ঢাকা ০২:০৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নিষেধাজ্ঞার মুখে ইরান কখনো মাথা নত করবে না: পেজেশকিয়ান যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাত নিরসনে নতুন আশাবাদ, নিউইয়র্কে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক ক্রোয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তারেক রহমানের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক নিউইয়র্কে মানবিক সহায়তা সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর প্রাতরাশ বৈঠক ডেঙ্গু ও হাম প্রতিরোধে ব্যর্থতার সুযোগ নেই: রুহুল আমিন হাওলাদার রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে পাঁচ দফা প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর নাটোর সদর উপজেলায় বক্তব্য দেওয়ার সময় মারা গেলেন মাদ্রাসা শিক্ষক রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে পাঁচ দফা প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘের মঞ্চে ট্রাম্পের উদ্দেশে কঠোর বার্তা দিলেন ইরানি প্রেসিডেন্ট ওমান উপকূলে মিসাইল হামলার কবলে বাংলাদেশি নাবিকদের জাহাজ

জ্বালানি তেলের দাম বাড়লে অর্থনীতিতে চাপ সইতে হয়: বাণিজ্যমন্ত্রী

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১১:১৬:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি পণ্যের দাম বাড়লে দেশের অর্থনীতিকেও সেই চাপ বহন করতে হয় বলে মন্তব্য করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। দেশে চার ধরনের জ্বালানি তেলের দাম এক লাফে লিটারে ২০ টাকা বাড়ানোর পর মন্ত্রীর তরফ থেকে এ বক্তব্য এল।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে বাজার পরিস্থিতি বিষয়ক পর্যালোচনা সভায় মন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম বাড়লে দেশকেও এর অর্থনৈতিক চাপ বহন করতে হয়। সরকার ভোক্তাদের ওপর পুরো চাপ একবারে না দিয়ে একটি অংশ বহন করলে শেষ পর্যন্ত তা রাষ্ট্রীয় অর্থব্যবস্থার উপরেই পড়ে। তাই জ্বালানির দক্ষ ও সাশ্রয়ী ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বাণিজ্যমন্ত্রী আরও বলেন, বাজার ও ব্যবসা স্বাভাবিক রাখতে সরকার প্রয়োজনীয় নীতিগত সহায়তা দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করবে। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য সহনীয় রাখতে বিদ্যমান কর কাঠামোর বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা করা হবে। এছাড়া দেশে উৎপাদিত পণ্য এবং যেসব পণ্যের এলসি ইতোমধ্যে খোলা হয়েছে কিংবা যেগুলো জাহাজীকরণ পর্যায়ে রয়েছে, সেগুলোর তথ্য নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হবে।

উল্লেখ্য যে, রোববার রাত ১২টা থেকে সরকার ডিজেল, কেরোসিন, অকটেন ও পেট্রোলের দাম লিটারে ২০ টাকা করে বাড়িয়েছে। নতুন দর অনুযায়ী ডিজেল ১৩৫ টাকা, কেরোসিন ১৫৫ টাকা, অকটেন ১৬৫ টাকা এবং পেট্রোল ১৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। গত ছয় মাসে সরকার তিন দফায় এই জ্বালানির দাম বাড়াল।

এমন পরিস্থিতিতে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের পর্যাপ্ত সরবরাহ ও মূল্য স্থিতিশীল রাখতে বাজার নজরদারি আরও জোরদার করার প্রতিশ্রুতি দেন বাণিজ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, বাজারে কোনো ধরনের অস্বাভাবিক পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে দেওয়া হবে না। কেউ বর্তমান পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে অযৌক্তিকভাবে পণ্যের দাম বাড়ালে বা অতিরিক্ত মুনাফা করার চেষ্টা করলে সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।

বাজারে পণ্যের সরবরাহ ব্যবস্থার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, গ্যাস সরবরাহে বিঘ্নের কারণে বিভিন্ন শিল্পের উৎপাদন ও পণ্য পরিবহন ব্যাহত হয়েছে। এছাড়া ঝড়-বৃষ্টিসহ প্রতিকূল আবহাওয়ার প্রভাব কয়েকটি এলাকায় বাজারে পড়েছে। সভায় বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের পক্ষ থেকে নিত্যপণ্যের চাহিদা, আমদানি ও মূল্য পরিস্থিতির চিত্র তুলে ধরা হয়, যেখানে গত বছরের তুলনায় আমদানি ও এলসি খোলার পরিস্থিতি ইতিবাচক বলে উল্লেখ করা হয়। সভায় বাণিজ্য সচিব মো. আতাউর রহমান খান, ট্যারিফ কমিশনের চেয়ারম্যান নাসির উদ দৌলা, ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. জহিরুল ইসলাম ও ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

জ্বালানি তেলের দাম বাড়লে অর্থনীতিতে চাপ সইতে হয়: বাণিজ্যমন্ত্রী

আপডেট সময় : ১১:১৬:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি পণ্যের দাম বাড়লে দেশের অর্থনীতিকেও সেই চাপ বহন করতে হয় বলে মন্তব্য করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। দেশে চার ধরনের জ্বালানি তেলের দাম এক লাফে লিটারে ২০ টাকা বাড়ানোর পর মন্ত্রীর তরফ থেকে এ বক্তব্য এল।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে বাজার পরিস্থিতি বিষয়ক পর্যালোচনা সভায় মন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম বাড়লে দেশকেও এর অর্থনৈতিক চাপ বহন করতে হয়। সরকার ভোক্তাদের ওপর পুরো চাপ একবারে না দিয়ে একটি অংশ বহন করলে শেষ পর্যন্ত তা রাষ্ট্রীয় অর্থব্যবস্থার উপরেই পড়ে। তাই জ্বালানির দক্ষ ও সাশ্রয়ী ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বাণিজ্যমন্ত্রী আরও বলেন, বাজার ও ব্যবসা স্বাভাবিক রাখতে সরকার প্রয়োজনীয় নীতিগত সহায়তা দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করবে। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য সহনীয় রাখতে বিদ্যমান কর কাঠামোর বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা করা হবে। এছাড়া দেশে উৎপাদিত পণ্য এবং যেসব পণ্যের এলসি ইতোমধ্যে খোলা হয়েছে কিংবা যেগুলো জাহাজীকরণ পর্যায়ে রয়েছে, সেগুলোর তথ্য নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হবে।

উল্লেখ্য যে, রোববার রাত ১২টা থেকে সরকার ডিজেল, কেরোসিন, অকটেন ও পেট্রোলের দাম লিটারে ২০ টাকা করে বাড়িয়েছে। নতুন দর অনুযায়ী ডিজেল ১৩৫ টাকা, কেরোসিন ১৫৫ টাকা, অকটেন ১৬৫ টাকা এবং পেট্রোল ১৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। গত ছয় মাসে সরকার তিন দফায় এই জ্বালানির দাম বাড়াল।

এমন পরিস্থিতিতে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের পর্যাপ্ত সরবরাহ ও মূল্য স্থিতিশীল রাখতে বাজার নজরদারি আরও জোরদার করার প্রতিশ্রুতি দেন বাণিজ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, বাজারে কোনো ধরনের অস্বাভাবিক পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে দেওয়া হবে না। কেউ বর্তমান পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে অযৌক্তিকভাবে পণ্যের দাম বাড়ালে বা অতিরিক্ত মুনাফা করার চেষ্টা করলে সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।

বাজারে পণ্যের সরবরাহ ব্যবস্থার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, গ্যাস সরবরাহে বিঘ্নের কারণে বিভিন্ন শিল্পের উৎপাদন ও পণ্য পরিবহন ব্যাহত হয়েছে। এছাড়া ঝড়-বৃষ্টিসহ প্রতিকূল আবহাওয়ার প্রভাব কয়েকটি এলাকায় বাজারে পড়েছে। সভায় বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের পক্ষ থেকে নিত্যপণ্যের চাহিদা, আমদানি ও মূল্য পরিস্থিতির চিত্র তুলে ধরা হয়, যেখানে গত বছরের তুলনায় আমদানি ও এলসি খোলার পরিস্থিতি ইতিবাচক বলে উল্লেখ করা হয়। সভায় বাণিজ্য সচিব মো. আতাউর রহমান খান, ট্যারিফ কমিশনের চেয়ারম্যান নাসির উদ দৌলা, ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. জহিরুল ইসলাম ও ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh