ঢাকা ১১:৩২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সোবহানার সেঞ্চুরি, অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের রেকর্ড সংগ্রহ ৫ বছর পর ন্যান্সি ও জাহিদ নিরবের দ্বৈত গান ‘দিওয়ানা দিল’ তুরস্কে পর্যটকবাহী বাস ও টো ট্রাকের সংঘর্ষে নিহত ১১, আহত ২৭ পিরোজপুরে ডেঙ্গু ও কিশোর গ্যাং দমনে প্রতিমন্ত্রীর কঠোর নির্দেশনা জাতীয় ক্রিকেট লিগে একদিনে পাঁচ ব্যাটারের সেঞ্চুরি দিল্লির রাজপথে প্রতিবাদের ভূত যেভাবে মোদি সরকারকে তাড়া করছে দুর্গাপূজায় নৈরাজ্য সৃষ্টির অপচেষ্টা রুখতে সজাগ থাকার আহ্বান রিজভীর আয়াসসহ চারজনের বিরুদ্ধে যেসব ধারায় মামলা, রিমান্ডের আদেশ চাঁদপুরে জেলেদের ৫ টন চাল জব্দ, তদন্ত কমিটি গঠন নতুন রেকর্ডের হাতছানি হানসি ফ্লিকের বার্সেলোনার সামনে

ইউপি নির্বাচন: প্রায় সব ইউনিয়নে একাধিক প্রার্থী নিয়ে দুশ্চিন্তায় বিএনপি

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৯:২৮:২০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬ ৯ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনকে সামনে রেখে মাঠপর্যায়ে প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছেন বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীরা। তবে তফসিল ঘোষণার আগেই প্রায় প্রতিটি ইউনিয়নে একাধিক নেতার প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ দলটির জন্য বড় সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে। কেন্দ্র থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক নির্দেশনা না এলেও মাঠপর্যায়ে জনসংযোগ ও জোর তৎপরতা শুরু হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন (ইসি) বছরের শেষ দিকে ইউপি নির্বাচন শুরু করার পরিকল্পনা করছে এবং আগামী সেপ্টেম্বরে এর তফসিল ঘোষণা হতে পারে। এছাড়া চলতি অর্থবছরের মধ্যেই স্থানীয় সরকারের পাঁচ স্তরের নির্বাচন শেষ করার কথা জানিয়েছে সরকার। এই পরিস্থিতিতে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীরা কেন্দ্রীয় নির্দেশনার অপেক্ষা না করেই মাঠে নেমে পড়েছেন। কোনো কোনো ইউনিয়নে তিন থেকে চারজন পর্যন্ত বিএনপি নেতা চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। ফলে দল-সমর্থিত একক প্রার্থী নির্ধারণ করা এবং অন্যদের তাঁর পক্ষে ঐক্যবদ্ধ রাখাই এখন বিএনপির মূল দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

দলটির দায়িত্বশীল নেতারা জানিয়েছেন, প্রার্থী বাছাই বা নির্বাচনী কৌশল নিয়ে কেন্দ্র থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক দিকনির্দেশনা বা সাংগঠনিক প্রক্রিয়া শুরু হয়নি। তবে বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্থানীয় সরকার নির্বাচনে একক প্রার্থীর ওপর বিশেষভাবে জোর দিচ্ছেন। বিভিন্ন জেলা ও মহানগরের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় এবং দলীয় অনুষ্ঠানে তিনি বারবার তাগিদ দিচ্ছেন যেন একক প্রার্থী চূড়ান্ত করে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে তাঁর পক্ষে কাজ করতে হবে।

মাঠপর্যায়ে এই দ্বন্দ্বের একটি বড় উদাহরণ দেখা গেছে ফেনী সদর উপজেলার মোটবী ইউনিয়নে। এই ইউনিয়নে দুই মেয়াদে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করা জেলা বিএনপির নেতা এম এ খালেককে সম্প্রতি ফেনী জেলা পরিষদের administrator বা প্রশাসক করা হয়েছে। তাঁর এই নতুন দায়িত্ব পাওয়ার পর মোটবী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে বিএনপির সমর্থন পেতে অন্তত নয়জন নেতা-কর্মী ও সমর্থক তৎপরতা চালাচ্ছেন।

এই নয়জন প্রার্থীর মধ্যে রয়েছেন ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক মীর মোশাররফ হোসেন (মানিক), সদস্যসচিব শাহ আলম, সাবেক সাধারণ সম্পাদক নিজামুদ্দিন, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ফখরুল ইসলাম (মাসুক), উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক দেলোয়ার হোসেন এবং ইউনিয়ন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক গোলাম মহিউদ্দিন ভূঁইয়া। এছাড়াও বিএনপি ঘরানার দুই প্রবাসী রহমান রাজু ও নুরুল আমিন এবং আবুল কালাম মজুমদারও এখানে প্রার্থী হতে আগ্রহী। এর মধ্যে রাজু ও নুরুল আমিন ইতিমধ্যেই এলাকায় শুভেচ্ছা জানিয়ে পোস্টার লাগিয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ইউপি নির্বাচন: প্রায় সব ইউনিয়নে একাধিক প্রার্থী নিয়ে দুশ্চিন্তায় বিএনপি

আপডেট সময় : ০৯:২৮:২০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনকে সামনে রেখে মাঠপর্যায়ে প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছেন বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীরা। তবে তফসিল ঘোষণার আগেই প্রায় প্রতিটি ইউনিয়নে একাধিক নেতার প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ দলটির জন্য বড় সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে। কেন্দ্র থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক নির্দেশনা না এলেও মাঠপর্যায়ে জনসংযোগ ও জোর তৎপরতা শুরু হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন (ইসি) বছরের শেষ দিকে ইউপি নির্বাচন শুরু করার পরিকল্পনা করছে এবং আগামী সেপ্টেম্বরে এর তফসিল ঘোষণা হতে পারে। এছাড়া চলতি অর্থবছরের মধ্যেই স্থানীয় সরকারের পাঁচ স্তরের নির্বাচন শেষ করার কথা জানিয়েছে সরকার। এই পরিস্থিতিতে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীরা কেন্দ্রীয় নির্দেশনার অপেক্ষা না করেই মাঠে নেমে পড়েছেন। কোনো কোনো ইউনিয়নে তিন থেকে চারজন পর্যন্ত বিএনপি নেতা চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। ফলে দল-সমর্থিত একক প্রার্থী নির্ধারণ করা এবং অন্যদের তাঁর পক্ষে ঐক্যবদ্ধ রাখাই এখন বিএনপির মূল দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

দলটির দায়িত্বশীল নেতারা জানিয়েছেন, প্রার্থী বাছাই বা নির্বাচনী কৌশল নিয়ে কেন্দ্র থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক দিকনির্দেশনা বা সাংগঠনিক প্রক্রিয়া শুরু হয়নি। তবে বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্থানীয় সরকার নির্বাচনে একক প্রার্থীর ওপর বিশেষভাবে জোর দিচ্ছেন। বিভিন্ন জেলা ও মহানগরের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় এবং দলীয় অনুষ্ঠানে তিনি বারবার তাগিদ দিচ্ছেন যেন একক প্রার্থী চূড়ান্ত করে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে তাঁর পক্ষে কাজ করতে হবে।

মাঠপর্যায়ে এই দ্বন্দ্বের একটি বড় উদাহরণ দেখা গেছে ফেনী সদর উপজেলার মোটবী ইউনিয়নে। এই ইউনিয়নে দুই মেয়াদে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করা জেলা বিএনপির নেতা এম এ খালেককে সম্প্রতি ফেনী জেলা পরিষদের administrator বা প্রশাসক করা হয়েছে। তাঁর এই নতুন দায়িত্ব পাওয়ার পর মোটবী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে বিএনপির সমর্থন পেতে অন্তত নয়জন নেতা-কর্মী ও সমর্থক তৎপরতা চালাচ্ছেন।

এই নয়জন প্রার্থীর মধ্যে রয়েছেন ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক মীর মোশাররফ হোসেন (মানিক), সদস্যসচিব শাহ আলম, সাবেক সাধারণ সম্পাদক নিজামুদ্দিন, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ফখরুল ইসলাম (মাসুক), উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক দেলোয়ার হোসেন এবং ইউনিয়ন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক গোলাম মহিউদ্দিন ভূঁইয়া। এছাড়াও বিএনপি ঘরানার দুই প্রবাসী রহমান রাজু ও নুরুল আমিন এবং আবুল কালাম মজুমদারও এখানে প্রার্থী হতে আগ্রহী। এর মধ্যে রাজু ও নুরুল আমিন ইতিমধ্যেই এলাকায় শুভেচ্ছা জানিয়ে পোস্টার লাগিয়েছেন।