সরকার ভালো কাজ করলে দলের ভাবমূর্তি বাড়বে: রুহুল কবির রিজভী
- আপডেট সময় : ০২:২১:১২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১০ বার পড়া হয়েছে

সরকার এবং দলের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি দাবি করেছেন, জনপ্রিয়তা বজায় রাখার মূল চাবিকাঠি হলো ভালো কাজ করা। সরকার যদি গঠনমূলক ও ভালো কাজ করে, তবে স্বাভাবিকভাবেই দলের ভাবমূর্তি বা ইমেজ বৃদ্ধি পাবে। এর ফলে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ দলে সম্পৃক্ত হতে আগ্রহী হবে।
মানবজমিনকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে রিজভী বলেন, সরকারে যারা আছেন তারা সবাই দলেরই লোক। প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং দলের চেয়ারম্যান, তাই দল ও সরকারের মধ্যে পার্থক্যের বিষয়টি অবান্তর। তিনি আরও বলেন, বর্তমানে দলের গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা ব্যক্তিদের অনেকেই সরকারি কার্যক্রমে যুক্ত। তবে যারা সরকারি কোনো দায়িত্ব গ্রহণ করেননি, তারা দলের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে মনোনিবেশ করবেন। যুগ্ম মহাসচিব, সাংগঠনিক সম্পাদক ও সহ-সাংগঠনিক সম্পাদকরা দলের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন, তাই সরকারের সঙ্গে দলীয় কার্যক্রমে কোনো বৈপরীত্য নেই।
বিএনপি’র বর্তমান সাংগঠনিক অবস্থাকে অত্যন্ত শক্তিশালী হিসেবে বর্ণনা করে রিজভী বলেন, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নির্বাচনে জয়ী দলই সরকার গঠন করে, আর যারা সরকার গঠন করেন তারা দলেরই অংশ। তিনি বলেন, দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বের গতিশীলতা এবং প্রতিশ্রুতি রক্ষার দৃষ্টান্ত দেখে মানুষ অনুপ্রাণিত হচ্ছে। এছাড়া অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িতদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়ায় জনগণের মাঝে ইতিবাচক ধারণা তৈরি হয়েছে।
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার সংগ্রামের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সংগঠন শক্তিশালী হয় যখন নেতাকর্মীরা তৃণমূল পর্যায়ে ড্রাইভ দেয় এবং ভালো মানুষদের দলে নিয়ে আসে। তিনি স্পষ্ট করেন যে, ফ্যাসিস্টদের ক্যাডারদের দলে জায়গা হবে না। দলের জাতীয় কাউন্সিল প্রসঙ্গে তিনি জানান, খুব দ্রুতই কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হবে এবং নেতাকর্মীরা এর জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
সরকারে দায়িত্ব না পাওয়া সিনিয়র নেতাদের বিষয়ে তিনি বলেন, কারো মনে ক্ষোভ থাকতে পারে, তবে যারা দলের জন্য লড়াই করেছেন তারা বিশৃঙ্খলা করবেন না। এছাড়া সাংগঠনিক গ্যাপ এড়াতে তিনি এমপিদের ছুটির দিনে নিজ এলাকায় গিয়ে জনগণের অভাব-অভিযোগ শোনার পরামর্শ দেন। তিনি মনে করেন, জনগণের সুখ-দুঃখের কথা শুনলে জনপ্রতিনিধিদের জনপ্রিয়তা বাড়বে এবং সাংগঠনিক ভিত্তি আরও মজবুত হবে।





























