ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ও রেলপথ নির্মাণে আইনি বাধা কাটল
- আপডেট সময় : ০৫:৫২:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে

ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণকাজ এবং এর নিচ দিয়ে চার লেন বিশিষ্ট রেলপথ তৈরির পথে থাকা দীর্ঘ সাত বছরের আইনি জটিলতার অবসান হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের এক আদেশের মাধ্যমে এই উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিচালনার সব আইনি বাধা দূর হয়েছে বলে জানিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল। বুধবার সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের অবকাশকালীন চেম্বার বিচারপতি মোহাম্মদ রেজাউল হকের আদালত সরকারের পক্ষে এই আদেশ প্রদান করেন।
অ্যাটর্নি জেনারেল জানান, মগবাজারের পেয়ারাবাগ অংশের জমির মালিকানা নিয়ে বাংলাদেশ রেলওয়ে এবং এ এম মোস্তাফিজুর রহমানের মধ্যে দীর্ঘ সময় ধরে চলা বিরোধের কারণে সাত বছর ধরে ওই এলাকায় উন্নয়ন কার্যক্রম বন্ধ ছিল। মোস্তাফিজুর রহমান ২০১৯ সালে ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন এবং সেই বছরের ২৯শে মে রায় তার পক্ষে পান। তবে ল্যান্ড সার্ভে আপিল ট্রাইব্যুনাল গঠিত না থাকায় সরকার তখন আইনি প্রতিকার পায়নি। পরবর্তীতে আপিল ট্রাইব্যুনাল গঠিত হলে সরকারের আপিলের প্রেক্ষিতে ২০২৬ সালের ২রা সেপ্টেম্বর রেলওয়ের পক্ষে রায় আসে। এই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে মোস্তাফিজুর রহমান হাইকোর্ট বিভাগে ১৩৮৯২/২০২৬ নম্বর রিট পিটিশন দায়ের করলে গত ২৮শে সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে হাইকোর্ট বিভাগ স্থিতাবস্থা জারি করেন, যা কাজকে পুনরায় অনিশ্চয়তায় ফেলে।
হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ, রেলওয়ে মন্ত্রণালয়, ডিসি এবং সেটেলমেন্ট অফিসারের পক্ষ থেকে আপিল বিভাগে সিভিল মিসলেনিয়াস পিটিশন (নম্বর ৯৯৪/২০২৬) দায়ের করা হয়। অবকাশকালীন বিচারপতির বিশেষ অনুমতি নিয়ে এদিন বিকেল ৫টায় শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানিতে অ্যাটর্নি জেনারেলের সঙ্গে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল আসাদুফ রউফ, অনীক আর হক এবং ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ওসমান চৌধুরী। অপরপক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র অ্যাডভোকেট মো. নুরুল আমিন। আদালত শুনানির পর উন্নয়ন কাজ চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। তবে জমির মালিকানার সপক্ষে এ এম মোস্তাফিজুর রহমানের দাবিকৃত ক্ষতিপূরণ বা ‘অ্যাওয়ার্ড মানি’ পাওয়ার বিষয়ে প্রয়োজনীয় ও কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনাও দিয়েছেন আদালত।



























