ঢাকা ০৪:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
হামের উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ জনের মৃত্যু স্থানীয় সরকার নির্বাচন: আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে সমন্বয় সেল গঠন সৌদির আরামকো তেল শোধনাগারে ইয়েমেনি বাহিনীর ড্রোন হামলা মহাসড়কে থ্রি হুইলার চলাচলে কঠোর নিষেধাজ্ঞা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইয়েমেনে হুতিদের বিরুদ্ধে ২৪ ঘণ্টায় ১৩৩টি সামরিক অভিযান রাঙ্গামাটিতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে মাদকসেবী ও ওয়ারেন্টভুক্ত ২৬ জন গ্রেফতার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা অংশে ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ যানজট মামলা থাকলে মিলবে না বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রণোদনা ও নীতি সহায়তা ইউক্রেনের খারকিভে রাশিয়ার রকেট হামলায় নিহত ১০ আখাউড়ায় কেল্লা শহীদ মাজারের দানবাক্সে মিলল ৩ কোটি ৩ লাখ টাকা

মোংলা বন্দরকে পূর্ণাঙ্গ শিল্প হাবে রূপান্তরের পরিকল্পনা সরকারের

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:২১:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬ ০ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বন্দরকে আধুনিক, বিশ্বমানের ও ব্যবসাবান্ধব করে গড়ে তোলার পাশাপাশি মোংলা বন্দরকে কেন্দ্র করে দক্ষিণাঞ্চলে একটি জাতীয় অর্থনৈতিক হাব তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। সোমবার সন্ধ্যায় খুলনার হোটেল সিটি ইনে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ আয়োজিত অংশীজন সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। একই স্থানে বিকেলে বন্দর ব্যবহারকারীদের সঙ্গে মন্ত্রীর একটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

মন্ত্রী বলেন, মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বাড়াতে নতুন জেটি নির্মাণ, রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল বা ইপিজেড স্থাপন, কোল্ড স্টোরেজ ও শিল্প অবকাঠামো নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বন্দরের অদূরে আকরাম পয়েন্টে এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের পরিকল্পনাও সরকারের রয়েছে। এসব প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে মোংলা বন্দর কেবল একটি বন্দর হিসেবে সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং একটি পূর্ণাঙ্গ শিল্প হাবে পরিণত হবে। এর ফলে দক্ষিণাঞ্চলে ব্যবসা-বাণিজ্য ও কর্মসংস্থানের ব্যাপক সুযোগ তৈরি হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

বন্দর ব্যবহারকারীদের পক্ষ থেকে চ্যানেলের গভীরতা বা ড্রাফট বজায় রাখার বিষয়ে উদ্বেগ জানানো হলে মন্ত্রী বলেন, বন্দরের নাব্যতা রক্ষায় নিয়মিত ড্রেজিং করার দায়িত্ব তিনি নিচ্ছেন। এছাড়া বন্দরের বিদ্যমান সমস্যাগুলো চিহ্নিত করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতায় আগামী এক মাসের মধ্যে তা সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে। বন্দরের কার্যক্রমে গতি আনতে মন্ত্রণালয় সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।

কাস্টমসের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও সেবা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, সরকারি দপ্তরকে ব্যক্তিগত রাজত্বে পরিণত করা যাবে না। কাস্টমস কর্তৃপক্ষকে ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। নীলকরদের মতো করে কাস্টমস পরিচালনা করা চলবে না। বন্দরকেন্দ্রিক সমন্বিত অবকাঠামো যেমন অর্থনৈতিক অঞ্চল, বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র, সেতু ও নৌপথের উন্নয়ন করা গেলে দক্ষিণাঞ্চলের অর্থনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে।

এর আগে রোববার, ১৬ আগস্ট, মন্ত্রী মোংলা বন্দরের অদূরে আকরাম পয়েন্ট পরিদর্শন করেন। সেখানে এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের সম্ভাব্যতা ও বন্দরের স্থাপনাগুলো সরেজমিনে দেখার পাশাপাশি তিনি প্রয়োজনীয় ড্রেজিংয়ের বিষয়টি পর্যালোচনা করেন। সভায় মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল আরিফ আহমেদ মোস্তফা স্বাগত বক্তব্য দেন। এছাড়া বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী প্রতিনিধি ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় বন্দরের বার্ষিক পরিসংখ্যান ও বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের ওপর পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন হারবার মাস্টার ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল আরিফ আহমেদম মোস্তফা স্বাগত বক্তব্য দেন। এছাড়া খুলনা-২ আসনের সংসদ সদস্য শেখ জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলাল, খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এস এম শফিকুল আলম, খুলনা মহানগর পুলিশ কমিশনার মো. সাজ্জাদুর রহমান, খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি মো. মোস্তাফিজুর রহমান, জেলা প্রশাসক

