ঢাকা ১১:৪৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অসুস্থ মায়ের আকুতি, ছেলের কাছে স্থান মেলেনি মুন্নি খাতুনের ভালো মানুষ হয়ে বেঁচে থাকাই জীবনের সবচেয়ে বড় সফলতা তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে মধ্যরাতে ককটেল নিক্ষেপ জাতীয় দলের ক্যাম্প ছেড়ে নিষেধাজ্ঞায় পর্তুগাল তারকা রোনালদো চট্টগ্রামে যাত্রা শুরু করল দেশের প্রথম সাইকেল ট্র্যাক দিল্লিতে সিজেপির বিক্ষোভ ঘিরে কড়া নিরাপত্তা, ইউটিউবার ধ্রুব রাঠি আটক নোবেল জয়ী নাভি পিল্লাইকে নিয়ে ট্রাম্পের কঠোর সমালোচনা কলকাতার হাসপাতালে মারা গেলেন ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রোটন নাটোরে ট্রেনের ধাক্কায় অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির মৃত্যু ৩১ অক্টোবরের লংমার্চে প্রশাসনিক সহযোগিতা চেয়ে ডিসিকে চিঠি জামায়াতের

সংসদ অধিবেশনে যোগ দিতে বাধা নেই সরোয়ার আলমগীরের

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১১:২৭:৫৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬ ২৩ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-২ আসন থেকে বিজয়ী সরোয়ার আলমগীরের সংসদীয় দায়িত্ব পালনে আর কোনো বাধা নেই। প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের চার সদস্যের বেঞ্চ বুধবার সকালে এই আদেশ দেন। আদালত সরোয়ার আলমগীরের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে করা আবেদনটি কার্যতালিকা থেকে বাদ দিয়েছেন। অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আদালতে সরোয়ার আলমগীরের পক্ষে শুনানি করেন সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী মো. আহসানুল করিম এবং সুপ্রিম কোর্ট বারের সভাপতি ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন। অন্যদিকে, আবেদনকারী প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত প্রার্থী মুহাম্মদ নুরুল আমীনের পক্ষে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির ও আজিম উদ্দিন পাটোয়ারী।

ঘটনার সূত্রপাত নির্বাচনের আগে রিটার্নিং কর্মকর্তা সরোয়ার আলমগীরের প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করলে। এর বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী নুরুল আমীন ঋণ খেলাপির অভিযোগ তুলে নির্বাচন কমিশনে আপিল করেন। গত ১৮ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশন সরোয়ার আলমগীরের মনোনয়ন বাতিল করে। পরবর্তীতে তিনি হাইকোর্টে রিট করলে ২৭ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশনের আদেশ স্থগিত করে তাকে নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হয়।

এরপর নুরুল আমীন আপিল বিভাগে লিভ টু আপিল করলে ৩ ফেব্রুয়ারি আদালত তা মঞ্জুর করেন এবং আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশ স্থগিত রাখার নির্দেশ দেন। ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে সরোয়ার আলমগীর বেসরকারিভাবে বিজয়ী হলেও আদালতের নির্দেশনায় তখন ফলাফল প্রকাশ করা হয়নি। গত ১৬ জুন আপিল বিভাগ হাইকোর্টকে দুই সপ্তাহের মধ্যে রুল নিষ্পত্তির নির্দেশ দেন এবং ৩ ফেব্রুয়ারির আদেশ বহাল রাখেন।

পরবর্তীতে ৯ জুলাই হাইকোর্ট রুল যথাযথ ঘোষণা করে সরোয়ার আলমগীরের প্রার্থিতা বৈধ বলে রায় দেন। রায় প্রকাশের দিনই গেজেট প্রকাশ করে তাকে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ পড়ানো হয়। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্টের রায়ের কার্যকারিতা স্থগিত চেয়ে ১৩ জুলাই নুরুল আমীন আপিল বিভাগে আবেদন করেন। তার আবেদনে বলা হয়, রায়ের লিখিত অনুলিপি প্রকাশের আগেই গেজেট প্রকাশ ও শপথ সম্পন্ন করা হয়েছে। ২৭ ও ২৮ জুলাই আবেদনের ওপর শুনানি শেষে আদালত আজকের আদেশের দিন ধার্য করেছিলেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Amader Shomoy

নিউজটি শেয়ার করুন

সংসদ অধিবেশনে যোগ দিতে বাধা নেই সরোয়ার আলমগীরের

আপডেট সময় : ১১:২৭:৫৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-২ আসন থেকে বিজয়ী সরোয়ার আলমগীরের সংসদীয় দায়িত্ব পালনে আর কোনো বাধা নেই। প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের চার সদস্যের বেঞ্চ বুধবার সকালে এই আদেশ দেন। আদালত সরোয়ার আলমগীরের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে করা আবেদনটি কার্যতালিকা থেকে বাদ দিয়েছেন। অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আদালতে সরোয়ার আলমগীরের পক্ষে শুনানি করেন সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী মো. আহসানুল করিম এবং সুপ্রিম কোর্ট বারের সভাপতি ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন। অন্যদিকে, আবেদনকারী প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত প্রার্থী মুহাম্মদ নুরুল আমীনের পক্ষে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির ও আজিম উদ্দিন পাটোয়ারী।

ঘটনার সূত্রপাত নির্বাচনের আগে রিটার্নিং কর্মকর্তা সরোয়ার আলমগীরের প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করলে। এর বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী নুরুল আমীন ঋণ খেলাপির অভিযোগ তুলে নির্বাচন কমিশনে আপিল করেন। গত ১৮ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশন সরোয়ার আলমগীরের মনোনয়ন বাতিল করে। পরবর্তীতে তিনি হাইকোর্টে রিট করলে ২৭ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশনের আদেশ স্থগিত করে তাকে নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হয়।

এরপর নুরুল আমীন আপিল বিভাগে লিভ টু আপিল করলে ৩ ফেব্রুয়ারি আদালত তা মঞ্জুর করেন এবং আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশ স্থগিত রাখার নির্দেশ দেন। ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে সরোয়ার আলমগীর বেসরকারিভাবে বিজয়ী হলেও আদালতের নির্দেশনায় তখন ফলাফল প্রকাশ করা হয়নি। গত ১৬ জুন আপিল বিভাগ হাইকোর্টকে দুই সপ্তাহের মধ্যে রুল নিষ্পত্তির নির্দেশ দেন এবং ৩ ফেব্রুয়ারির আদেশ বহাল রাখেন।

পরবর্তীতে ৯ জুলাই হাইকোর্ট রুল যথাযথ ঘোষণা করে সরোয়ার আলমগীরের প্রার্থিতা বৈধ বলে রায় দেন। রায় প্রকাশের দিনই গেজেট প্রকাশ করে তাকে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ পড়ানো হয়। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্টের রায়ের কার্যকারিতা স্থগিত চেয়ে ১৩ জুলাই নুরুল আমীন আপিল বিভাগে আবেদন করেন। তার আবেদনে বলা হয়, রায়ের লিখিত অনুলিপি প্রকাশের আগেই গেজেট প্রকাশ ও শপথ সম্পন্ন করা হয়েছে। ২৭ ও ২৮ জুলাই আবেদনের ওপর শুনানি শেষে আদালত আজকের আদেশের দিন ধার্য করেছিলেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Amader Shomoy