ঢাকা ০৫:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বোয়ালখালীর ছন্দারিয়া খাল থেকে ভ্যানচালক সালাউদ্দিনের মরদেহ উদ্ধার কুড়িগ্রামসহ তিন জেলার দায়িত্বে এলেন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম নেপালে বন্যায় প্রাণহানি ৫৪৭, মর্গ উপচে পড়ায় বিকল্প ভবনে রাখা হচ্ছে লাশ গুরুদাসপুরে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় মামলা, আসামি ২৫০ নর্দার্ন টেরিটোরিকে হারিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে বাংলাদেশ এইচপি সোনিয়া গান্ধীর স্মৃতিকথা প্রকাশে পেঙ্গুইনের অনীহা ও নতুন সম্ভাবনা সরকার ফ্যাসিজমের দিকে এগোচ্ছে, জুলাই সনদ মানছে না: গোলাম পরওয়ার গোবিপ্রবিতে দুই দিনব্যাপী ইন্টারডিসিপ্লিনারি সামিট শুরু ‘রাস্তায় খুন’ গান পোস্টের দুই ঘণ্টা পরই গুলিতে নিহত গায়ক অঙ্কিত প্রেমভিত্তিক নাটক-সিনেমা বন্ধের আইনি নোটিশে বিনোদন অঙ্গনের প্রতিবাদ

রাকসুর তহবিলের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, ছাত্রদলের বিক্ষোভ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:২৮:৩৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) তহবিলের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন মার্কেট থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি বের হয়ে ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। মিছিল শেষে প্রশাসন ভবনের সামনে একটি সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে শাখা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মাহমুদুল হাসান মিঠু রাকসু ভিপিকে উদ্দেশ্য করে বলেন, রাকসুর ভিপি ১২-১৩ হাজার ভোট না পেয়েও তেরো লক্ষ টাকা উত্তোলন করেছেন। তিনি আট লক্ষ টাকা বেশি দেখিয়েছেন এবং তাকে এই হিসাব দিতে হবে। তিনি আরও বলেন, কাজ শেষে গোঁজামিল দিয়ে হিসাব মেলানো সম্ভব হলেও, বিরিয়ানি খাইয়ে ভোট পাওয়ার আমানত রক্ষা করা সম্ভব নয়। একই সাথে রাকসু জিএস সালাহউদ্দিন আম্মারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ২০২৪-২০২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত না করার উদ্যোগ নিয়ে তিনি শিক্ষার্থীদের ফি ব্যবহার করছেন, যা লজ্জাজনক।

শাখা ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি শাকিলুর রহমান সোহাগ রাকসুর কোষাধ্যক্ষ সেতাউর রহমানকে ‘আলিবাবা’র সাথে তুলনা করে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে ১০ জন চোর ধরা পড়েছে, যার মধ্যে প্রধান সালাহউদ্দিন আম্মার। বাকি ৩০ জন চোর ছাত্রশিবিরের মাঝে লুকিয়ে আছে এবং তারা রাকসুর টাকা দিয়ে অনৈতিক কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন।

শাখা ছাত্রদলের সভাপতি সুলতান আহমেদ রাহী রাকসু নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি অভিযোগ করেন, রাকসুতে বসে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত টাকা চুরির চক্রান্ত করা হয়। খরচের অনিয়ম তুলে ধরে তিনি জানান, ছাত্রদল বিশ্বকাপ খেলা দেখাতে এলইডি স্ক্রিনে ৫০ হাজার টাকা খরচ করলেও, রাকসু একই কাজে ৩ লাখ ৮০ হাজার টাকা খরচ দেখিয়েছে। এছাড়া একটি বুথ তৈরিতে দেড় হাজার টাকার স্থলে ৩ লাখ টাকা খরচের হিসাব দেখানো হয়েছে। তিনি অনতিবিলম্বে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে তদন্ত কমিটি গঠন করে আত্মসাৎকৃত অর্থ উদ্ধারের দাবি জানান।

উল্লেখ্য যে, রাকসুর কোষাধ্যক্ষের কার্যালয় থেকে ৪২টি কর্মসূচির বিপরীতে মোট ১ কোটি ২৯ লাখ ১৪ হাজার ৬৮৯ টাকা উত্তোলন করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৬১ লাখ ৫০ হাজার ৪৬৮ টাকার কোনো বৈধ বিল-ভাউচার পাওয়া যায়নি।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin

নিউজটি শেয়ার করুন

রাকসুর তহবিলের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, ছাত্রদলের বিক্ষোভ

আপডেট সময় : ০১:২৮:৩৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) তহবিলের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন মার্কেট থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি বের হয়ে ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। মিছিল শেষে প্রশাসন ভবনের সামনে একটি সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে শাখা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মাহমুদুল হাসান মিঠু রাকসু ভিপিকে উদ্দেশ্য করে বলেন, রাকসুর ভিপি ১২-১৩ হাজার ভোট না পেয়েও তেরো লক্ষ টাকা উত্তোলন করেছেন। তিনি আট লক্ষ টাকা বেশি দেখিয়েছেন এবং তাকে এই হিসাব দিতে হবে। তিনি আরও বলেন, কাজ শেষে গোঁজামিল দিয়ে হিসাব মেলানো সম্ভব হলেও, বিরিয়ানি খাইয়ে ভোট পাওয়ার আমানত রক্ষা করা সম্ভব নয়। একই সাথে রাকসু জিএস সালাহউদ্দিন আম্মারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ২০২৪-২০২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত না করার উদ্যোগ নিয়ে তিনি শিক্ষার্থীদের ফি ব্যবহার করছেন, যা লজ্জাজনক।

শাখা ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি শাকিলুর রহমান সোহাগ রাকসুর কোষাধ্যক্ষ সেতাউর রহমানকে ‘আলিবাবা’র সাথে তুলনা করে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে ১০ জন চোর ধরা পড়েছে, যার মধ্যে প্রধান সালাহউদ্দিন আম্মার। বাকি ৩০ জন চোর ছাত্রশিবিরের মাঝে লুকিয়ে আছে এবং তারা রাকসুর টাকা দিয়ে অনৈতিক কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন।

শাখা ছাত্রদলের সভাপতি সুলতান আহমেদ রাহী রাকসু নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি অভিযোগ করেন, রাকসুতে বসে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত টাকা চুরির চক্রান্ত করা হয়। খরচের অনিয়ম তুলে ধরে তিনি জানান, ছাত্রদল বিশ্বকাপ খেলা দেখাতে এলইডি স্ক্রিনে ৫০ হাজার টাকা খরচ করলেও, রাকসু একই কাজে ৩ লাখ ৮০ হাজার টাকা খরচ দেখিয়েছে। এছাড়া একটি বুথ তৈরিতে দেড় হাজার টাকার স্থলে ৩ লাখ টাকা খরচের হিসাব দেখানো হয়েছে। তিনি অনতিবিলম্বে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে তদন্ত কমিটি গঠন করে আত্মসাৎকৃত অর্থ উদ্ধারের দাবি জানান।

উল্লেখ্য যে, রাকসুর কোষাধ্যক্ষের কার্যালয় থেকে ৪২টি কর্মসূচির বিপরীতে মোট ১ কোটি ২৯ লাখ ১৪ হাজার ৬৮৯ টাকা উত্তোলন করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৬১ লাখ ৫০ হাজার ৪৬৮ টাকার কোনো বৈধ বিল-ভাউচার পাওয়া যায়নি।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin