ঢাকা ০৪:৫৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বিচ্ছেদের পর প্রকৃতির সান্নিধ্যে শেহতাজ, ভাইরাল নতুন ছবি বগুড়ায় সৌরবিদ্যুৎ চালিত সেচ পাম্পে সাশ্রয়ের মুখ দেখছেন কৃষকরা কক্সবাজারে ৬ শতাধিক হোটেল-মোটেলের মধ্যে অনুমোদন আছে মাত্র ৫০টির আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ১৬ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করলেন বাবর আজম ইশরাকের পদত্যাগের খবর ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত: প্রেস কর্মকর্তা আবাসন ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধিতে ইউরোপজুড়ে তীব্র ক্ষোভ, ছড়াচ্ছে বিক্ষোভ দুর্গাপূজা নিয়ে জামায়াত-শিবির-এনসিপি চক্রান্ত করছে: ছাত্রদল সাধারণ সম্পাদক ট্রাম্পের আহ্বানের মধ্যেও রাশিয়ায় ইউক্রেনের বড় ড্রোন হামলা, নিহত ১ লালমোহনে মা ইলিশ রক্ষা অভিযানে জাল জব্দ, বিতরণে এতিমখানা মুম্বাইয়ে ফুটবল খেলে ফেরার পথে টাইগার শ্রফকে লক্ষ্য করে গুলি

কক্সবাজারে ৬ শতাধিক হোটেল-মোটেলের মধ্যে অনুমোদন আছে মাত্র ৫০টির

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৪:১০:০৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬ ৮ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কক্সবাজার পর্যটন এলাকায় ব্যাঙের ছাতার মতো গড়ে ওঠা হোটেল, মোটেল ও রিসোর্টগুলোর বেশিরভাগই চলছে কোনো ধরনের ফায়ার লাইসেন্স বা পরিবেশগত ছাড়পত্র ছাড়াই। জেলা প্রশাসন, ফায়ার সার্ভিস, পরিবেশ অধিদপ্তর ও হোটেল-মোটেল মালিক সমিতির তথ্যানুযায়ী, জেলা শহর, রামুর পেঁচারদ্বীপ এবং উখিয়ার ইনানিসহ আশপাশের এলাকায় ছোট-বড় মিলিয়ে প্রায় ৬ শতাধিক হোটেল, মোটেল, রিসোর্ট, কটেজ ও রেস্তরাঁ রয়েছে। এর মধ্যে মাত্র ৫০টি প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও পরিবেশ ছাড়পত্র রয়েছে বলে জানা গেছে।

ইনানির পাটুয়ারটেকে টুপটুপ রেস্তরাঁ অ্যান্ড রিসোর্টে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১০ জন নিহতের ঘটনার পর বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। দুর্ঘটনার শিকার ওই রিসোর্টটিরও কোনো অনুমোদন ছিল না। অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানই শুধুমাত্র পৌরসভা বা ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ট্রেড লাইসেন্স সংগ্রহ করেই ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে।

কক্সবাজার হোটেল-মোটেল মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কাশেম জানান, অধিকাংশ রিসোর্ট ও কটেজের অনুমোদন না থাকায় এবং নিয়মনীতি না মানায় সেগুলোকে সমিতির অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। তবে তার নেতৃত্বাধীন সমিতিভুক্ত হোটেলগুলোর বৈধ অনুমোদন রয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের কক্সবাজারের উপ-পরিচালক সৈয়দ মুহাম্মদ মোরশেদ জানান, যত্রতত্র গড়ে ওঠা এসব প্রতিষ্ঠানের সঠিক পরিসংখ্যান কারো কাছে নেই। চলতি বছরে মাত্র ৫০টি হোটেল লাইসেন্স নবায়ন করেছে এবং সর্বোচ্চ ১০০টি আবেদন জমা পড়েছে। নিয়ম না মানায় অধিকাংশকেই নোটিশ পাঠানো হয়েছে। পাটুয়ারটেকে অগ্নিকাণ্ডের শিকার রিসোর্টটিকেও আগে দুবার সতর্ক করা হয়েছিল।

পরিবেশ অধিদপ্তরের কক্সবাজারের উপ-পরিচালক খন্দকার মাহমুদ মোর্শেদ জানান, সুয়ারেজ ব্যবস্থার অভাব ও ছাড়পত্র না থাকায় গত এক বছরে ৫৮টি প্রতিষ্ঠানকে প্রায় দেড় কোটি টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়া প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন (ইসিএ) এলাকার শতাধিক হোটেলের বিরুদ্ধে ২৮টি মামলা হয়েছে।

