নাটোরে জমি নিয়ে বিরোধ: পুকুরে বিষ ও ৪০০ কলাগাছ কাটার অভিযোগ
- আপডেট সময় : ০৩:১৬:৩১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে

নাটোরে আদালতের রায়ে জমি না পেয়ে ক্ষোভে পুকুরে বিষ দিয়ে মাছ নিধন এবং চার শতাধিক কলাগাছ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। বড়াইগ্রাম ও পার গোপালপুর গ্রামে প্রকাশ্য দিবালোকে এ ঘটনা ঘটে। এতে ভুক্তভোগীদের কমপক্ষে ছয় লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। এই ঘটনার প্রতিকার চেয়ে গত মঙ্গলবার থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চকগোলাপপুর গ্রামের মৃত আব্দুল হামিদের ছোট ছেলে শাহ আলম তার পরিবারের অংশীদারদের না জানিয়ে গোপনে পারিবারিক পুকুরের একাংশের ৯ দশমিক ৬৫ শতাংশ জমি বড়াইগ্রামের জোনাইল ইউনিয়নের চামটা গ্রামের আব্দুল জাব্বারের কাছে বিক্রি করেন। পরবর্তীতে শাহ আলমের সহোদর ভাই সাইদুল ইসলাম বিষয়টি জানতে পেরে জমিটি ফেরত পাওয়ার আশায় আদালতে একটি প্রিয়েমশন মামলা দায়ের করেন। সম্প্রতি আদালতের রায়ে তিনি মামলাটিতে জয়ী হন এবং জমি ফেরত পান।
আদালতের আদেশ বাস্তবায়ন ও জমি বুঝে পাওয়ার প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে সাইদুল ইসলাম ও তার পরিবার আদালতে ৩ লাখ টাকা জমা দেন। কিন্তু জমির ক্রেতা আব্দুল জাব্বার সেই টাকা ফেরত না নিয়ে ক্ষুব্ধ হন। অভিযোগ উঠেছে, গত সোমবার বিকেলে আব্দুল জাব্বার দলবল নিয়ে সেখানে যান এবং প্রকাশ্য দিবালোকে পুকুরের পাড়ে লাগানো চার শতাধিক কলাগাছ কেটে ফেলেন। একই সঙ্গে তারা পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে সব মাছ মেরে ফেলেন। এতে সাইদুল ইসলাম ও তার ভাইদের প্রায় ছয় লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে।
তবে অভিযুক্ত আব্দুল জাব্বার তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। পাল্টা দাবি করে তিনি বলেন, তাকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর উদ্দেশ্যে সাইদুল ইসলামরা নিজেরাই নিজেদের কলাগাছ কেটেছেন এবং পুকুরে বিষ দিয়ে মাছ মারার নাটক সাজিয়েছেন।
এ বিষয়ে চাটমোহর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওলিউর রহমান জানান, অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তদন্তসাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।



























