ঢাকা ০১:১৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নেপাল ও তিব্বত সীমান্তে নতুন বন্যার আশঙ্কায় বিশেষজ্ঞরা বড় পর্দায় ফিরছেন ‘স্কুইড গেম’ নির্মাতা, নতুন সিনেমার নাম ‘কে.ও. ক্লাব’ বিএনপিকে কড়া হুঁশিয়ারি দিলেন সারজিস আলম উদ্যোক্তাদের দ্রুত ভ্যাট নিবন্ধন সম্পন্ন করার আহ্বান এনবিআরের ফিফা সভাপতি ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে উয়েফা নেপালের বন্যায় নিশ্চিহ্ন গ্রাম, স্বজন হারালেন সাংবাদিক জিপিএ-৫ চূড়ান্ত অর্জন নয়, সামনে কঠিন পথ: ডাকসু জিএস ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশন যুক্তরাজ্যের ৩ বিমানবন্দরে সাইবার হামলা, হ্যাকারদের হাতে ৮৭ লাখ গ্রাহকের তথ্য রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে অভিনন্দন জানালেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিন

শিক্ষা বিনিময়ে বাংলাদেশ-চীন মেলবন্ধন শক্তিশালী হবে: মাহ্দী আমিন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৪৭:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬ ১ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে জনযোগাযোগ ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নে শিক্ষা বিনিময়কে প্রধান মাধ্যম হিসেবে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন। বুধবার (২৬ আগস্ট) স্থানীয় সময় বিকেলে চীনের গুয়াংঝৌর সাউথ চায়না নর্মাল ইউনিভার্সিটিতে আয়োজিত ‘চীন-বাংলাদেশ এডুকেশন এক্সচেঞ্জ সম্মেলন’-এ তিনি এ কথা বলেন। মাহ্দী আমিন বলেন, দুই দেশের মানুষের মধ্যে মেলবন্ধন বাড়াতে এডুকেশন এক্সচেঞ্জ সবচেয়ে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। তিনি প্রত্যাশা করেন, বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা যেমন চীনে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার সুযোগ পাবে, তেমনি চীনা শিক্ষার্থীরাও বাংলাদেশে এসে সামার স্কুল ও বিভিন্ন শিক্ষা কার্যক্রমে অংশ নেবে।

সম্মেলনের আগে বুধবার সকালে চীন-বাংলাদেশ শিক্ষা সহযোগিতাবিষয়ক একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে চীনে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার সুযোগ, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা, যৌথ গবেষণা এবং কারিগরি শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। মাহ্দী আমিন জানান, চীনে অধ্যয়নরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের সুযোগ-সুবিধা ও অ্যাকাডেমিক পরিবেশ বৃদ্ধির লক্ষ্যে চীনা প্রতিষ্ঠানগুলোর সাথে নিয়মিত সমন্বয় করা হচ্ছে। তিনি শুধু শিক্ষার্থী বিনিময়ে সীমাবদ্ধ না থেকে প্রযুক্তি হস্তান্তর ও যৌথ গবেষণার ওপর জোর দেন। বিশেষ করে চীনের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ল্যাব শেয়ারিং ও কারিগরি শিক্ষার অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের শিক্ষকদের প্রশিক্ষণে কাজে লাগানোর আহ্বান জানান তিনি।

এছাড়াও তিনি বাংলাদেশে চীনা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সহায়তায় ‘চীনা ভাষা কেন্দ্র’ গড়ে তোলার প্রস্তাব দেন, যা মানসম্মত শিক্ষক, সুসংগঠিত কোর্স, শিক্ষাসামগ্রী এবং প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা নিশ্চিত করবে। মাহ্দী আমিন চীনা সরকার ও বিশ্ববিদ্যালয় কর্মকর্তাদের বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান, যাতে তারা সরাসরি বাংলাদেশের শিক্ষা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে দীর্ঘমেয়াদী একাডেমিক ও প্রাতিষ্ঠানিক অংশীদারিত্বের সম্ভাবনা যাচাই করতে পারেন।

সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. দাউদ মিয়া উপস্থিত ছিলেন। চীনের পক্ষ থেকে গুয়াংডং প্রদেশের শিক্ষা বিভাগের প্রাদেশিক প্রধান পরিদর্শক জু শিমিন, এক্সচেঞ্জ অ্যান্ড কোঅপারেশন অফিসের উপ-পরিচালক ঝো লিউইউ, চীন-বাংলাদেশ শিক্ষা ও সংস্কৃতি সমিতির সহসভাপতি প্রকৌশলী শেখ কোরবান আলী, যুগ্ম-সম্পাদক ওয়াং পেং, পরামর্শক ঝেং পেংউ এবং সাউথ চায়না নর্মাল ইউনিভার্সিটির উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ইয়াং চেংওয়েইসহ বিভিন্ন শীর্ষস্থানীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন যৌথ গবেষণা, বৃত্তি, শিক্ষার্থী ও শিক্ষক বিনিময়, স্বল্পমেয়াদী প্রশিক্ষণ এবং যৌথ মাস্টার্স ও পিএইচডি প্রোগ্রামের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে দীর্ঘমেয়াদী সহযোগিতার ওপর জোর দেন। তিনি উভয় পক্ষের প্রতিষ্ঠানগুলোকে টেকসই একাডেমিক অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে উৎসাহিত করেন। চীন সরকারের আমন্ত্রণে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষাবিষয়ক বিভিন্ন আয়োজনে অংশ নিতে তিন দিনের সরকারি সফরে শিক্ষামন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বর্তমানে চীনে অবস্থান করছেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Ei Din

নিউজটি শেয়ার করুন

শিক্ষা বিনিময়ে বাংলাদেশ-চীন মেলবন্ধন শক্তিশালী হবে: মাহ্দী আমিন

আপডেট সময় : ০৭:৪৭:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬

বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে জনযোগাযোগ ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নে শিক্ষা বিনিময়কে প্রধান মাধ্যম হিসেবে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন। বুধবার (২৬ আগস্ট) স্থানীয় সময় বিকেলে চীনের গুয়াংঝৌর সাউথ চায়না নর্মাল ইউনিভার্সিটিতে আয়োজিত ‘চীন-বাংলাদেশ এডুকেশন এক্সচেঞ্জ সম্মেলন’-এ তিনি এ কথা বলেন। মাহ্দী আমিন বলেন, দুই দেশের মানুষের মধ্যে মেলবন্ধন বাড়াতে এডুকেশন এক্সচেঞ্জ সবচেয়ে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। তিনি প্রত্যাশা করেন, বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা যেমন চীনে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার সুযোগ পাবে, তেমনি চীনা শিক্ষার্থীরাও বাংলাদেশে এসে সামার স্কুল ও বিভিন্ন শিক্ষা কার্যক্রমে অংশ নেবে।

সম্মেলনের আগে বুধবার সকালে চীন-বাংলাদেশ শিক্ষা সহযোগিতাবিষয়ক একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে চীনে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার সুযোগ, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা, যৌথ গবেষণা এবং কারিগরি শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। মাহ্দী আমিন জানান, চীনে অধ্যয়নরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের সুযোগ-সুবিধা ও অ্যাকাডেমিক পরিবেশ বৃদ্ধির লক্ষ্যে চীনা প্রতিষ্ঠানগুলোর সাথে নিয়মিত সমন্বয় করা হচ্ছে। তিনি শুধু শিক্ষার্থী বিনিময়ে সীমাবদ্ধ না থেকে প্রযুক্তি হস্তান্তর ও যৌথ গবেষণার ওপর জোর দেন। বিশেষ করে চীনের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ল্যাব শেয়ারিং ও কারিগরি শিক্ষার অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের শিক্ষকদের প্রশিক্ষণে কাজে লাগানোর আহ্বান জানান তিনি।

এছাড়াও তিনি বাংলাদেশে চীনা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সহায়তায় ‘চীনা ভাষা কেন্দ্র’ গড়ে তোলার প্রস্তাব দেন, যা মানসম্মত শিক্ষক, সুসংগঠিত কোর্স, শিক্ষাসামগ্রী এবং প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা নিশ্চিত করবে। মাহ্দী আমিন চীনা সরকার ও বিশ্ববিদ্যালয় কর্মকর্তাদের বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান, যাতে তারা সরাসরি বাংলাদেশের শিক্ষা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে দীর্ঘমেয়াদী একাডেমিক ও প্রাতিষ্ঠানিক অংশীদারিত্বের সম্ভাবনা যাচাই করতে পারেন।

সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. দাউদ মিয়া উপস্থিত ছিলেন। চীনের পক্ষ থেকে গুয়াংডং প্রদেশের শিক্ষা বিভাগের প্রাদেশিক প্রধান পরিদর্শক জু শিমিন, এক্সচেঞ্জ অ্যান্ড কোঅপারেশন অফিসের উপ-পরিচালক ঝো লিউইউ, চীন-বাংলাদেশ শিক্ষা ও সংস্কৃতি সমিতির সহসভাপতি প্রকৌশলী শেখ কোরবান আলী, যুগ্ম-সম্পাদক ওয়াং পেং, পরামর্শক ঝেং পেংউ এবং সাউথ চায়না নর্মাল ইউনিভার্সিটির উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ইয়াং চেংওয়েইসহ বিভিন্ন শীর্ষস্থানীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন যৌথ গবেষণা, বৃত্তি, শিক্ষার্থী ও শিক্ষক বিনিময়, স্বল্পমেয়াদী প্রশিক্ষণ এবং যৌথ মাস্টার্স ও পিএইচডি প্রোগ্রামের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে দীর্ঘমেয়াদী সহযোগিতার ওপর জোর দেন। তিনি উভয় পক্ষের প্রতিষ্ঠানগুলোকে টেকসই একাডেমিক অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে উৎসাহিত করেন। চীন সরকারের আমন্ত্রণে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষাবিষয়ক বিভিন্ন আয়োজনে অংশ নিতে তিন দিনের সরকারি সফরে শিক্ষামন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বর্তমানে চীনে অবস্থান করছেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Ei Din