ডিমের দাম কিছুটা কমলেও অস্বস্তি কাটেনি মাছ-মাংসে
- আপডেট সময় : ১২:৫১:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে

রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে নিত্যপণ্যের দামে মিশ্র চিত্র দেখা গেছে। সপ্তাহের ব্যবধানে ডিমের দাম কিছুটা কমলেও মাছ, মুরগি ও মাংসের দামে বড় কোনো পরিবর্তন আসেনি। আগের চড়া দামেই এসব পণ্য বিক্রি হচ্ছে বলে শুক্রবার বাজার ঘুরে তথ্য পাওয়া গেছে।
গত সপ্তাহের তুলনায় ডিমের দাম ডজনে ১০ টাকা কমেছে। বর্তমানে প্রতি ডজন ডিম ১৪০ থেকে ১৪৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা গত সপ্তাহে ছিল ১৫০ থেকে ১৫৫ টাকা। বিক্রেতাদের তথ্যমতে, ব্রয়লার সাদা ডিম ১৪০ টাকা এবং ব্রাউন ডিম ১৪৫ থেকে ১৫০ টাকা ডজন দরে বিক্রি হচ্ছে।
এদিকে মুরগি ও মাংসের বাজারে স্বস্তি ফেরেনি। ব্রয়লার মুরগির কেজি গত সপ্তাহের মতো ১৯০ টাকাতেই স্থির রয়েছে। সোনালি, হাইব্রিড ও লেয়ার মুরগির দাম কেজিতে ১০ টাকা কমেছে। বর্তমানে সোনালি মুরগি ৩১০ থেকে ৩২০ টাকা, হাইব্রিড ২৯০ থেকে ৩০০ টাকা এবং লেয়ার মুরগি ৩৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। গরুর মাংসের দাম অপরিবর্তিত থেকে প্রতি কেজি ৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
মাছের বাজারেও স্থিতিশীল অবস্থা বজায় রয়েছে। চাষের পাঙাশ প্রতি কেজি ২৩০ টাকা এবং তেলাপিয়া ২৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে সাধারণ ক্রেতারা বলছেন, মাছের দাম বাড়ায় নিম্নবিত্ত ও সীমিত আয়ের মানুষ সবচেয়ে বেশি বেকায়দায় পড়েছেন। বিশেষ করে পাঙাশ ও তেলাপিয়ার মতো সাধারণ মাছের দামও এখন নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে।
অন্যান্য মাছের দামের ক্ষেত্রে দেখা গেছে, চিংড়ি ৮০০ থেকে ৯০০ টাকা, পাবদা ৩৫০ থেকে ৪৫০ টাকা, বড় রুই ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা এবং ট্যাংরা ৭০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়াও ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, বাইম ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা, দেশি কই ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, চাষের কই ২৬০ টাকা, পোয়া ২৬০ টাকা এবং শোল মাছ ৭০০ টাকা কেজি দরে পাওয়া যাচ্ছে। আকারভেদে চাষের শিং মাছ ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা এবং মাঝারি রুই ২৭০ থেকে ৩৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে রূপচাঁদা, শোল ও নদীর বেলে মাছ কিনতে ক্রেতাদের কেজিপ্রতি হাজার টাকার বেশি গুনতে হচ্ছে।
সোনালি মুরগির দাম ২১০ টাকা ছিল, আজকেও ২১০ টাকাতেই বিক্রি হচ্ছে।

























