ঢাকা ০৯:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শারদীয় দুর্গাপূজায় টানা পাঁচদিনের ছুটি, শনিবার খোলা ব্যাংক সরকারি বাসা বরাদ্দ এখন অনলাইনে, স্বচ্ছতা নিশ্চিতের উদ্যোগ সৌদি আরবের অধিকাংশ আকাশসীমা ও বিমানবন্দর ‘অনিরাপদ’: হুথি মুখপাত্র নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, পর্যটকদের জন্য আবারও উন্মুক্ত সাজেক যুক্তরাষ্ট্রে ড. ইউনূসের নিরাপত্তা বাড়াতে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ নির্দেশ ইসরাইলি প্রেসিডেন্টের বক্তব্যের সময় ওয়াকআউট করল বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল সেগুনবাগিচায় সৌন্দর্যবর্ধন প্রকল্পের দেয়ালে সারিবদ্ধ গাড়ির দখল সংসদ ভবনের সাউন্ড সিস্টেম কেনায় শত কোটি টাকা দুর্নীতির অনুসন্ধান লালমোহনে নজরুল বর্ষ ২০২৬ উদযাপন, শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে মুখর অনুষ্ঠান কুমিল্লার প্রত্যন্ত গ্রামেও কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য, গ্রেপ্তার ৩

সাগর-রুনি হত্যায় নতুন তথ্য: উঠে এলো সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের নাম

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৪:২৩:৪৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬ ৯ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্তে নতুন করে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়ার দাবি করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন। ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, ভিন্ন একটি মামলার তদন্ত করতে গিয়ে পাওয়া কল ডিটেইল রেকর্ড (সিডিআর) এবং ইলেকট্রনিক নথি বিশ্লেষণ করে এক সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বসহ কয়েকজনের সম্পৃক্ততার প্রাথমিক তথ্য পাওয়া গেছে। তদন্তের স্বার্থে ওই সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের নাম প্রকাশ করা হয়নি, তবে সূত্র জানিয়েছে তিনি বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের এক উপদেষ্টার সাবেক স্ত্রী।

ট্রাইব্যুনালের বিশেষ তদন্ত কর্মকর্তা ও প্রসিকিউটর তানভীর হাসান জোহা জানিয়েছেন, র‌্যাবের সাবেক এক মহাপরিচালকের বরিশালের বাসা থেকে জব্দ করা ইলেকট্রনিক নথি ও জবানবন্দি থেকেও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উদ্ধার করা হয়েছে। এসব নথির মধ্যে ২০০৭ সাল থেকে সাম্প্রতিক সময়ের বিভিন্ন ডকুমেন্ট ও একটি সার্ভার পাওয়া গেছে। তথ্য বিশ্লেষণ করে তিন থেকে চারজন সন্দেহভাজনকে শনাক্ত করা হয়েছে, যাদের একজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। ওই ব্যক্তির বক্তব্য অনুযায়ী, হত্যাকাণ্ডের আগের রাতে র‌্যাবের তৎকালীন মহাপরিচালককে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনায় উপস্থিত থাকার জন্য বলা হয়েছিল। এছাড়া তৎকালীন বিডিআর বা সরকারের সংবেদনশীল নথির সঙ্গে ঘটনার যোগসূত্র থাকার সম্ভাবনার কথাও উঠে এসেছে।

রোববার আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম জানান, প্রাপ্ত নতুন তথ্যগুলো তদন্তকারী সংস্থাকে প্রদান করা হবে। ট্রাইব্যুনালের এখতিয়ার নিয়ে তিনি বলেন, সাগর-রুনি হত্যা মামলাটি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে তদন্ত বা বিচার করা যাবে কি না এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন, ১৯৭৩-এর ৩ নম্বর ধারায় ট্রাইব্যুনালের এখতিয়ার ও বিচারযোগ্য অপরাধের বিষয়গুলো নির্ধারণ করা আছে। তিনি স্পষ্ট করেন যে, এই হত্যাকাণ্ডের বিচার প্রচলিত আদালতেই হবে।

