ঢাকা ০১:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
উখিয়ায় বিজিবিকে লক্ষ্য করে গুলি, দেড় লাখ ইয়াবা উদ্ধার আজ বীরকন্যা প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদারের ৯৪তম আত্মাহুতি দিবস হরমুজ প্রণালীতে আটকে পড়া বাংলাদেশি জাহাজ উদ্ধারে ইরানের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী হরমুজ প্রণালি খুলতে যুক্তরাষ্ট্রকে ৫ দিনের আলটিমেটাম দিল ইরান জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় নিত্যপণ্যের বাজারে অস্থিরতা ও বাড়তি চাপ লোক দেখানো ইবাদত থেকে বাঁচার উপায় ও করণীয় জমি ছাড়ার নোটিশে দিশেহারা নাটোরের দিনমজুরের কলেজপড়ুয়া তিন মেয়ে মক্কা প্রতিরক্ষা জোটের প্রথম মহাসচিব হলেন নোমান মাহমুদ হাইকোর্টের স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে শপথ নিলেন দেবাশীষ রায় চৌধুরী বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ছাত্র কল্যাণ পরিষদের নবীনবরণ ও বিদায়

মিরসরাইয়ের জোরারগঞ্জ স্কুলে ডিজিটাল হাজিরা, আঙুলের ছাপে অভিভাবকের ফোনে যায় বার্তা

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৬:০৫:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৬ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার জোরারগঞ্জ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে দীর্ঘ আট বছর ধরে সফলতার সঙ্গে চলছে আধুনিক ডিজিটাল হাজিরা ব্যবস্থা। এই পদ্ধতিতে শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ে প্রবেশ বা প্রস্থান করার সময় আঙুলের ছাপ (ফিঙ্গারপ্রিন্ট) দিলে কিংবা ডিজিটাল আইডি কার্ড প্রদর্শন করলেই স্বয়ংক্রিয় খুদে বার্তার (এসএমএস) মাধ্যমে তা তাৎক্ষণিকভাবে পৌঁছে যায় অভিভাবকের মোবাইল ফোনে। কোনো শিক্ষার্থী অনুপস্থিত থাকলেও একইভাবে বার্তা চলে যায় বাড়িতে।

শতবর্ষী এই বিদ্যাপীঠের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০১৮ সালে প্রথম শিক্ষকদের জন্য বায়োমেট্রিক হাজিরা চালু করা হয়। এর পরের বছর, অর্থাৎ ২০১৯ সালে শিক্ষার্থীদেরও এই ডিজিটাল প্রযুক্তির আওতায় নিয়ে আসে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। একটি বিশেষ সফটওয়্যায়ারের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের দৈনিক ও মাসিক উপস্থিতির সব তথ্য নিখুঁতভাবে সংরক্ষণ করা হচ্ছে, যার ফলে অভিভাবকেরা সহজেই সন্তানদের স্কুলে যাতায়াতের নিয়মিত খবর রাখতে পারছেন।

প্রতিদিন সকালে শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ে এসে সুশৃঙ্খল লাইনে দাঁড়িয়ে বায়োমেট্রিক মেশিনে আঙুলের ছাপ দিয়ে অথবা ডিজিটাল আইডি কার্ড পাঞ্চ করে নিজেদের উপস্থিতি নিশ্চিত করে। ছুটির পরও একইভাবে তাদের প্রস্থানের তথ্য রেকর্ড করা হয়। বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোশাররফ হোসেন জানান, এই আধুনিক হাজিরা পদ্ধতি চালুর পর থেকে শিক্ষার্থীদের মধ্যে স্কুল ফাঁকি দেওয়ার প্রবণতা উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। এর মাধ্যমে সন্তানদের ওপর অভিভাবকদের শতভাগ নজরদারি নিশ্চিত হয়েছে।

১৯১৪ সালে প্রতিষ্ঠিত এই ঐতিহ্যবাহী বিদ্যালয়ে বর্তমানে প্রায় দেড় হাজার শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে এবং ৩৭ জন শিক্ষক-কর্মচারী কর্মরত আছেন। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ সাইফুল আলম বলেন, আগে শিক্ষার্থীদের ক্লাস ফাঁকি দেওয়ার যে সুযোগ ছিল, ডিজিটাল হাজিরা চালুর পর তা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। অভিভাবকেরাও এখন সন্তানদের বিষয়ে অনেক বেশি নিশ্চিন্ত ও সচেতন।

বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি আবুল হাশেম জানান, দীর্ঘদিন ধরে এই আধুনিক পদ্ধতি চালু থাকার সুবাদে শিক্ষার্থীদের অনুপস্থিতির হার যেমন হ্রাস পেয়েছে, তেমনি নিয়মিত উপস্থিতির হারও সন্তোষজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

প্রকাশ : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭: ৪৭আপডেট : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭: ৫৪

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh

নিউজটি শেয়ার করুন

মিরসরাইয়ের জোরারগঞ্জ স্কুলে ডিজিটাল হাজিরা, আঙুলের ছাপে অভিভাবকের ফোনে যায় বার্তা

আপডেট সময় : ০৬:০৫:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার জোরারগঞ্জ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে দীর্ঘ আট বছর ধরে সফলতার সঙ্গে চলছে আধুনিক ডিজিটাল হাজিরা ব্যবস্থা। এই পদ্ধতিতে শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ে প্রবেশ বা প্রস্থান করার সময় আঙুলের ছাপ (ফিঙ্গারপ্রিন্ট) দিলে কিংবা ডিজিটাল আইডি কার্ড প্রদর্শন করলেই স্বয়ংক্রিয় খুদে বার্তার (এসএমএস) মাধ্যমে তা তাৎক্ষণিকভাবে পৌঁছে যায় অভিভাবকের মোবাইল ফোনে। কোনো শিক্ষার্থী অনুপস্থিত থাকলেও একইভাবে বার্তা চলে যায় বাড়িতে।

শতবর্ষী এই বিদ্যাপীঠের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০১৮ সালে প্রথম শিক্ষকদের জন্য বায়োমেট্রিক হাজিরা চালু করা হয়। এর পরের বছর, অর্থাৎ ২০১৯ সালে শিক্ষার্থীদেরও এই ডিজিটাল প্রযুক্তির আওতায় নিয়ে আসে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। একটি বিশেষ সফটওয়্যায়ারের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের দৈনিক ও মাসিক উপস্থিতির সব তথ্য নিখুঁতভাবে সংরক্ষণ করা হচ্ছে, যার ফলে অভিভাবকেরা সহজেই সন্তানদের স্কুলে যাতায়াতের নিয়মিত খবর রাখতে পারছেন।

প্রতিদিন সকালে শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ে এসে সুশৃঙ্খল লাইনে দাঁড়িয়ে বায়োমেট্রিক মেশিনে আঙুলের ছাপ দিয়ে অথবা ডিজিটাল আইডি কার্ড পাঞ্চ করে নিজেদের উপস্থিতি নিশ্চিত করে। ছুটির পরও একইভাবে তাদের প্রস্থানের তথ্য রেকর্ড করা হয়। বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোশাররফ হোসেন জানান, এই আধুনিক হাজিরা পদ্ধতি চালুর পর থেকে শিক্ষার্থীদের মধ্যে স্কুল ফাঁকি দেওয়ার প্রবণতা উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। এর মাধ্যমে সন্তানদের ওপর অভিভাবকদের শতভাগ নজরদারি নিশ্চিত হয়েছে।

১৯১৪ সালে প্রতিষ্ঠিত এই ঐতিহ্যবাহী বিদ্যালয়ে বর্তমানে প্রায় দেড় হাজার শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে এবং ৩৭ জন শিক্ষক-কর্মচারী কর্মরত আছেন। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ সাইফুল আলম বলেন, আগে শিক্ষার্থীদের ক্লাস ফাঁকি দেওয়ার যে সুযোগ ছিল, ডিজিটাল হাজিরা চালুর পর তা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। অভিভাবকেরাও এখন সন্তানদের বিষয়ে অনেক বেশি নিশ্চিন্ত ও সচেতন।

বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি আবুল হাশেম জানান, দীর্ঘদিন ধরে এই আধুনিক পদ্ধতি চালু থাকার সুবাদে শিক্ষার্থীদের অনুপস্থিতির হার যেমন হ্রাস পেয়েছে, তেমনি নিয়মিত উপস্থিতির হারও সন্তোষজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

প্রকাশ : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭: ৪৭আপডেট : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭: ৫৪

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh