলের বিশ্বকাপ শুরু হবে?

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৬:৫০:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬ ৫১ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



বিশ্বকাপের দলসংখ্যা ৬৪-তে উন্নীত করার সম্ভাবনা নিয়ে পর্যালোচনা করা হবে বলে জানিয়েছেন ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। ২০২৬ সালের বিশ্বকাপ আসর শেষ হওয়ার পর এই বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনার পরিকল্পনা রয়েছে ফিফার। ইনফান্তিনোর মতে, বিশ্বকাপ কেবল নির্দিষ্ট অঞ্চলের জন্য সীমাবদ্ধ থাকা উচিত নয়; এটি বিশ্বের সব দেশের জন্য একটি স্বপ্নের মঞ্চ হওয়া প্রয়োজন। সুইজারল্যান্ডের সংবাদমাধ্যম ব্লু স্পোর্টকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, কেবল ইউরোপ বা দক্ষিণ আমেরিকার দৃষ্টিভঙ্গি থেকে বিশ্বকাপ আয়োজন বিবেচনা করা ঠিক হবে না। বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের ফুটবলের মান আগের চেয়ে উন্নত হয়েছে এবং ছোট দেশগুলোকে সুযোগ দিলে তা ফুটবলের বিকাশে প্রেরণা জোগাবে।

২০২৬ বিশ্বকাপে ৪৮টি দলের অংশগ্রহণকে অত্যন্ত সফল হিসেবে দেখছেন ইনফান্তিনো। তিনি উদাহরণ হিসেবে আফ্রিকার দলগুলোর পারফরম্যান্সের কথা উল্লেখ করেন। এবারের আসরে আফ্রিকার ১০টি দলের মধ্যে ৯টি দলই নকআউট পর্বে জায়গা করে নিয়েছে, যেখানে আগের বিশ্বকাপে এই মহাদেশ থেকে মাত্র ৫টি দল খেলার সুযোগ পেয়েছিল। উল্লেখ্য, ফিফা ২০১৭ সালে ৩২ থেকে বাড়িয়ে ৪৮ দল নিয়ে বিশ্বকাপ আয়োজনের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। পরবর্তীতে ২০২৫ সালের এপ্রিলে দক্ষিণ আমেরিকার ফুটবল নিয়ন্ত্রক সংস্থা কনমেবল ২০৩০ সাল থেকে ৬৪ দলের বিশ্বকাপ আয়োজনের প্রস্তাব দেয়, যদিও এ বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

২০৩০ সালের বিশ্বকাপের প্রধান আয়োজক হিসেবে থাকছে স্পেন, পর্তুগাল ও মরক্কো। এছাড়া বিশ্বকাপের শতবর্ষ উদযাপনের অংশ হিসেবে আর্জেন্টিনা, উরুগুয়ে ও প্যারাগুয়েতে উদ্বোধনী ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হবে। উরুগুয়ে ১৯৩০ সালে প্রথম বিশ্বকাপ আয়োজন করেছিল। এদিকে ৬৪ দলের বিশ্বকাপের ধারণার বিপক্ষেও মত রয়েছে। উয়েফা সভাপতি আলেক্সান্দার সেফেরিন এই প্রস্তাবকে ‘খারাপ ধারণা’ বলে অভিহিত করেছেন। এছাড়া এএফসি সভাপতি শেখ সালমান বিন ইব্রাহিম আল খলিফা ও কনকাকাফ সভাপতি ভিক্টর মন্টাগ্লিয়ানিও দল বাড়ালে প্রতিযোগিতার ভারসাম্য নষ্ট হওয়া ও কাঠামোগত নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্বকাপ টাস্কফোর্সের নির্বাহী পরিচালক অ্যান্ড্রু জুলিয়ানি জানিয়েছেন, ২০৩৮ বিশ্বকাপ আয়োজনে যুক্তরাষ্ট্র আগ্রহী হতে পারে এবং ৬৪ দলের আসর হলেও তা সফলভাবে আয়োজন সম্ভব। ফিফার বর্তমান অবস্থান হলো, সদস্য দেশগুলোর কাছ থেকে আসা যেকোনো প্রস্তাব গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করা হবে। তবে ৬৪ দলের বিশ্বকাপ চালুর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব ফিফা কাউন্সিলের ওপর ন্যস্ত রয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Jugantor

নিউজটি শেয়ার করুন

২০৩০ সাল থেকে কি ৬৪ দলের বিশ্বকাপ শুরু হবে?

