সরকারি বাসা বরাদ্দ এখন অনলাইনে, স্বচ্ছতা নিশ্চিতের উদ্যোগ
- আপডেট সময় : ০৯:০৩:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে

সরকারি কর্মচারীদের জন্য বাসা বরাদ্দ প্রক্রিয়াকে আরও সহজ, দ্রুত ও জনবান্ধব করতে অনলাইন পদ্ধতি চালু করেছে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন সরকারি আবাসন পরিদপ্তর। আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে এই অনলাইন বাসা বরাদ্দের ফলাফল উদ্বোধন করা হয়। এত দিন ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে এই কার্যক্রম পরিচালিত হতো।
গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে তিনি জানান, দেশে সুশাসন ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং নাগরিক সেবা সহজ করা সরকারের অন্যতম অঙ্গীকার। মন্ত্রণালয়ের সামগ্রিক কার্যক্রমে স্বচ্ছতা বজায় রাখার অংশ হিসেবেই বাসা বরাদ্দ প্রক্রিয়াকে ডিজিটালাইজ করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর, মন্ত্রণালয়ের সচিব ওবায়দুর রহমান, অতিরিক্ত সচিব আবদুল মতিন এবং সরকারি আবাসন পরিদপ্তরের পরিচালক জহিরুল ইসলাম খান উপস্থিত ছিলেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সরকারি আবাসন পরিদপ্তরের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা ২০২১ সাল থেকেই ছিল। তবে বিভিন্ন অসাধু চক্রের বাধা ও চাপের মুখে এতদিন তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি। এখন এই পদ্ধতি চালু হওয়ায় বাসা বরাদ্দে অনিয়মের সুযোগ উল্লেখযোগ্য হারে কমে আসবে।
মন্ত্রণালয়ের তথ্যানুযায়ী, গত ১৫ সেপ্টেম্বর অনলাইনে বাসা বরাদ্দের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর ১৬ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আবেদন গ্রহণ করা হয়। প্রথম দফায় ৫৪টি শূন্য বাসার বিপরীতে মোট ৫৯৬টি আবেদন জমা পড়ে। যাচাই-বাছাই শেষে ৩৪২টি আবেদন গ্রহণযোগ্য বিবেচিত হয়েছে এবং শর্ত পূরণ না করায় ২৫৪টি আবেদন বাতিল করা হয়েছে।
বর্তমানে ঢাকা শহরে কর্মরত ২ লাখ ২২ হাজার সরকারি কর্মচারীর বিপরীতে সরকারি বাসার সংখ্যা মাত্র ২১ হাজার। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম হওয়ায় দীর্ঘ দিন ধরেই বাসা বরাদ্দ নিয়ে অনিয়ম, দুর্নীতি ও ঘুষ-বাণিজ্যের অভিযোগ ছিল। নতুন এই অনলাইন পদ্ধতির ফলে আবেদনকারীরা ভোগান্তি ছাড়াই ফলাফল জানতে পারবেন, যা বরাদ্দ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করবে বলে কর্তৃপক্ষ আশা করছে।
সচিব ভবনে গ্রেড-১ ও সচিব পর্যায়ের কর্মকর্তাদের জন্য ১১৪টি ফ্ল্যাট রয়েছে।

