এদিকে নিহত দম্পতির ছেলে মাহির সরওয়ার মেঘ ও মামলার বাদী নওশের আলী রোমান ট্রাইব্যুনালে চিফ প্রসিকিউটরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। সাক্ষাৎ শেষে নওশের আলী রোমান বলেন, এতদিন ধরে সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ড নিয়ে নানা গল্প ও ফোনকলের তথ্য সামনে এসেছে, যার অনেকগুলোরই কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবে এখন তারা আশাবাদী, প্রকৃত হত্যাকারীদের পরিচয় বেরিয়ে আসবে। ২০২৪ সালে এসেও তারা প্রকৃত খুনিদের নাম জানতে চান এবং কারা এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত, তারা যেনো সামনে আসে সেই দাবি জানান। নওশের আলী রোমান অভিযোগ করেন যে, ৫ই আগস্টের পর গঠিত টাস্কফোর্সের তদন্তের অগ্রগতি শূন্যের কোঠায় এবং তদন্তের জন্য সময় নেওয়ার প্রক্রিয়া দীর্ঘায়িত করা হচ্ছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

সাগর-রুনি হত্যায় নতুন তথ্য: উঠে এলো সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের নাম

আপডেট সময় : ০৪:২৩:৪৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্তে নতুন করে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়ার দাবি করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন। ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, ভিন্ন একটি মামলার তদন্ত করতে গিয়ে পাওয়া কল ডিটেইল রেকর্ড (সিডিআর) এবং ইলেকট্রনিক নথি বিশ্লেষণ করে এক সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বসহ কয়েকজনের সম্পৃক্ততার প্রাথমিক তথ্য পাওয়া গেছে। তদন্তের স্বার্থে ওই সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের নাম প্রকাশ করা হয়নি, তবে সূত্র জানিয়েছে তিনি বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের এক উপদেষ্টার সাবেক স্ত্রী।

ট্রাইব্যুনালের বিশেষ তদন্ত কর্মকর্তা ও প্রসিকিউটর তানভীর হাসান জোহা জানিয়েছেন, র‌্যাবের সাবেক এক মহাপরিচালকের বরিশালের বাসা থেকে জব্দ করা ইলেকট্রনিক নথি ও জবানবন্দি থেকেও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উদ্ধার করা হয়েছে। এসব নথির মধ্যে ২০০৭ সাল থেকে সাম্প্রতিক সময়ের বিভিন্ন ডকুমেন্ট ও একটি সার্ভার পাওয়া গেছে। তথ্য বিশ্লেষণ করে তিন থেকে চারজন সন্দেহভাজনকে শনাক্ত করা হয়েছে, যাদের একজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। ওই ব্যক্তির বক্তব্য অনুযায়ী, হত্যাকাণ্ডের আগের রাতে র‌্যাবের তৎকালীন মহাপরিচালককে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনায় উপস্থিত থাকার জন্য বলা হয়েছিল। এছাড়া তৎকালীন বিডিআর বা সরকারের সংবেদনশীল নথির সঙ্গে ঘটনার যোগসূত্র থাকার সম্ভাবনার কথাও উঠে এসেছে।

রোববার আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম জানান, প্রাপ্ত নতুন তথ্যগুলো তদন্তকারী সংস্থাকে প্রদান করা হবে। ট্রাইব্যুনালের এখতিয়ার নিয়ে তিনি বলেন, সাগর-রুনি হত্যা মামলাটি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে তদন্ত বা বিচার করা যাবে কি না এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন, ১৯৭৩-এর ৩ নম্বর ধারায় ট্রাইব্যুনালের এখতিয়ার ও বিচারযোগ্য অপরাধের বিষয়গুলো নির্ধারণ করা আছে। তিনি স্পষ্ট করেন যে, এই হত্যাকাণ্ডের বিচার প্রচলিত আদালতেই হবে।

এদিকে নিহত দম্পতির ছেলে মাহির সরওয়ার মেঘ ও মামলার বাদী নওশের আলী রোমান ট্রাইব্যুনালে চিফ প্রসিকিউটরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। সাক্ষাৎ শেষে নওশের আলী রোমান বলেন, এতদিন ধরে সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ড নিয়ে নানা গল্প ও ফোনকলের তথ্য সামনে এসেছে, যার অনেকগুলোরই কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবে এখন তারা আশাবাদী, প্রকৃত হত্যাকারীদের পরিচয় বেরিয়ে আসবে। ২০২৪ সালে এসেও তারা প্রকৃত খুনিদের নাম জানতে চান এবং কারা এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত, তারা যেনো সামনে আসে সেই দাবি জানান। নওশের আলী রোমান অভিযোগ করেন যে, ৫ই আগস্টের পর গঠিত টাস্কফোর্সের তদন্তের অগ্রগতি শূন্যের কোঠায় এবং তদন্তের জন্য সময় নেওয়ার প্রক্রিয়া দীর্ঘায়িত করা হচ্ছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin