ঢাকা ০১:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নারায়ণগঞ্জের আমলাপাড়ায় ‘মা’ থিমে সেজেছে দুর্গাপূজা মণ্ডপ ধীরে ধীরে মৃত্যু বরণ না করে জীবনকে উপভোগ করার আহ্বান সাংবাদিক আলিফ হত্যার বিচার দাবিতে নাটোরে সাংবাদিকদের মানববন্ধন ওসমানী উদ্যানে ৯০ ফুট উঁচু জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী সংবিধান সংশোধন প্রক্রিয়ায় বিরোধী দলের অসহযোগিতার অভিযোগ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বেড়েছে ডলারের দাম, সোমবারের বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর পদ ছাড়ছেন ইশরাক হোসেন শারদীয় দুর্গাপূজায় টানা ৫ দিন বন্ধ ব্যাংক ও শেয়ারবাজার দুর্গাপূজায় টানা ৫ দিন বন্ধ ব্যাংক ও শেয়ারবাজার শারদীয় দুর্গাপূজায় টানা ৫ দিন বন্ধ ব্যাংক ও শেয়ারবাজার

রাকসুর তহবিলের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, ছাত্রদলের বিক্ষোভ

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০১:২৮:৩৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬ ২০ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) তহবিলের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন মার্কেট থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি বের হয়ে ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। মিছিল শেষে প্রশাসন ভবনের সামনে একটি সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে শাখা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মাহমুদুল হাসান মিঠু রাকসু ভিপিকে উদ্দেশ্য করে বলেন, রাকসুর ভিপি ১২-১৩ হাজার ভোট না পেয়েও তেরো লক্ষ টাকা উত্তোলন করেছেন। তিনি আট লক্ষ টাকা বেশি দেখিয়েছেন এবং তাকে এই হিসাব দিতে হবে। তিনি আরও বলেন, কাজ শেষে গোঁজামিল দিয়ে হিসাব মেলানো সম্ভব হলেও, বিরিয়ানি খাইয়ে ভোট পাওয়ার আমানত রক্ষা করা সম্ভব নয়। একই সাথে রাকসু জিএস সালাহউদ্দিন আম্মারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ২০২৪-২০২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত না করার উদ্যোগ নিয়ে তিনি শিক্ষার্থীদের ফি ব্যবহার করছেন, যা লজ্জাজনক।

শাখা ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি শাকিলুর রহমান সোহাগ রাকসুর কোষাধ্যক্ষ সেতাউর রহমানকে ‘আলিবাবা’র সাথে তুলনা করে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে ১০ জন চোর ধরা পড়েছে, যার মধ্যে প্রধান সালাহউদ্দিন আম্মার। বাকি ৩০ জন চোর ছাত্রশিবিরের মাঝে লুকিয়ে আছে এবং তারা রাকসুর টাকা দিয়ে অনৈতিক কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন।

শাখা ছাত্রদলের সভাপতি সুলতান আহমেদ রাহী রাকসু নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি অভিযোগ করেন, রাকসুতে বসে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত টাকা চুরির চক্রান্ত করা হয়। খরচের অনিয়ম তুলে ধরে তিনি জানান, ছাত্রদল বিশ্বকাপ খেলা দেখাতে এলইডি স্ক্রিনে ৫০ হাজার টাকা খরচ করলেও, রাকসু একই কাজে ৩ লাখ ৮০ হাজার টাকা খরচ দেখিয়েছে। এছাড়া একটি বুথ তৈরিতে দেড় হাজার টাকার স্থলে ৩ লাখ টাকা খরচের হিসাব দেখানো হয়েছে। তিনি অনতিবিলম্বে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে তদন্ত কমিটি গঠন করে আত্মসাৎকৃত অর্থ উদ্ধারের দাবি জানান।

উল্লেখ্য যে, রাকসুর কোষাধ্যক্ষের কার্যালয় থেকে ৪২টি কর্মসূচির বিপরীতে মোট ১ কোটি ২৯ লাখ ১৪ হাজার ৬৮৯ টাকা উত্তোলন করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৬১ লাখ ৫০ হাজার ৪৬৮ টাকার কোনো বৈধ বিল-ভাউচার পাওয়া যায়নি।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin

নিউজটি শেয়ার করুন

রাকসুর তহবিলের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, ছাত্রদলের বিক্ষোভ

আপডেট সময় : ০১:২৮:৩৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) তহবিলের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন মার্কেট থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি বের হয়ে ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। মিছিল শেষে প্রশাসন ভবনের সামনে একটি সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে শাখা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মাহমুদুল হাসান মিঠু রাকসু ভিপিকে উদ্দেশ্য করে বলেন, রাকসুর ভিপি ১২-১৩ হাজার ভোট না পেয়েও তেরো লক্ষ টাকা উত্তোলন করেছেন। তিনি আট লক্ষ টাকা বেশি দেখিয়েছেন এবং তাকে এই হিসাব দিতে হবে। তিনি আরও বলেন, কাজ শেষে গোঁজামিল দিয়ে হিসাব মেলানো সম্ভব হলেও, বিরিয়ানি খাইয়ে ভোট পাওয়ার আমানত রক্ষা করা সম্ভব নয়। একই সাথে রাকসু জিএস সালাহউদ্দিন আম্মারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ২০২৪-২০২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত না করার উদ্যোগ নিয়ে তিনি শিক্ষার্থীদের ফি ব্যবহার করছেন, যা লজ্জাজনক।

শাখা ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি শাকিলুর রহমান সোহাগ রাকসুর কোষাধ্যক্ষ সেতাউর রহমানকে ‘আলিবাবা’র সাথে তুলনা করে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে ১০ জন চোর ধরা পড়েছে, যার মধ্যে প্রধান সালাহউদ্দিন আম্মার। বাকি ৩০ জন চোর ছাত্রশিবিরের মাঝে লুকিয়ে আছে এবং তারা রাকসুর টাকা দিয়ে অনৈতিক কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন।

শাখা ছাত্রদলের সভাপতি সুলতান আহমেদ রাহী রাকসু নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি অভিযোগ করেন, রাকসুতে বসে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত টাকা চুরির চক্রান্ত করা হয়। খরচের অনিয়ম তুলে ধরে তিনি জানান, ছাত্রদল বিশ্বকাপ খেলা দেখাতে এলইডি স্ক্রিনে ৫০ হাজার টাকা খরচ করলেও, রাকসু একই কাজে ৩ লাখ ৮০ হাজার টাকা খরচ দেখিয়েছে। এছাড়া একটি বুথ তৈরিতে দেড় হাজার টাকার স্থলে ৩ লাখ টাকা খরচের হিসাব দেখানো হয়েছে। তিনি অনতিবিলম্বে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে তদন্ত কমিটি গঠন করে আত্মসাৎকৃত অর্থ উদ্ধারের দাবি জানান।

উল্লেখ্য যে, রাকসুর কোষাধ্যক্ষের কার্যালয় থেকে ৪২টি কর্মসূচির বিপরীতে মোট ১ কোটি ২৯ লাখ ১৪ হাজার ৬৮৯ টাকা উত্তোলন করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৬১ লাখ ৫০ হাজার ৪৬৮ টাকার কোনো বৈধ বিল-ভাউচার পাওয়া যায়নি।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin