মোংলা বন্দরে রাজস্ব আয়ের নতুন রেকর্ড, বেড়েছে ৪০৮ কোটি টাকা
- আপডেট সময় : ০৫:২৮:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে

২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ (2026) তারিখে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্রবন্দর মোংলায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরে রাজস্ব আয়ে নতুন রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছে। এ অর্থবছরে বন্দরটি মোট ৩ হাজার ৮৭৯ কোটি ৫১ লাখ ২০ হাজার টাকা রাজস্ব অর্জন করেছে, যা নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও অনেক বেশি।
মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, আলোচ্য অর্থবছরে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ৩ হাজার ৪৭৮ কোটি ৭০ লাখ টাকা। লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করার পাশাপাশি আগের অর্থবছরের তুলনায় এবার রাজস্ব আয় বেড়েছে ৪০৮ কোটি ২৬ লাখ ৪০ হাজার টাকা বা ১১ দশমিক ৭৬ শতাংশ।
মঙ্গলবার বেলা ১১টায় মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় এসব তথ্য জানান মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল আরিফ আহমেদ মোস্তফা। বাগেরহাট ও মোংলা প্রেস ক্লাবের সাংবাদিকদের সঙ্গে এই মতবিনিময়ের আয়োজন করা হয়। পরে বন্দর কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতেও এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়।
সভায় জানানো হয়, কেবল রাজস্ব আয়ই নয়, বরং জাহাজ, কার্গো ও কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ের ক্ষেত্রেও উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে মোংলা বন্দর। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এই বন্দরে মোট ৮১৫টি জাহাজ আগমন করেছে। এ সময়ে ৯১ লাখ ৫০ হাজার টন কার্গো হ্যান্ডলিংয়ের লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে হ্যান্ডলিং হয়েছে ১ কোটি ২২ লাখ ৫১ হাজার টন। ফলে আগের অর্থবছরের চেয়ে কার্গো হ্যান্ডলিং বেড়েছে ১৮ লাখ ৩৯ হাজার টন বা ১৭ দশমিক ৬৬ শতাংশ।
কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ের ক্ষেত্রেও বড় ধরনের অগ্রগতি দেখা গেছে। ২৫ হাজার টিইইউজের লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে এবার হ্যান্ডলিং হয়েছে ২৯ হাজার ৭১৪ টিইইউজ। এটি আগের অর্থবছরের তুলনায় ৮ হাজার ২৫৮ টিইইউজ বা ৩৮ দশমিক ৪৯ শতাংশ বেশি। এছাড়া ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বন্দরটি দিয়ে ১২ হাজার ৭৫টি রিকন্ডিশন্ড গাড়ি আমদানি করা হয়েছে, যা আগের বছরের চেয়ে ৪৯৬টি বেশি।
বর্তমানে মোংলা বন্দরের বার্ষিক সক্ষমতা সম্পর্কে জানানো হয় যে, বন্দরটি বছরে ১ হাজার ৫০০টি জাহাজ, ১ কোটি ৫০ লাখ টন কার্গো, ১ লাখ টিইইউজ কনটেইনার এবং ২০ হাজার ইউনিট গাড়ি হ্যান্ডলিং করতে সক্ষম।
মতবিনিময়কালে রিয়ার অ্যাডমিরাল আরিফ আহমেদ মোস্তফা বলেন, মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ব্যবসা-বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড আরও গতিশীল করাই আমাদের মূল লক্ষ্য।



























