ঢাকা ০১:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বোয়িংয়ের সঙ্গে ১১টি নতুন বিমান কেনার চুক্তি করল বিমান বাংলাদেশ গ্রাম ও শহর: জীবনযাত্রার ভিন্নতা, শিশুদের স্বাস্থ্যে এগিয়ে গ্রাম উখিয়ায় বিজিবিকে লক্ষ্য করে গুলি, দেড় লাখ ইয়াবা উদ্ধার আজ বীরকন্যা প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদারের ৯৪তম আত্মাহুতি দিবস হরমুজ প্রণালীতে আটকে পড়া বাংলাদেশি জাহাজ উদ্ধারে ইরানের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী হরমুজ প্রণালি খুলতে যুক্তরাষ্ট্রকে ৫ দিনের আলটিমেটাম দিল ইরান জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় নিত্যপণ্যের বাজারে অস্থিরতা ও বাড়তি চাপ লোক দেখানো ইবাদত থেকে বাঁচার উপায় ও করণীয় জমি ছাড়ার নোটিশে দিশেহারা নাটোরের দিনমজুরের কলেজপড়ুয়া তিন মেয়ে মক্কা প্রতিরক্ষা জোটের প্রথম মহাসচিব হলেন নোমান মাহমুদ

২০৩৪ সালের মধ্যে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ার লক্ষ্য সরকারের

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৯:২৮:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১০ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে বর্তমান সরকার। এই লক্ষ্য অর্জনে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।

তিনি জানান, সরকার এখনকার ঋণনির্ভর ও পৃষ্ঠপোষকতাভিত্তিক অর্থনৈতিক কাঠামো থেকে বেরিয়ে আসতে চায়। এর পরিবর্তে উৎপাদন, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থাননির্ভর একটি টেকসই অর্থনীতি গড়ে তোলাই সরকারের মূল লক্ষ্য। এই প্রক্রিয়ায় বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ তৈরির জন্য স্বজনপ্রীতি, বৈষম্য এবং প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতা দূর করার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

অর্থনীতিকে একটি টেকসই ভিত্তির ওপর দাঁড় করানোর প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, বিদ্যুৎ খাতের সংকট নিরসনে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করছে। সেই সঙ্গে পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনাসহ দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে কাজ চলছে, যা উৎপাদন ও বিনিয়োগের নতুন সুযোগ তৈরি করবে।

রাষ্ট্রব্যবস্থায় বিদ্যমান স্বজনপ্রীতি ও বৈষম্য নিয়ে সমালোচনা করে ড. তিতুমীর বলেন, জ্বালানি খাতসহ দেশের প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রে পৃষ্ঠপোষকতানির্ভর সংস্কৃতি গড়ে উঠেছিল, যা বেকারত্ব ও বৈষম্য বাড়িয়ে দিয়েছে। জুলাইয়ের আন্দোলনের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের বৈষম্যবিরোধী আকাঙ্ক্ষা স্পষ্টভাবে প্রকাশ পেয়েছে। তিনি আরও বলেন, সামাজিক সুবিচার নিশ্চিত করতে এবং সবার অংশগ্রহণের সুযোগ তৈরি করতে শক্তিশালী ও জবাবদিহিমূলক প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা এখন সময়ের দাবি।

তিনি আরও বলেন, শাসকরা ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য হওয়ার ঘটনা প্রমাণ করেছে যে দেশের প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো ভেঙে পড়েছে। প্রাতিষ্ঠানিক দক্ষতা অর্জনের পাশাপাশি সামাজিক অন্তর্ভুক্তির বিষয়টিও সমান গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিষ্ঠান বলতে শুধু আইন বা সাংগঠনিক কাঠামো নয়, বরং এর সঙ্গে জড়িত রীতি-রেওয়াজ ও মূল্যবোধ নিয়েও গবেষণার প্রয়োজন রয়েছে। এছাড়া, অতীতের ফ্যাসিবাদী শাসনামলের বৈশিষ্ট্য এবং মুক্তিযুদ্ধের আকাঙ্ক্ষা, সমতা ও মানবিক মর্যাদাভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ার পথ নিয়েও গবেষণার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

উক্ত অনুষ্ঠানে শিক্ষক, শিক্ষাবিদ, গবেষক, নীতিনির্ধারক, উন্নয়নকর্মী, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন পেশাজীবীরা উপস্থিত ছিলেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

২০৩৪ সালের মধ্যে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ার লক্ষ্য সরকারের

আপডেট সময় : ০৯:২৮:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে বর্তমান সরকার। এই লক্ষ্য অর্জনে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।

তিনি জানান, সরকার এখনকার ঋণনির্ভর ও পৃষ্ঠপোষকতাভিত্তিক অর্থনৈতিক কাঠামো থেকে বেরিয়ে আসতে চায়। এর পরিবর্তে উৎপাদন, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থাননির্ভর একটি টেকসই অর্থনীতি গড়ে তোলাই সরকারের মূল লক্ষ্য। এই প্রক্রিয়ায় বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ তৈরির জন্য স্বজনপ্রীতি, বৈষম্য এবং প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতা দূর করার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

অর্থনীতিকে একটি টেকসই ভিত্তির ওপর দাঁড় করানোর প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, বিদ্যুৎ খাতের সংকট নিরসনে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করছে। সেই সঙ্গে পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনাসহ দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে কাজ চলছে, যা উৎপাদন ও বিনিয়োগের নতুন সুযোগ তৈরি করবে।

রাষ্ট্রব্যবস্থায় বিদ্যমান স্বজনপ্রীতি ও বৈষম্য নিয়ে সমালোচনা করে ড. তিতুমীর বলেন, জ্বালানি খাতসহ দেশের প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রে পৃষ্ঠপোষকতানির্ভর সংস্কৃতি গড়ে উঠেছিল, যা বেকারত্ব ও বৈষম্য বাড়িয়ে দিয়েছে। জুলাইয়ের আন্দোলনের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের বৈষম্যবিরোধী আকাঙ্ক্ষা স্পষ্টভাবে প্রকাশ পেয়েছে। তিনি আরও বলেন, সামাজিক সুবিচার নিশ্চিত করতে এবং সবার অংশগ্রহণের সুযোগ তৈরি করতে শক্তিশালী ও জবাবদিহিমূলক প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা এখন সময়ের দাবি।

তিনি আরও বলেন, শাসকরা ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য হওয়ার ঘটনা প্রমাণ করেছে যে দেশের প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো ভেঙে পড়েছে। প্রাতিষ্ঠানিক দক্ষতা অর্জনের পাশাপাশি সামাজিক অন্তর্ভুক্তির বিষয়টিও সমান গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিষ্ঠান বলতে শুধু আইন বা সাংগঠনিক কাঠামো নয়, বরং এর সঙ্গে জড়িত রীতি-রেওয়াজ ও মূল্যবোধ নিয়েও গবেষণার প্রয়োজন রয়েছে। এছাড়া, অতীতের ফ্যাসিবাদী শাসনামলের বৈশিষ্ট্য এবং মুক্তিযুদ্ধের আকাঙ্ক্ষা, সমতা ও মানবিক মর্যাদাভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ার পথ নিয়েও গবেষণার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

উক্ত অনুষ্ঠানে শিক্ষক, শিক্ষাবিদ, গবেষক, নীতিনির্ধারক, উন্নয়নকর্মী, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন পেশাজীবীরা উপস্থিত ছিলেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh