ঢাকা ০৩:৪৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সোবহানার সেঞ্চুরি, অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের রেকর্ড সংগ্রহ ৫ বছর পর ন্যান্সি ও জাহিদ নিরবের দ্বৈত গান ‘দিওয়ানা দিল’ তুরস্কে পর্যটকবাহী বাস ও টো ট্রাকের সংঘর্ষে নিহত ১১, আহত ২৭ পিরোজপুরে ডেঙ্গু ও কিশোর গ্যাং দমনে প্রতিমন্ত্রীর কঠোর নির্দেশনা জাতীয় ক্রিকেট লিগে একদিনে পাঁচ ব্যাটারের সেঞ্চুরি দিল্লির রাজপথে প্রতিবাদের ভূত যেভাবে মোদি সরকারকে তাড়া করছে দুর্গাপূজায় নৈরাজ্য সৃষ্টির অপচেষ্টা রুখতে সজাগ থাকার আহ্বান রিজভীর আয়াসসহ চারজনের বিরুদ্ধে যেসব ধারায় মামলা, রিমান্ডের আদেশ চাঁদপুরে জেলেদের ৫ টন চাল জব্দ, তদন্ত কমিটি গঠন নতুন রেকর্ডের হাতছানি হানসি ফ্লিকের বার্সেলোনার সামনে

পটুয়াখালীতে বিধবা নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে যুব জামায়াত সভাপতির বিরুদ্ধে মামলা

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৭:১৪:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬ ২৬ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



পটুয়াখালীতে এক বিধবা নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে সদর উপজেলা যুব জামায়াতের সভাপতি মো. শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। চলতি মাসের ২২ জুলাই ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে এই মামলাটি করেন। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পটুয়াখালী সদর থানাকে এজাহার হিসেবে গ্রহণ করে আসামির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। অভিযুক্ত মো. শহিদুল ইসলাম সদর উপজেলার ইটবাড়িয়া ইউনিয়নের বানিয়াকাঠী গ্রামের আবুল কালামের ছেলে।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রায় সাত বছর আগে ভুক্তভোগীর স্বামী মারা যান। এরপর থেকে তিনি তার একমাত্র সন্তানকে নিয়ে বাবার বাড়িতে বসবাস করছিলেন। এই সময়ের মধ্যে শহিদুল ইসলাম তাকে বিভিন্ন সময় কুপ্রস্তাব দেন এবং বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে সম্পর্ক গড়ে তোলার চেষ্টা করেন। এজাহারে আরও অভিযোগ করা হয়, গত ২৪ মার্চ শহিদুল ইসলাম ওই নারীকে প্রলোভন দেখিয়ে পটুয়াখালী শহরের শেরেবাংলা সড়কে তার বোনের বাসায় নিয়ে যান। সেখানে একটি কক্ষে আটকে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হয়। পরবর্তীতে ভয়ভীতি দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণের ফলে ওই নারী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন বলেও এজাহারে দাবি করা হয়েছে।

বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. হুমায়ুন কবির জানান, আদালত মামলাটি গ্রহণ করে পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। এ বিষয়ে পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, আদালতের আদেশের কপি এখনও থানায় পৌঁছায়নি। কপি হাতে পাওয়ার পর আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

ঘটনার বিষয়ে জেলা জামায়াতের আমির অ্যাডভোকেট নাজমুল আহসান বলেন, বিষয়টি যেহেতু আদালতে বিচারাধীন, তাই এখন কোনো মন্তব্য করা সমীচীন হবে না। তবে আদালতের রায়ে অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংগঠনের পক্ষ থেকে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

পটুয়াখালীতে বিধবা নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে যুব জামায়াত সভাপতির বিরুদ্ধে মামলা

আপডেট সময় : ০৭:১৪:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

পটুয়াখালীতে এক বিধবা নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে সদর উপজেলা যুব জামায়াতের সভাপতি মো. শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। চলতি মাসের ২২ জুলাই ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে এই মামলাটি করেন। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পটুয়াখালী সদর থানাকে এজাহার হিসেবে গ্রহণ করে আসামির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। অভিযুক্ত মো. শহিদুল ইসলাম সদর উপজেলার ইটবাড়িয়া ইউনিয়নের বানিয়াকাঠী গ্রামের আবুল কালামের ছেলে।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রায় সাত বছর আগে ভুক্তভোগীর স্বামী মারা যান। এরপর থেকে তিনি তার একমাত্র সন্তানকে নিয়ে বাবার বাড়িতে বসবাস করছিলেন। এই সময়ের মধ্যে শহিদুল ইসলাম তাকে বিভিন্ন সময় কুপ্রস্তাব দেন এবং বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে সম্পর্ক গড়ে তোলার চেষ্টা করেন। এজাহারে আরও অভিযোগ করা হয়, গত ২৪ মার্চ শহিদুল ইসলাম ওই নারীকে প্রলোভন দেখিয়ে পটুয়াখালী শহরের শেরেবাংলা সড়কে তার বোনের বাসায় নিয়ে যান। সেখানে একটি কক্ষে আটকে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হয়। পরবর্তীতে ভয়ভীতি দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণের ফলে ওই নারী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন বলেও এজাহারে দাবি করা হয়েছে।

বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. হুমায়ুন কবির জানান, আদালত মামলাটি গ্রহণ করে পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। এ বিষয়ে পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, আদালতের আদেশের কপি এখনও থানায় পৌঁছায়নি। কপি হাতে পাওয়ার পর আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

ঘটনার বিষয়ে জেলা জামায়াতের আমির অ্যাডভোকেট নাজমুল আহসান বলেন, বিষয়টি যেহেতু আদালতে বিচারাধীন, তাই এখন কোনো মন্তব্য করা সমীচীন হবে না। তবে আদালতের রায়ে অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংগঠনের পক্ষ থেকে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।