বোয়িং কেনায় কোনো গোপন এজেন্ডা নেই: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
- আপডেট সময় : ০৭:৩৩:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১ বার পড়া হয়েছে

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির জানিয়েছেন, বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্তের পেছনে কোনো গোপন এজেন্ডা নেই। সোমবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন। কোনো ধরণের বাইরের চাপের মুখে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে—এমন ধারণা নাকচ করে দিয়ে তিনি বলেন, যাত্রীচাহিদা এবং জাতীয় পতাকাবাহী বিমান সংস্থার ভবিষ্যৎ আন্তর্জাতিক কার্যক্রমের ওপর ভিত্তি করেই সরকার বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বহরের প্রয়োজনীয়তা যাচাই-বাছাই করছে।
প্রতিমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, একটি উন্মুক্ত পরিবেশে স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের মাধ্যমেই বোয়িং কেনার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। তিনি বলেন, 'হোয়াইট হাউসের নির্দেশে চারজন মন্ত্রী উপস্থিত ছিলেন। আমাদের চাহিদা অনুযায়ী আমরা বোয়িং কিনেছি। ঐতিহাসিকভাবেই বাংলাদেশ বোয়িংয়ের ভারী বিমান ব্যবহার করে আসছে। তবে আমাদের মিশ্র বহরের প্রয়োজন আছে।'
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর নিউইয়র্ক সফরের সময় গত ২২ সেপ্টেম্বর বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস আরও ১১টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি করেছে। এর আগে চলতি বছরের এপ্রিলে বোয়িংয়ের কাছ থেকে ১৪টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি হয়েছিল, যার বাজারমূল্য প্রায় ৩ দশমিক ৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বা ৪৫ হাজার কোটি টাকা। নতুন করে চুক্তি হওয়া ১১টি উড়োজাহাজের দামের বিষয়ে এখনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
একবিংশ শতাব্দীতে এভিয়েশন হাব হওয়ার লক্ষ্য অর্জনে এবং রুট বাড়াতে মিশ্র বহরের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়ে হুমায়ুন কবির বলেন, 'বাংলাদেশের প্রাপ্ত বিমানের বহর আরও অনেক বাড়ানো দরকার। এটি সম্পূর্ণ আমাদের প্রয়োজনের ভিত্তিতে করা হয়েছে এবং খোলামেলাভাবেই আপনাদের জানানো হয়েছে।' যাত্রীসেবার মানোন্নয়নে ভবিষ্যতে আরও বোয়িং কেনার সম্ভাবনাও তিনি উড়িয়ে দেননি।
ঢাকা-নিউইয়র্ক ফ্লাইট চালুর বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী জানান, এ বিষয়ে কারিগরি মূল্যায়ন ও যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া চলছে। মূলত কারিগরি সমস্যার কারণেই এই রুটের কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছিল এবং সরকার এখন তা পুনরায় চালুর প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো পর্যালোচনা করছে।


