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

মোংলা বন্দরকে পূর্ণাঙ্গ শিল্প হাবে রূপান্তরের পরিকল্পনা সরকারের

আপডেট সময় : ০৩:২১:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬

বন্দরকে আধুনিক, বিশ্বমানের ও ব্যবসাবান্ধব করে গড়ে তোলার পাশাপাশি মোংলা বন্দরকে কেন্দ্র করে দক্ষিণাঞ্চলে একটি জাতীয় অর্থনৈতিক হাব তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। সোমবার সন্ধ্যায় খুলনার হোটেল সিটি ইনে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ আয়োজিত অংশীজন সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। একই স্থানে বিকেলে বন্দর ব্যবহারকারীদের সঙ্গে মন্ত্রীর একটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

মন্ত্রী বলেন, মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বাড়াতে নতুন জেটি নির্মাণ, রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল বা ইপিজেড স্থাপন, কোল্ড স্টোরেজ ও শিল্প অবকাঠামো নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বন্দরের অদূরে আকরাম পয়েন্টে এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের পরিকল্পনাও সরকারের রয়েছে। এসব প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে মোংলা বন্দর কেবল একটি বন্দর হিসেবে সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং একটি পূর্ণাঙ্গ শিল্প হাবে পরিণত হবে। এর ফলে দক্ষিণাঞ্চলে ব্যবসা-বাণিজ্য ও কর্মসংস্থানের ব্যাপক সুযোগ তৈরি হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

বন্দর ব্যবহারকারীদের পক্ষ থেকে চ্যানেলের গভীরতা বা ড্রাফট বজায় রাখার বিষয়ে উদ্বেগ জানানো হলে মন্ত্রী বলেন, বন্দরের নাব্যতা রক্ষায় নিয়মিত ড্রেজিং করার দায়িত্ব তিনি নিচ্ছেন। এছাড়া বন্দরের বিদ্যমান সমস্যাগুলো চিহ্নিত করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতায় আগামী এক মাসের মধ্যে তা সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে। বন্দরের কার্যক্রমে গতি আনতে মন্ত্রণালয় সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।

কাস্টমসের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও সেবা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, সরকারি দপ্তরকে ব্যক্তিগত রাজত্বে পরিণত করা যাবে না। কাস্টমস কর্তৃপক্ষকে ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। নীলকরদের মতো করে কাস্টমস পরিচালনা করা চলবে না। বন্দরকেন্দ্রিক সমন্বিত অবকাঠামো যেমন অর্থনৈতিক অঞ্চল, বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র, সেতু ও নৌপথের উন্নয়ন করা গেলে দক্ষিণাঞ্চলের অর্থনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে।

এর আগে রোববার, ১৬ আগস্ট, মন্ত্রী মোংলা বন্দরের অদূরে আকরাম পয়েন্ট পরিদর্শন করেন। সেখানে এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের সম্ভাব্যতা ও বন্দরের স্থাপনাগুলো সরেজমিনে দেখার পাশাপাশি তিনি প্রয়োজনীয় ড্রেজিংয়ের বিষয়টি পর্যালোচনা করেন। সভায় মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল আরিফ আহমেদ মোস্তফা স্বাগত বক্তব্য দেন। এছাড়া বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী প্রতিনিধি ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় বন্দরের বার্ষিক পরিসংখ্যান ও বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের ওপর পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন হারবার মাস্টার ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল আরিফ আহমেদম মোস্তফা স্বাগত বক্তব্য দেন। এছাড়া খুলনা-২ আসনের সংসদ সদস্য শেখ জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলাল, খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এস এম শফিকুল আলম, খুলনা মহানগর পুলিশ কমিশনার মো. সাজ্জাদুর রহমান, খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি মো. মোস্তাফিজুর রহমান, জেলা প্রশাসক

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh