ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপনে সরকারের জাতীয় কর্মসূচি ঘোষণা
- আপডেট সময় : ০৭:৩১:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬ ৯ বার পড়া হয়েছে

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপন উপলক্ষে আগামী ২৬ আগস্ট দেশজুড়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বুধবার (১৯ আগস্ট) ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জাতীয় এ কর্মসূচির তথ্য জানানো হয়েছে। এর আগে গত ১৩ আগস্ট ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপন সংক্রান্ত এক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় এসব কর্মসূচি চূড়ান্ত করা হয়। ধর্ম সচিব মুন্সী আলাউদ্দিন আল আজাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই সভায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক মুফতি মুহাম্মদ মুহিববুল্লাহিল বাকীসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, অধিদপ্তর ও সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী পৃথক বাণী দেবেন। এই দিনে সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, বেসরকারি ভবন ও সশস্ত্র বাহিনীর সকল স্থাপনায় জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে। এছাড়া বাংলাদেশ সচিবালয় মসজিদসহ দেশের সব মসজিদে বিশেষ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হবে। একই সাথে বিভাগ, জেলা ও উপজেলা প্রশাসন, সিটি করপোরেশন, পৌরসভা এবং সশস্ত্র বাহিনী তাদের নিজ নিজ অধিক্ষেত্রে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করবে।
দিবসটি উপলক্ষে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে ওয়াজ মাহফিল, সেমিনার ও টকশো প্রচারের ব্যবস্থা করা হবে। পাশাপাশি কিরাত, হামদ-নাত, স্বরচিত কবিতা পাঠ এবং শিক্ষার্থীদের জন্য সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার আয়োজন থাকবে। এছাড়া আরবিতে খুতবা লেখা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হবে এবং ইসলামিক ফাউন্ডেশন বিশেষ স্মরণিকা বা ক্রোড়পত্র প্রকাশ করবে। বায়তুল মোকাররম মসজিদের দক্ষিণ প্রান্তে মাসব্যাপী ইসলামিক বইমেলারও আয়োজন করা হবে।
জাতীয় এই দিবসটি উপলক্ষে বিশেষ অনুষ্ঠান প্রচারের জন্য বাংলাদেশ টেলিভিশন, বাংলাদেশ বেতার ও অন্যান্য ইলেকট্রনিক মিডিয়াকে অনুরোধ জানানো হয়েছে এবং সংবাদপত্রগুলো বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করবে। দেশের বিশ্ববিদ্যালয়সহ সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, জেলা শিল্পকলা একাডেমি, শিশু একাডেমি, অন্যান্য সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান, ইসলামিক ফাউন্ডেশন, ওয়াকফ প্রশাসকের কার্যালয় এবং ঢাকা ও জেদ্দা হজ অফিসসহ বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবন ও কর্ম, ইসলামের শান্তি, প্রগতি, সৌহার্দ্য, সহিষ্ণুতা, বিশ্ব ভ্রাতৃত্ব, মানবাধিকার ও নারীর মর্যাদা বিষয়ে আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল, হামদ-নাত, কবিতা পাঠ, সাংস্কৃতিক ও কুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজন করবে।
শিশুদের জন্য বিশেষ কর্মসূচি হিসেবে হামদ-নাত, আলোচনা সভা ও রচনা প্রতিযোগিতাসহ বিভিন্ন আয়োজন করবে বাংলাদেশ শিশু একাডেমি। এছাড়া দেশের সকল সামরিক ও বেসামরিক হাসপাতাল, কারাগার, সরকারি শিশু পরিবার, শিশু সদন, আবাসিক শিশু বিকাশ কেন্দ্র ও প্রবীণ নিবাসে এদিন উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হবে। বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস ও মিশনগুলোতেও যথাযথ মর্যাদায় দিবসটি উদযাপিত হবে। ধর্ম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দিবসটি উপলক্ষে শান্তি ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বিশেষ ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

























