ঢাকা ০৭:০৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আজকের খেলার সূচি: আফগানিস্তান-জিম্বাবুয়ে ওয়ানডে ও ইউরোপীয় ফুটবলের লড়াই প্রেসিডেন্টস ট্রফিতে ফিরছেন মোহাম্মদ রিজওয়ান বাংলাদেশ নারী টি-টোয়েন্টি দলের নতুন অধিনায়ক নাহিদা আক্তার মহাষ্টমী ও কুমারী পূজার আয়োজনে মুখরিত দেশজুড়ে মণ্ডপগুলো মুন্সীগঞ্জ ডিসি অফিসে ৮০ কিলোওয়াটের সোলার প্যানেল স্থাপন কানাডার সামরিক ঘাঁটিতে বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ড, নিহত অন্তত ৭ বিচ্ছেদের পর প্রকৃতির সান্নিধ্যে শেহতাজ, ভাইরাল নতুন ছবি বগুড়ায় সৌরবিদ্যুৎ চালিত সেচ পাম্পে সাশ্রয়ের মুখ দেখছেন কৃষকরা কক্সবাজারে ৬ শতাধিক হোটেল-মোটেলের মধ্যে অনুমোদন আছে মাত্র ৫০টির আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ১৬ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করলেন বাবর আজম

মাগুরার শিশু আছিয়া হত্যা মামলা: হাইকোর্টের রায় মঙ্গলবার

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৭:৫৪:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬ ১৪ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বহুল আলোচিত মাগুরার আট বছরের শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় প্রধান আসামি হিটু শেখের ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের ওপর শুনানি শেষ হয়েছে। শুনানি শেষে আগামীকাল মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) রায়ের জন্য দিন ধার্য করেছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৪ আগস্ট) বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রায়ের এই দিন নির্ধারণ করেন। আদালতে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী হাফিজুর রহমান খান আসামি হিটু শেখের পক্ষে শুনানি করেন। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ইমাম হোসেন তারেক।

মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, গত বছরের ৫ মার্চ রাতে মাগুরা শহরের নিজনান্দুয়ালী এলাকায় বোনের বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হয় আট বছরের শিশু আছিয়া। অভিযোগ ওঠে, শিশুটির বোনের শ্বশুর হিটু শেখ তাকে ধর্ষণের পর হত্যার চেষ্টা চালান। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে চিকিৎসার জন্য ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছিয়ার মৃত্যু হয়। এই ঘটনায় শিশুটির মা বাদী হয়ে হিটু শেখসহ চারজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে।

এরপর ২০২৫ সালের ১৩ এপ্রিল পুলিশ এই মামলায় আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। একই বছরের ২৩ এপ্রিল অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচারিক কার্যক্রম শুরু হয়। ২৭ এপ্রিল থেকে ৭ মে পর্যন্ত চলে সাক্ষ্যগ্রহণ। মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে মোট ২৯ জন সাক্ষী আদালতে সাক্ষ্য দেন। মাত্র ১৩ কার্যদিবসের মধ্যে বিচারিক প্রক্রিয়া শেষ করে গত ১৩ মে মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন সম্পন্ন হয়। পরে ১৭ মে ট্রাইব্যুনালের বিচারক এম জাহিদ হাসান মামলার রায় ঘোষণা করেন।

ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী, কোনো আদালত আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিলে তা অনুমোদনের জন্য মামলার সমস্ত নথি উচ্চ আদালতে পাঠাতে হয়। সেই নিয়ম অনুযায়ী গত বছরের ২১ মে মামলার নথিপত্র হাইকোর্টে পাঠানো হয়। প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই শেষে পেপারবুক প্রস্তুতের জন্য তা বিজি প্রেসে পাঠানো হয়েছিল। পেপারবুক প্রস্তুত হওয়ার পর গত ৮ জুন তা হাইকোর্টে পৌঁছায় এবং মামলাটি শুনানির জন্য সংশ্লিষ্ট বেঞ্চের কার্যতালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়। সোমবার শুনানি শেষ হওয়ায় এখন মঙ্গলবার হাইকোর্টের রায়ের অপেক্ষায় রয়েছে আলোচিত এই মামলাটি।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin

নিউজটি শেয়ার করুন

মাগুরার শিশু আছিয়া হত্যা মামলা: হাইকোর্টের রায় মঙ্গলবার

আপডেট সময় : ০৭:৫৪:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬

বহুল আলোচিত মাগুরার আট বছরের শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় প্রধান আসামি হিটু শেখের ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের ওপর শুনানি শেষ হয়েছে। শুনানি শেষে আগামীকাল মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) রায়ের জন্য দিন ধার্য করেছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৪ আগস্ট) বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রায়ের এই দিন নির্ধারণ করেন। আদালতে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী হাফিজুর রহমান খান আসামি হিটু শেখের পক্ষে শুনানি করেন। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ইমাম হোসেন তারেক।

মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, গত বছরের ৫ মার্চ রাতে মাগুরা শহরের নিজনান্দুয়ালী এলাকায় বোনের বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হয় আট বছরের শিশু আছিয়া। অভিযোগ ওঠে, শিশুটির বোনের শ্বশুর হিটু শেখ তাকে ধর্ষণের পর হত্যার চেষ্টা চালান। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে চিকিৎসার জন্য ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছিয়ার মৃত্যু হয়। এই ঘটনায় শিশুটির মা বাদী হয়ে হিটু শেখসহ চারজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে।

এরপর ২০২৫ সালের ১৩ এপ্রিল পুলিশ এই মামলায় আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। একই বছরের ২৩ এপ্রিল অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচারিক কার্যক্রম শুরু হয়। ২৭ এপ্রিল থেকে ৭ মে পর্যন্ত চলে সাক্ষ্যগ্রহণ। মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে মোট ২৯ জন সাক্ষী আদালতে সাক্ষ্য দেন। মাত্র ১৩ কার্যদিবসের মধ্যে বিচারিক প্রক্রিয়া শেষ করে গত ১৩ মে মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন সম্পন্ন হয়। পরে ১৭ মে ট্রাইব্যুনালের বিচারক এম জাহিদ হাসান মামলার রায় ঘোষণা করেন।

ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী, কোনো আদালত আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিলে তা অনুমোদনের জন্য মামলার সমস্ত নথি উচ্চ আদালতে পাঠাতে হয়। সেই নিয়ম অনুযায়ী গত বছরের ২১ মে মামলার নথিপত্র হাইকোর্টে পাঠানো হয়। প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই শেষে পেপারবুক প্রস্তুতের জন্য তা বিজি প্রেসে পাঠানো হয়েছিল। পেপারবুক প্রস্তুত হওয়ার পর গত ৮ জুন তা হাইকোর্টে পৌঁছায় এবং মামলাটি শুনানির জন্য সংশ্লিষ্ট বেঞ্চের কার্যতালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়। সোমবার শুনানি শেষ হওয়ায় এখন মঙ্গলবার হাইকোর্টের রায়ের অপেক্ষায় রয়েছে আলোচিত এই মামলাটি।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin