ঢাকা ০২:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দুর্ঘটনা না ঘটলে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে: জ্বালানি মন্ত্রী নিজেদের চাঁদাবাজদের সামলাবেন কি, প্রশ্ন জামায়াত আমীরের রাজশাহীতে মুদি দোকানিকে কুপিয়ে হত্যা, দোকানে পেট্রল বোমা হামলা দক্ষিণ আফ্রিকার পানশালায় বন্দুকধারীদের হামলা, নিহত ১৭ সন্ত্রাসে মদদ দিলে প্রতিবেশীদের সঙ্গে সংলাপ বন্ধের হুঁশিয়ারি রাজনাথের ভিসি নিয়োগের প্রতিবাদে সায়েন্সল্যাবে ডিসিইউ শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর প্রথমবার বৈঠকে রুশ ও জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী আফগানিস্তানের সাবেক প্রেসিডেন্ট নাজিবুল্লাহর উত্থান ও নির্মম হত্যাকাণ্ডের ইতিহাস পিটিআইয়ের ইসলামাবাদ লংমার্চ: কৌশলগত অনিশ্চয়তা ও নেতৃত্বের বিভক্তি কুষ্টিয়ায় ড্রাম ট্রাকের ধাক্কায় প্রাণ গেল করিমন চালকের

বিএনপির সব পরিকল্পনা ও কর্মসূচি জনবান্ধব: প্রধানমন্ত্রী

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৫:২৩:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬ ২১ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বিএনপির সব পরিকল্পনা ও কর্মসূচি সবসময়ই জনবান্ধব। জনগণের স্বার্থ নিশ্চিত করতেই সরকারের নীতি হচ্ছে ‘সবার জন্য বাংলাদেশ’। সোমবার (১০ আগস্ট) বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ‘এসডিজি অর্জনে পাঁচ বছর মেয়াদি কৌশলগত কাঠামো: নীতি, অংশীদারত্ব ও অগ্রাধিকার’ শীর্ষক জাতীয় সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

তারেক রহমান বলেন, এসডিজির মূলনীতি ‘কাউকে পেছনে ফেলে নয়’-এর সঙ্গে বর্তমান সরকারের জননীতিরও মিল রয়েছে। তিনি জানান, দেশ ও জনগণের উন্নয়নে স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ১৯ দফা, সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা খালেদা জিয়ার ‘ভিশন ২০৩০’ এবং বর্তমানে রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফার প্রতিটি রূপকল্প ও লক্ষ্যের সঙ্গে এমডিজি কিংবা বর্তমানের এসডিজির খুব বেশি অমিল নেই।

দীর্ঘ সময়ের শোষণ-শাসনে বাংলাদেশ ঋণনির্ভর ও আমদানিনির্ভর ভঙ্গুর রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছিল বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পরিবেশসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে এই রাষ্ট্র পুনর্গঠন এখন জরুরি। দেশ পুনর্গঠনে সরকার ‘পুনরুদ্ধার-পুনর্বাসন-পুনর্গঠন’—এই তিন স্তরের কৌশল নিয়েছে। পাশাপাশি দারিদ্র্য বিমোচন, সামাজিক সুরক্ষা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা, জেন্ডার সমতা, জলবায়ু সহনশীলতা ও সুশাসনকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী জানান, ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড ও ই-হেলথ কার্ডসহ বিভিন্ন সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির মাধ্যমে প্রান্তিক কৃষক, স্বল্প আয়ের পরিবার ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর কাছে সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। এসডিজি বাস্তবায়নে সরকার, বেসরকারি খাত, উন্নয়ন সহযোগী, এনজিও, সুশীল সমাজ, গণমাধ্যম ও নাগরিকদের সম্মিলিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। ২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সবাইকে দৃঢ় সংকল্প নিয়ে কাজ করার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Ei Din

নিউজটি শেয়ার করুন

বিএনপির সব পরিকল্পনা ও কর্মসূচি জনবান্ধব: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৫:২৩:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বিএনপির সব পরিকল্পনা ও কর্মসূচি সবসময়ই জনবান্ধব। জনগণের স্বার্থ নিশ্চিত করতেই সরকারের নীতি হচ্ছে ‘সবার জন্য বাংলাদেশ’। সোমবার (১০ আগস্ট) বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ‘এসডিজি অর্জনে পাঁচ বছর মেয়াদি কৌশলগত কাঠামো: নীতি, অংশীদারত্ব ও অগ্রাধিকার’ শীর্ষক জাতীয় সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

তারেক রহমান বলেন, এসডিজির মূলনীতি ‘কাউকে পেছনে ফেলে নয়’-এর সঙ্গে বর্তমান সরকারের জননীতিরও মিল রয়েছে। তিনি জানান, দেশ ও জনগণের উন্নয়নে স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ১৯ দফা, সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা খালেদা জিয়ার ‘ভিশন ২০৩০’ এবং বর্তমানে রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফার প্রতিটি রূপকল্প ও লক্ষ্যের সঙ্গে এমডিজি কিংবা বর্তমানের এসডিজির খুব বেশি অমিল নেই।

দীর্ঘ সময়ের শোষণ-শাসনে বাংলাদেশ ঋণনির্ভর ও আমদানিনির্ভর ভঙ্গুর রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছিল বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পরিবেশসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে এই রাষ্ট্র পুনর্গঠন এখন জরুরি। দেশ পুনর্গঠনে সরকার ‘পুনরুদ্ধার-পুনর্বাসন-পুনর্গঠন’—এই তিন স্তরের কৌশল নিয়েছে। পাশাপাশি দারিদ্র্য বিমোচন, সামাজিক সুরক্ষা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা, জেন্ডার সমতা, জলবায়ু সহনশীলতা ও সুশাসনকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী জানান, ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড ও ই-হেলথ কার্ডসহ বিভিন্ন সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির মাধ্যমে প্রান্তিক কৃষক, স্বল্প আয়ের পরিবার ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর কাছে সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। এসডিজি বাস্তবায়নে সরকার, বেসরকারি খাত, উন্নয়ন সহযোগী, এনজিও, সুশীল সমাজ, গণমাধ্যম ও নাগরিকদের সম্মিলিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। ২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সবাইকে দৃঢ় সংকল্প নিয়ে কাজ করার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Ei Din