জেলা প্রশাসক মো. আবদুল মান্নান জানিয়েছেন, অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের অনুমোদন না থাকার বিষয়টি আমলে নিয়ে ফায়ার সার্ভিস, পরিবেশ অধিদপ্তর, পর্যটন করপোরেশন, কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ও জেলা প্রশাসনের সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে। বর্তমানে দুই শতাধিক প্রতিষ্ঠান অনুমোদনের জন্য আবেদন করেছে, যার মধ্যে মাত্র ৫০টির কাগজপত্র সঠিক থাকায় অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

কক্সবাজারে ৬ শতাধিক হোটেল-মোটেলের মধ্যে অনুমোদন আছে মাত্র ৫০টির

আপডেট সময় : ০৪:১০:০৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

কক্সবাজার পর্যটন এলাকায় ব্যাঙের ছাতার মতো গড়ে ওঠা হোটেল, মোটেল ও রিসোর্টগুলোর বেশিরভাগই চলছে কোনো ধরনের ফায়ার লাইসেন্স বা পরিবেশগত ছাড়পত্র ছাড়াই। জেলা প্রশাসন, ফায়ার সার্ভিস, পরিবেশ অধিদপ্তর ও হোটেল-মোটেল মালিক সমিতির তথ্যানুযায়ী, জেলা শহর, রামুর পেঁচারদ্বীপ এবং উখিয়ার ইনানিসহ আশপাশের এলাকায় ছোট-বড় মিলিয়ে প্রায় ৬ শতাধিক হোটেল, মোটেল, রিসোর্ট, কটেজ ও রেস্তরাঁ রয়েছে। এর মধ্যে মাত্র ৫০টি প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও পরিবেশ ছাড়পত্র রয়েছে বলে জানা গেছে।

ইনানির পাটুয়ারটেকে টুপটুপ রেস্তরাঁ অ্যান্ড রিসোর্টে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১০ জন নিহতের ঘটনার পর বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। দুর্ঘটনার শিকার ওই রিসোর্টটিরও কোনো অনুমোদন ছিল না। অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানই শুধুমাত্র পৌরসভা বা ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ট্রেড লাইসেন্স সংগ্রহ করেই ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে।

কক্সবাজার হোটেল-মোটেল মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কাশেম জানান, অধিকাংশ রিসোর্ট ও কটেজের অনুমোদন না থাকায় এবং নিয়মনীতি না মানায় সেগুলোকে সমিতির অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। তবে তার নেতৃত্বাধীন সমিতিভুক্ত হোটেলগুলোর বৈধ অনুমোদন রয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের কক্সবাজারের উপ-পরিচালক সৈয়দ মুহাম্মদ মোরশেদ জানান, যত্রতত্র গড়ে ওঠা এসব প্রতিষ্ঠানের সঠিক পরিসংখ্যান কারো কাছে নেই। চলতি বছরে মাত্র ৫০টি হোটেল লাইসেন্স নবায়ন করেছে এবং সর্বোচ্চ ১০০টি আবেদন জমা পড়েছে। নিয়ম না মানায় অধিকাংশকেই নোটিশ পাঠানো হয়েছে। পাটুয়ারটেকে অগ্নিকাণ্ডের শিকার রিসোর্টটিকেও আগে দুবার সতর্ক করা হয়েছিল।

পরিবেশ অধিদপ্তরের কক্সবাজারের উপ-পরিচালক খন্দকার মাহমুদ মোর্শেদ জানান, সুয়ারেজ ব্যবস্থার অভাব ও ছাড়পত্র না থাকায় গত এক বছরে ৫৮টি প্রতিষ্ঠানকে প্রায় দেড় কোটি টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়া প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন (ইসিএ) এলাকার শতাধিক হোটেলের বিরুদ্ধে ২৮টি মামলা হয়েছে।

জেলা প্রশাসক মো. আবদুল মান্নান জানিয়েছেন, অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের অনুমোদন না থাকার বিষয়টি আমলে নিয়ে ফায়ার সার্ভিস, পরিবেশ অধিদপ্তর, পর্যটন করপোরেশন, কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ও জেলা প্রশাসনের সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে। বর্তমানে দুই শতাধিক প্রতিষ্ঠান অনুমোদনের জন্য আবেদন করেছে, যার মধ্যে মাত্র ৫০টির কাগজপত্র সঠিক থাকায় অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin