ঢাকা ০৬:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মক্কা-জেদ্দাসহ সৌদির বিভিন্ন এলাকায় সিভিল ডিফেন্সের সতর্কতা জারি আ.লীগ ফিরলে জামায়াত নেতাদের আবারও ফাঁসি দেবে: রাশেদ খাঁন মানুষের প্রতি ভালোবাসা ও সহমর্মিতা ইসলামের চিরন্তন শিক্ষা এমপি গাজী নজরুল আবারও রিমান্ডে, এবার ৪ দিনের স্বাধীনতা রক্ষায় কাজ করে নিপীড়িত হয়েছেন রুহুল আমিন গাজী: রিজভী তুরস্কের শানলিউরফায় ৫.৪ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত ইসলামাবাদে পিটিআইয়ের মিছিল ঘিরে দেশজুড়ে ধরপাকড় ও কড়াকড়ি ৫১তম বিসিএসে ৫ হাজার চিকিৎসক নিয়োগ, আবেদন শুরু ১ অক্টোবর জানুয়ারি থেকে ইউপি নির্বাচন শুরুর পরিকল্পনা নির্বাচন কমিশনের আফগানিস্তানে পাকিস্তানের বিমান হামলা: নিহত ৪, পাল্টা ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি

অর্থনৈতিক বাস্তবতায় জ্বালানির দাম বাড়াতে হয়েছে: জাহেদ উর রহমান

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৫:৩৯:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম সাময়িকভাবে কিছুটা কমলেও পরিস্থিতি এখনও অস্থিতিশীল রয়েছে। এই অর্থনৈতিক বাস্তবতা বিবেচনা করেই সরকার জ্বালানির দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

জাহেদ উর রহমান স্বীকার করেন যে, জ্বালানির দাম বৃদ্ধির ফলে জনগণের কষ্ট হচ্ছে এবং সামনেও তা অব্যাহত থাকতে পারে। তবে তিনি ব্যাখ্যা করেন যে, সরকারকে জ্বালানি খাতে ভর্তুকি দেওয়ার পাশাপাশি সামাজিক নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতের ব্যয়ের মধ্যেও ভারসাম্য রক্ষা করতে হচ্ছে। সব খাতে একসঙ্গে বিপুল অর্থ ব্যয় করা সম্ভব নয় বলেই সরকারকে এই কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে।

আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতা সম্পর্কে উপদেষ্টা বলেন, তেলের দাম কয়েকদিনে দুই-তিন শতাংশ কমলেও তা ১০০ ডলারের উপরেই রয়েছে এবং এই দাম কমার ধারা টেকসই হওয়ার সম্ভাবনা কম। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকট, প্রণালি অবরুদ্ধ হওয়ার ঝুঁকি, সৌদি আরবের তেল রপ্তানিতে প্রতিবন্ধকতা এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ফলে তেল স্থাপনায় হামলার মতো ঘটনাগুলো ভবিষ্যতে জ্বালানি বাজারকে আরও অস্থিতিশীল করে তুলতে পারে বলে তিনি সতর্ক করেন।

গ্যাস ও বিদ্যুৎ খাতে ভর্তুকির চাপের কথা তুলে ধরে জাহেদ উর রহমান জানান, চলতি অর্থবছরের বাজেটে এ খাতে প্রায় ৪৮ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকির পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু মাত্র আড়াই মাসেই এর প্রায় অর্ধেক খরচ হয়ে গেছে। এই গতিতে ভর্তুকি চলতে থাকলে বছর শেষে তা সোয়া ১ লাখ কোটি থেকে দেড় লাখ কোটি টাকায় গিয়ে দাঁড়াবে, যা সরকারের জন্য বহন করা কঠিন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Ei Din

নিউজটি শেয়ার করুন

অর্থনৈতিক বাস্তবতায় জ্বালানির দাম বাড়াতে হয়েছে: জাহেদ উর রহমান

আপডেট সময় : ০৫:৩৯:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম সাময়িকভাবে কিছুটা কমলেও পরিস্থিতি এখনও অস্থিতিশীল রয়েছে। এই অর্থনৈতিক বাস্তবতা বিবেচনা করেই সরকার জ্বালানির দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

জাহেদ উর রহমান স্বীকার করেন যে, জ্বালানির দাম বৃদ্ধির ফলে জনগণের কষ্ট হচ্ছে এবং সামনেও তা অব্যাহত থাকতে পারে। তবে তিনি ব্যাখ্যা করেন যে, সরকারকে জ্বালানি খাতে ভর্তুকি দেওয়ার পাশাপাশি সামাজিক নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতের ব্যয়ের মধ্যেও ভারসাম্য রক্ষা করতে হচ্ছে। সব খাতে একসঙ্গে বিপুল অর্থ ব্যয় করা সম্ভব নয় বলেই সরকারকে এই কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে।

আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতা সম্পর্কে উপদেষ্টা বলেন, তেলের দাম কয়েকদিনে দুই-তিন শতাংশ কমলেও তা ১০০ ডলারের উপরেই রয়েছে এবং এই দাম কমার ধারা টেকসই হওয়ার সম্ভাবনা কম। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকট, প্রণালি অবরুদ্ধ হওয়ার ঝুঁকি, সৌদি আরবের তেল রপ্তানিতে প্রতিবন্ধকতা এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ফলে তেল স্থাপনায় হামলার মতো ঘটনাগুলো ভবিষ্যতে জ্বালানি বাজারকে আরও অস্থিতিশীল করে তুলতে পারে বলে তিনি সতর্ক করেন।

গ্যাস ও বিদ্যুৎ খাতে ভর্তুকির চাপের কথা তুলে ধরে জাহেদ উর রহমান জানান, চলতি অর্থবছরের বাজেটে এ খাতে প্রায় ৪৮ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকির পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু মাত্র আড়াই মাসেই এর প্রায় অর্ধেক খরচ হয়ে গেছে। এই গতিতে ভর্তুকি চলতে থাকলে বছর শেষে তা সোয়া ১ লাখ কোটি থেকে দেড় লাখ কোটি টাকায় গিয়ে দাঁড়াবে, যা সরকারের জন্য বহন করা কঠিন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Ei Din