বিএমইউতে ইভিনিং ও নাইট শিফটে ওটি চালুর পরিকল্পনা
- আপডেট সময় : ০৫:৫৩:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৮ বার পড়া হয়েছে

প্রকাশ : ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭: ৩৭
বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) উপাচার্য অধ্যাপক এফ এম সিদ্দিকী জানিয়েছেন, হাসপাতালের চিকিৎসাসেবার মান ও ব্যবস্থাপনা উন্নত করতে ইভিনিং ও নাইট শিফটে অপারেশন থিয়েটার (ওটি) চালুর পরিকল্পনা করছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। তিনি বলেন, মুমূর্ষু রোগীদের সেবায় প্রশিক্ষিত ও দক্ষ নার্সিং সেবার গুরুত্ব অপরিসীম, তাই রোগীদের প্রয়োজনেই এমন প্রশিক্ষণ কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।
শনিবার বিএমইউর সি ব্লকের ১০ম তলায় ১১ শয্যাবিশিষ্ট আইসিইউ-১-এর উদ্বোধন এবং নার্সদের মাঝে ক্রিটিক্যাল কেয়ার নার্সিং প্রশিক্ষণ কর্মসূচির সনদপত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অধ্যাপক ডা. সামাদ সেমিনার হলে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে ৫টি কোর্সের ৮১ জন নার্সকে সনদপত্র প্রদান করা হয়।
উপাচার্য আরও বলেন, বিএমইউর প্রতিটি বিভাগে বিশ্বের আধুনিক প্রযুক্তিসমৃদ্ধ যন্ত্রপাতি যুক্ত করার কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে ক্রিটিক্যাল কেয়ার নার্সিং প্রশিক্ষণের মেয়াদ দীর্ঘায়িত ও আধুনিকায়নে প্রশাসন সব ধরনের সহায়তা দেবে, কারণ দক্ষ নার্সের চাহিদা ক্রমাগত বাড়ছে।
অ্যানেসথেসিয়া অ্যানালজেসিয়া এবং ইনটেনসিভ কেয়ার মেডিসিন বিভাগের চেয়ারম্যান ও বিএমইউর রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ডা. মো. মোস্তফা কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মো. মুজিবুর রহমান হাওলাদার, নার্সিং অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. মো. মনির হোসেন খান এবং রোটারি ক্লাব অব মেট্রোপলিটন ঢাকার সভাপতি রোটারিয়ান খালিদ হাসান। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন অ্যানেসথেসিয়া অ্যানালজেসিয়া এবং ইনটেনসিভ কেয়ার মেডিসিন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. হাসনুল আলম। এ সময় বিভাগের শিক্ষক, চিকিৎসক, রেসিডেন্ট শিক্ষার্থী ও নার্সরা উপস্থিত ছিলেন।
উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. মুজিবুর রহমান হাওলাদার বলেন, নার্সিং একটি অত্যন্ত দক্ষ ও মহৎ পেশা। জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে নার্সরা যাতে রোগীদের সর্বোচ্চ সেবা দিতে পারে, সে লক্ষ্যে বিএমইউ প্রশাসন নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। তিনি বলেন, বিদেশে, বিশেষ করে অস্ট্রেলিয়ায় নার্সরাই মূলত হাসপাতালের ব্যবস্থাপনার মূল দায়িত্ব পালন করেন এবং চিকিৎসকদের নির্দেশনা বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।




























