রাবিতে সাংবাদিকতা শিক্ষার্থীদের নিয়ে সিজেন রিজিওনাল ক্লাস্টার মিটিং
- আপডেট সময় : ০৮:৩০:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের উদ্যোগে ‘কমিউনিকেশন অ্যান্ড জার্নালিজম এডুকেটরস নেটওয়ার্ক (সিজেন)-এর রিজিওনাল ক্লাস্টার মিটিং’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১৩ সেপ্টেম্বর (রবিবার) বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের একটি শ্রেণিকক্ষে ডয়চে ভেলে (DW) একাডেমি এবং সিজেন (CJEN) বাংলাদেশের সহায়তায় এই অনুষ্ঠানটি বাস্তবায়িত হয়। এতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় এবং বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুরের সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।
এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য ছিল শিক্ষার্থী ও তরুণ গবেষকদের গবেষণার ‘অ্যাবস্ট্রাক্ট’ এবং ‘রিসার্চ কনসেপ্ট নোট’ তৈরিতে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেওয়া, যাতে তারা আগামী ২৭-২৮ নভেম্বর ঢাকার ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটিতে (IUB) অনুষ্ঠিতব্য ১১তম সিজেন নেটওয়ার্কিং কনফারেন্সে গবেষণাপত্র উপস্থাপনের জন্য প্রস্তুত হতে পারেন।
উদ্বোধনী পর্বে বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. মোজাম্মেল হোসেন বকুল বলেন, সাংবাদিকতায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রভাব, শর্ট-ফর্ম ভিডিওর ব্যবহার এবং ভুল তথ্যের মতো চ্যালেঞ্জগুলো সমাজ ও গণতন্ত্রের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তিনি শিক্ষার্থীদের সুনির্দিষ্ট সমস্যা চিহ্নিত করা এবং অর্থপূর্ণ গবেষণার প্রশ্ন তৈরিতে মনোযোগী হওয়ার পরামর্শ দেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশের (ULAB) উপ-উপাচার্য এবং সিজেন বাংলাদেশের কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. জুড ডব্লিউ. আর. জেনিলো। তিনি জানান, ২০১৮ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘রাজশাহী ডিক্লারেশন’ এর মাধ্যমে সিজেন-এর যাত্রা শুরু হয়েছিল এবং এবারের কনফারেন্সের প্রতিপাদ্য হলো ‘মিডিয়া এডুকেশন ইন ট্রানজিশন’।
প্রশিক্ষণ সেশনগুলো পরিচালনা করেন অধ্যাপক ড. মো. মশিহুর রহমান এবং সহযোগী অধ্যাপক মামুন আব্দুল কাইয়ুম। মামুন আব্দুল কাইয়ুম অ্যাবস্ট্রাক্টের বিভিন্ন ধাপ ও নিয়ম নিয়ে আলোচনা করেন। অধ্যাপক ড. মো. মশিহুর রহমান শব্দ-সাশ্রয়ের ওপর গুরুত্ব দিয়ে শিক্ষার্থীদের হাতে-কলমে ২৫০ শব্দের অ্যাবস্ট্রাক্ট লেখার অনুশীলন করান।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে সিজেন বাংলাদেশের কার্যনির্বাহী সদস্য ড. নাজিয়াত হোসেন চৌধুরী শিক্ষার্থীদের নতুন আইডিয়া খোঁজার আহ্বান জানান। ডয়চে ভেলে একাডেমি ঢাকার প্রজেক্ট ম্যানেজার জিমি আমির বলেন, ২০১৪ সাল থেকে সিজেন এবং কারিকুলাম উন্নয়নে কাজ করছে ডিডব্লিউ একাডেমি। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সহযোগী অধ্যাপক আমেনা খাতুন এবং মধ্যাহ্নভোজের মাধ্যমে বিকেল ৩টায় আয়োজনের সমাপ্তি ঘটে।




























