ঢাকা ০৬:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মক্কা-জেদ্দাসহ সৌদির বিভিন্ন এলাকায় সিভিল ডিফেন্সের সতর্কতা জারি আ.লীগ ফিরলে জামায়াত নেতাদের আবারও ফাঁসি দেবে: রাশেদ খাঁন মানুষের প্রতি ভালোবাসা ও সহমর্মিতা ইসলামের চিরন্তন শিক্ষা এমপি গাজী নজরুল আবারও রিমান্ডে, এবার ৪ দিনের স্বাধীনতা রক্ষায় কাজ করে নিপীড়িত হয়েছেন রুহুল আমিন গাজী: রিজভী তুরস্কের শানলিউরফায় ৫.৪ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত ইসলামাবাদে পিটিআইয়ের মিছিল ঘিরে দেশজুড়ে ধরপাকড় ও কড়াকড়ি ৫১তম বিসিএসে ৫ হাজার চিকিৎসক নিয়োগ, আবেদন শুরু ১ অক্টোবর জানুয়ারি থেকে ইউপি নির্বাচন শুরুর পরিকল্পনা নির্বাচন কমিশনের আফগানিস্তানে পাকিস্তানের বিমান হামলা: নিহত ৪, পাল্টা ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি

পশ্চিমবঙ্গ থেকে শীর্ষ মাওবাদী নেতা অসীম মণ্ডল গ্রেপ্তার

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৬:২৮:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



ভারতে মাওবাদী বিপর্যয়ের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে পালিয়ে থাকা শীর্ষ নেতাদের অন্যতম অসীম মণ্ডল ওরফে আকাশ অবশেষে ধরা পড়েছেন। কলকাতা পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স বা এসটিএফের একটি বিশেষ অভিযানে বৃহস্পতিবার সকালে পূর্ব মেদিনীপুরের পটাশপুর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

বর্তমান তথ্য অনুযায়ী, চিকিৎসার জন্য অর্থ সংগ্রহের উদ্দেশ্যে তিনি ওই এলাকায় এসেছিলেন। বাংলা-ওড়িশা-ঝাড়খণ্ডের জঙ্গলযুদ্ধের অন্যতম এই কমান্ডার দীর্ঘদিন ধরেই পুলিশের ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ তালিকায় ছিলেন এবং তার মাথার দাম ২ কোটি ২০ লক্ষ রুপি নির্ধারণ করা হয়েছিল।

এই গ্রেপ্তারের খবর সমাজমাধ্যমে নিশ্চিত করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি কলকাতা পুলিশের এসটিএফের এই সাফল্যের প্রশংসা করেছেন। একই সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী কড়া বার্তা দিয়ে জানিয়েছেন যে, পশ্চিমবঙ্গে লাল সন্ত্রাসকে কোনোভাবেই প্রশ্রয় দেওয়া হবে না। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, কোথাও মাথাচাড়া দেওয়ার চেষ্টা হলে রাজ্য সরকার শক্ত হাতে দমন করবে এবং রাজ্য পুলিশ এ বিষয়ে যথেষ্ট দক্ষ ও সতর্ক।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর নির্দেশে মাওবাদীমুক্ত ভারত গড়ার লক্ষ্যে যৌথ বাহিনী ছত্তিশগড় ও ঝাড়খণ্ডে লাগাতার অভিযান পরিচালনা করছে। এর ফলে অনেক মাওবাদী আত্মসমর্পণ করেছেন অথবা অভিযানে নিহত হয়েছেন। তবে আকাশ এত কঠিন পরিস্থিতির মধ্যেও নিজেকে রক্ষা করতে সক্ষম হয়েছিলেন। তিনি আত্মসমর্পণ বা লড়াইয়ে মৃত্যু বরণ না করে স্কোয়াডের সদস্যদের নিয়ে পুনরায় জঙ্গলযুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন বলে জানা গেছে।

আকাশের মাওবাদী জীবনের ইতিহাস বেশ দীর্ঘ। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৯৮০-র দশকে কলেজজীবন থেকেই তিনি বাম উগ্রপন্থী আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত হন। পরবর্তীতে সিপিআই (মাওবাদী) সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পান। কিষানজির মৃত্যুর পর তিনি পশ্চিমবঙ্গের মাওবাদী সংগঠনের নেতৃত্বে উঠে আসেন এবং দীর্ঘদিন ধরে জঙ্গল এলাকায় থেকে সংগঠন পরিচালনা করে আসছিলেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

পশ্চিমবঙ্গ থেকে শীর্ষ মাওবাদী নেতা অসীম মণ্ডল গ্রেপ্তার

আপডেট সময় : ০৬:২৮:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ভারতে মাওবাদী বিপর্যয়ের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে পালিয়ে থাকা শীর্ষ নেতাদের অন্যতম অসীম মণ্ডল ওরফে আকাশ অবশেষে ধরা পড়েছেন। কলকাতা পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স বা এসটিএফের একটি বিশেষ অভিযানে বৃহস্পতিবার সকালে পূর্ব মেদিনীপুরের পটাশপুর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

বর্তমান তথ্য অনুযায়ী, চিকিৎসার জন্য অর্থ সংগ্রহের উদ্দেশ্যে তিনি ওই এলাকায় এসেছিলেন। বাংলা-ওড়িশা-ঝাড়খণ্ডের জঙ্গলযুদ্ধের অন্যতম এই কমান্ডার দীর্ঘদিন ধরেই পুলিশের ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ তালিকায় ছিলেন এবং তার মাথার দাম ২ কোটি ২০ লক্ষ রুপি নির্ধারণ করা হয়েছিল।

এই গ্রেপ্তারের খবর সমাজমাধ্যমে নিশ্চিত করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি কলকাতা পুলিশের এসটিএফের এই সাফল্যের প্রশংসা করেছেন। একই সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী কড়া বার্তা দিয়ে জানিয়েছেন যে, পশ্চিমবঙ্গে লাল সন্ত্রাসকে কোনোভাবেই প্রশ্রয় দেওয়া হবে না। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, কোথাও মাথাচাড়া দেওয়ার চেষ্টা হলে রাজ্য সরকার শক্ত হাতে দমন করবে এবং রাজ্য পুলিশ এ বিষয়ে যথেষ্ট দক্ষ ও সতর্ক।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর নির্দেশে মাওবাদীমুক্ত ভারত গড়ার লক্ষ্যে যৌথ বাহিনী ছত্তিশগড় ও ঝাড়খণ্ডে লাগাতার অভিযান পরিচালনা করছে। এর ফলে অনেক মাওবাদী আত্মসমর্পণ করেছেন অথবা অভিযানে নিহত হয়েছেন। তবে আকাশ এত কঠিন পরিস্থিতির মধ্যেও নিজেকে রক্ষা করতে সক্ষম হয়েছিলেন। তিনি আত্মসমর্পণ বা লড়াইয়ে মৃত্যু বরণ না করে স্কোয়াডের সদস্যদের নিয়ে পুনরায় জঙ্গলযুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন বলে জানা গেছে।

আকাশের মাওবাদী জীবনের ইতিহাস বেশ দীর্ঘ। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৯৮০-র দশকে কলেজজীবন থেকেই তিনি বাম উগ্রপন্থী আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত হন। পরবর্তীতে সিপিআই (মাওবাদী) সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পান। কিষানজির মৃত্যুর পর তিনি পশ্চিমবঙ্গের মাওবাদী সংগঠনের নেতৃত্বে উঠে আসেন এবং দীর্ঘদিন ধরে জঙ্গল এলাকায় থেকে সংগঠন পরিচালনা করে আসছিলেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin