পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প এলাকা পরিদর্শনে যাচ্ছেন অর্থ উপদেষ্টাসহ ৩ মন্ত্রী
- আপডেট সময় : ০১:৫৫:৫০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৭ বার পড়া হয়েছে

প্রকাশ : ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১: ০৭
স্বপ্নের পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আজ শুক্রবার রাজবাড়ী জেলার পাংশা উপজেলার হাবাসপুরে নির্ধারিত সাইট পরিদর্শনে যাচ্ছেন সরকারের নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ের একটি উচ্চপদস্থ প্রতিনিধিদল। এই দলে রয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, পানি সম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ এবং সংস্কৃতিবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম।
প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মূলত প্রস্তাবিত স্থানটি সরেজমিনে দেখার জন্যই এই পরিদর্শনের আয়োজন করা হয়েছে। পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্পের পরিচালক (অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী) হাসান মাহমুদ জানান, উপদেষ্টা ও মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের পাশাপাশি এই সফরে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব, পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক (ডিজি), প্রধান প্রকৌশলী এবং স্থানীয় সংসদ সদস্যরাও উপস্থিত থাকবেন। ইতিমধ্যে ব্যারাজ নির্মাণের জন্য নদীর দুই পাড়ের জমি নির্ধারণের কাজ সম্পন্ন হয়েছে।
রাজবাড়ী জেলার পাংশা উপজেলার হাবাসপুর ইউনিয়নের খেয়াঘাট থেকে শুরু করে ওপারে পাবনা জেলার সুজানগর উপজেলার সাতবাড়িয়া ইউনিয়নের কাঞ্চনপার্ক পর্যন্ত ২.১ কিলোমিটার দীর্ঘ এই ব্যারাজটি নির্মাণ করা হবে। গত ১৩ মে ২০২৬ তারিখে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদে প্রকল্পটির নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর থেকেই রাজবাড়ীসহ দেশের ১৯টি জেলার মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে। ইতিমধ্যে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় এই প্রকল্পের জন্য ৩৪ হাজার ৩৪৭ কোটি ৭৫ লাখ টাকার বাজেট অনুমোদন করা হয়েছে।
এই মেগা প্রকল্পের আওতায় কেবল ব্যারাজ নির্মাণই নয়, বরং নদী শাসন, অ্যাপ্রোচ রোড নির্মাণ, পাকা সড়কসহ বিভিন্ন ধরনের অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে। এর পাশাপাশি কুষ্টিয়ার হিসনা নদী এবং চুয়াডাঙ্গার মাথাভাঙ্গা ও গড়াই নদী শাসনের কাজও এই প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প পরিচালক আরও জানান, এই ব্যারাজটি চালু হলে উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের ১৯টি জেলার মানুষ সরাসরি উপকৃত হবেন। একই সঙ্গে সারা দেশের সাথে সড়ক ও রেল যোগাযোগের একটি সমন্বিত জাতীয় নেটওয়ার্ক গড়ে উঠবে। সুফলভোগী জেলাগুলোর মধ্যে রয়েছে উত্তরের রাজশাহী, নাটোর, নওগাঁ, সিরাজগঞ্জ, পাবনা এবং দক্ষিণের রাজবাড়ী, ফরিদপুর, মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, বাগেরহাট, মাগুরা, ঝিনাইদহ, যশোর, খুলনা, সাতক্ষীরা, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর ও কুষ্টিয়া। দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত এই প্রকল্পটির বাস্তবায়নকে দেশবাসী প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ ইচ্ছার প্রতিফলন হিসেবে দেখছেন।




























