ঢাকা ০৭:০১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সোবহানার সেঞ্চুরি, অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের রেকর্ড সংগ্রহ ৫ বছর পর ন্যান্সি ও জাহিদ নিরবের দ্বৈত গান ‘দিওয়ানা দিল’ তুরস্কে পর্যটকবাহী বাস ও টো ট্রাকের সংঘর্ষে নিহত ১১, আহত ২৭ পিরোজপুরে ডেঙ্গু ও কিশোর গ্যাং দমনে প্রতিমন্ত্রীর কঠোর নির্দেশনা জাতীয় ক্রিকেট লিগে একদিনে পাঁচ ব্যাটারের সেঞ্চুরি দিল্লির রাজপথে প্রতিবাদের ভূত যেভাবে মোদি সরকারকে তাড়া করছে দুর্গাপূজায় নৈরাজ্য সৃষ্টির অপচেষ্টা রুখতে সজাগ থাকার আহ্বান রিজভীর আয়াসসহ চারজনের বিরুদ্ধে যেসব ধারায় মামলা, রিমান্ডের আদেশ চাঁদপুরে জেলেদের ৫ টন চাল জব্দ, তদন্ত কমিটি গঠন নতুন রেকর্ডের হাতছানি হানসি ফ্লিকের বার্সেলোনার সামনে

বাংলামোটরে চাঁদাবাজির অভিযোগে সাবেক যুবদল নেতাসহ ৪ জন আটক, আহত ১

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৭:৩৭:৫৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



রাজধানীর বাংলামোটর এলাকায় চাঁদাবাজিকে কেন্দ্র করে মোহাম্মাদ সায়মন নামে সাবেক এক যুবদল নেতাকে তার তিন সহযোগীসহ আটক করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় চাঁদা দাবি ও কথা-কাটাকাটির জেরে সায়মনের পিস্তলের আঘাতে মো. সোহান (৩৫) নামের এক ওষুধ ব্যবসায়ী গুরুতর আহত হন। এ সময় এলাকায় আতঙ্ক ছড়াতে ফাঁকা গুলি বর্ষণ ও মোটরসাইকেল ভাঙচুর-অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী ওষুধ ব্যবসায়ী সোহান জানান, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে বাংলামোটরের রূপায়ণ টাওয়ারের উত্তর পাশের গলিতে সায়মন ও তার কয়েকজন সহযোগী হঠাৎ তার পথরোধ করেন। এ নিয়ে বাগ্‌বিতণ্ডার একপর্যায়ে সায়মন তার কোমর থেকে পিস্তল বের করে সোহানের মাথায় আঘাত করেন। এতে তার মাথা ফেটে রক্তক্ষরণ শুরু হয়। ঘটনার পর রক্তাক্ত সোহানকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

ব্যবসায়ীকে মারধরের পর আশেপাশের লোকজন এগিয়ে এলে সায়মন তাদের ভয় দেখাতে অন্তত দুই রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়েন। এরপরও স্থানীয় বাসিন্দারা জড়ো হয়ে ধাওয়া দিলে সায়মন তার সহযোগীদের নিয়ে পাশের একটি ভবনে আত্মগোপন করেন। ক্ষুব্ধ জনতা সায়মনের বাড়ির সামনে অবস্থান নিয়ে তার ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি ভাঙচুর করে এবং তাতে আগুন ধরিয়ে দেয়। এর ফলে পুরো এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

খবর পেয়ে প্রথমে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং সায়মনকে উদ্ধার করতে ব্যর্থ হয়। পরবর্তীতে এআরবি, অতিরিক্ত পুলিশ এবং সোয়াট (SWAT) সদস্যরা সেখানে উপস্থিত হয়ে বিক্ষুব্ধ জনতাকে সরিয়ে দেন। এরপর ওই ভবন থেকে সায়মনসহ চারজনকে আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের হাতিরঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদুজ্জামান জানান, কথা-কাটাকাটির জেরে সোহাগের (সোহান) মাথায় আঘাত করেন সায়মন। এতে তিনি আহত হন। পরবর্তীতে সায়মন দুই রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুড়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনার জেরে স্থানীয়রা জড়ো হলে পুলিশ গিয়ে সায়মনসহ চারজনকে আটক করে।

এদিকে অভিযুক্ত সায়মনের বিষয়ে যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদুল মিরাজ জানান, সায়মন দীর্ঘদিন ধরে আগ্নেয়াস্ত্রের ভয় দেখিয়ে মানুষকে তটস্থ করে রাখতেন। সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজির কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার সুনির্দিষ্ট অভিযোগে তাকে অনেক আগেই হাতিরঝিল থানা যুবদলের আহ্বায়কের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

বাংলামোটরে চাঁদাবাজির অভিযোগে সাবেক যুবদল নেতাসহ ৪ জন আটক, আহত ১

আপডেট সময় : ০৭:৩৭:৫৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬

রাজধানীর বাংলামোটর এলাকায় চাঁদাবাজিকে কেন্দ্র করে মোহাম্মাদ সায়মন নামে সাবেক এক যুবদল নেতাকে তার তিন সহযোগীসহ আটক করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় চাঁদা দাবি ও কথা-কাটাকাটির জেরে সায়মনের পিস্তলের আঘাতে মো. সোহান (৩৫) নামের এক ওষুধ ব্যবসায়ী গুরুতর আহত হন। এ সময় এলাকায় আতঙ্ক ছড়াতে ফাঁকা গুলি বর্ষণ ও মোটরসাইকেল ভাঙচুর-অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী ওষুধ ব্যবসায়ী সোহান জানান, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে বাংলামোটরের রূপায়ণ টাওয়ারের উত্তর পাশের গলিতে সায়মন ও তার কয়েকজন সহযোগী হঠাৎ তার পথরোধ করেন। এ নিয়ে বাগ্‌বিতণ্ডার একপর্যায়ে সায়মন তার কোমর থেকে পিস্তল বের করে সোহানের মাথায় আঘাত করেন। এতে তার মাথা ফেটে রক্তক্ষরণ শুরু হয়। ঘটনার পর রক্তাক্ত সোহানকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

ব্যবসায়ীকে মারধরের পর আশেপাশের লোকজন এগিয়ে এলে সায়মন তাদের ভয় দেখাতে অন্তত দুই রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়েন। এরপরও স্থানীয় বাসিন্দারা জড়ো হয়ে ধাওয়া দিলে সায়মন তার সহযোগীদের নিয়ে পাশের একটি ভবনে আত্মগোপন করেন। ক্ষুব্ধ জনতা সায়মনের বাড়ির সামনে অবস্থান নিয়ে তার ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি ভাঙচুর করে এবং তাতে আগুন ধরিয়ে দেয়। এর ফলে পুরো এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

খবর পেয়ে প্রথমে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং সায়মনকে উদ্ধার করতে ব্যর্থ হয়। পরবর্তীতে এআরবি, অতিরিক্ত পুলিশ এবং সোয়াট (SWAT) সদস্যরা সেখানে উপস্থিত হয়ে বিক্ষুব্ধ জনতাকে সরিয়ে দেন। এরপর ওই ভবন থেকে সায়মনসহ চারজনকে আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের হাতিরঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদুজ্জামান জানান, কথা-কাটাকাটির জেরে সোহাগের (সোহান) মাথায় আঘাত করেন সায়মন। এতে তিনি আহত হন। পরবর্তীতে সায়মন দুই রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুড়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনার জেরে স্থানীয়রা জড়ো হলে পুলিশ গিয়ে সায়মনসহ চারজনকে আটক করে।

এদিকে অভিযুক্ত সায়মনের বিষয়ে যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদুল মিরাজ জানান, সায়মন দীর্ঘদিন ধরে আগ্নেয়াস্ত্রের ভয় দেখিয়ে মানুষকে তটস্থ করে রাখতেন। সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজির কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার সুনির্দিষ্ট অভিযোগে তাকে অনেক আগেই হাতিরঝিল থানা যুবদলের আহ্বায়কের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।