আপডেট সময় : ০৬:৫০:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

বিশ্বকাপের দলসংখ্যা ৬৪-তে উন্নীত করার সম্ভাবনা নিয়ে পর্যালোচনা করা হবে বলে জানিয়েছেন ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। ২০২৬ সালের বিশ্বকাপ আসর শেষ হওয়ার পর এই বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনার পরিকল্পনা রয়েছে ফিফার। ইনফান্তিনোর মতে, বিশ্বকাপ কেবল নির্দিষ্ট অঞ্চলের জন্য সীমাবদ্ধ থাকা উচিত নয়; এটি বিশ্বের সব দেশের জন্য একটি স্বপ্নের মঞ্চ হওয়া প্রয়োজন। সুইজারল্যান্ডের সংবাদমাধ্যম ব্লু স্পোর্টকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, কেবল ইউরোপ বা দক্ষিণ আমেরিকার দৃষ্টিভঙ্গি থেকে বিশ্বকাপ আয়োজন বিবেচনা করা ঠিক হবে না। বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের ফুটবলের মান আগের চেয়ে উন্নত হয়েছে এবং ছোট দেশগুলোকে সুযোগ দিলে তা ফুটবলের বিকাশে প্রেরণা জোগাবে।

২০২৬ বিশ্বকাপে ৪৮টি দলের অংশগ্রহণকে অত্যন্ত সফল হিসেবে দেখছেন ইনফান্তিনো। তিনি উদাহরণ হিসেবে আফ্রিকার দলগুলোর পারফরম্যান্সের কথা উল্লেখ করেন। এবারের আসরে আফ্রিকার ১০টি দলের মধ্যে ৯টি দলই নকআউট পর্বে জায়গা করে নিয়েছে, যেখানে আগের বিশ্বকাপে এই মহাদেশ থেকে মাত্র ৫টি দল খেলার সুযোগ পেয়েছিল। উল্লেখ্য, ফিফা ২০১৭ সালে ৩২ থেকে বাড়িয়ে ৪৮ দল নিয়ে বিশ্বকাপ আয়োজনের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। পরবর্তীতে ২০২৫ সালের এপ্রিলে দক্ষিণ আমেরিকার ফুটবল নিয়ন্ত্রক সংস্থা কনমেবল ২০৩০ সাল থেকে ৬৪ দলের বিশ্বকাপ আয়োজনের প্রস্তাব দেয়, যদিও এ বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

২০৩০ সালের বিশ্বকাপের প্রধান আয়োজক হিসেবে থাকছে স্পেন, পর্তুগাল ও মরক্কো। এছাড়া বিশ্বকাপের শতবর্ষ উদযাপনের অংশ হিসেবে আর্জেন্টিনা, উরুগুয়ে ও প্যারাগুয়েতে উদ্বোধনী ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হবে। উরুগুয়ে ১৯৩০ সালে প্রথম বিশ্বকাপ আয়োজন করেছিল। এদিকে ৬৪ দলের বিশ্বকাপের ধারণার বিপক্ষেও মত রয়েছে। উয়েফা সভাপতি আলেক্সান্দার সেফেরিন এই প্রস্তাবকে ‘খারাপ ধারণা’ বলে অভিহিত করেছেন। এছাড়া এএফসি সভাপতি শেখ সালমান বিন ইব্রাহিম আল খলিফা ও কনকাকাফ সভাপতি ভিক্টর মন্টাগ্লিয়ানিও দল বাড়ালে প্রতিযোগিতার ভারসাম্য নষ্ট হওয়া ও কাঠামোগত নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্বকাপ টাস্কফোর্সের নির্বাহী পরিচালক অ্যান্ড্রু জুলিয়ানি জানিয়েছেন, ২০৩৮ বিশ্বকাপ আয়োজনে যুক্তরাষ্ট্র আগ্রহী হতে পারে এবং ৬৪ দলের আসর হলেও তা সফলভাবে আয়োজন সম্ভব। ফিফার বর্তমান অবস্থান হলো, সদস্য দেশগুলোর কাছ থেকে আসা যেকোনো প্রস্তাব গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করা হবে। তবে ৬৪ দলের বিশ্বকাপ চালুর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব ফিফা কাউন্সিলের ওপর ন্যস্ত রয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Jugantor