ঢাকা ১১:৫২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শ্রীমঙ্গলে বই পড়া উৎসবে অংশ নিল ২৫ হাজার শিক্ষার্থী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:০১:১৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬ ১ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে শিক্ষার্থীদের পাঠ্যবইয়ের বাইরে বই পড়ার প্রতি আগ্রহী করে তুলতে এবং তাদের জ্ঞান ও মননশীলতার বিকাশ ঘটাতে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজন করা হয়েছে বই পড়া উৎসব। ‘বই পড়ি, মন গড়ি’—এই স্লোগানকে সামনে রেখে আয়োজিত এই উৎসবে উপজেলার ৩৮টি মাধ্যমিক ও তদূর্ধ্ব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রায় ২৫ হাজার শিক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে।

গত ২১ জুলাই শ্রীমঙ্গল সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে উৎসবটির উদ্বোধন করা হয়। শ্রীমঙ্গল আবৃত্তি উৎসবের সমন্বয় এবং উত্তরণের পাঠ সহযোগিতায় এই আয়োজনে শিক্ষার্থীরা গল্প ও উপন্যাসসহ বিভিন্ন ধরনের বই পড়ার সুযোগ পাচ্ছেন। উৎসবের অংশ হিসেবে সোমবার শিক্ষার্থীদের নিয়ে একটি লিখিত প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়, যেখানে প্রায় ২৫ হাজার শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। এই পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে দ্বিতীয় ধাপের জন্য ১০ জনকে নির্বাচিত করা হবে এবং পরবর্তীতে তাদের মধ্য থেকে সেরা তিনজনকে চূড়ান্ত পর্বের জন্য বাছাই করা হবে।

প্রতিযোগিতায় মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক, স্নাতকোত্তর ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা চারটি আলাদা বিভাগে (ক, খ, গ ও ঘ) অংশ নিচ্ছেন। এছাড়া সাধারণ বইপ্রেমীদের জন্য রাখা হয়েছে একটি উন্মুক্ত বিভাগ। এই বিভাগে অংশগ্রহণের জন্য ১৭ আগস্ট পর্যন্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার ওয়েবসাইটের মাধ্যমে নিবন্ধনের সুযোগ ছিল।

প্রতিযোগিতার জন্য বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের উপযোগী মোট ১৪টি বই নির্বাচন করা হয়েছে। এর মধ্যে ষষ্ঠ শ্রেণির জন্য আব্দুল্লাহ আল-মুতী শরফুদ্দিনের ‘আবিষ্কারের নেশায়’ ও এ. পি. জে. আব্দুল কালামের ‘উইংস অব ফায়ার’; সপ্তম শ্রেণির জন্য শাহেদ আলীর ‘জিবরাইলের ডানা’ ও জুল ভার্নের ‘অ্যারাউন্ড দ্য ওয়ার্ল্ড ইন এইটি ডেইজ’; অষ্টম শ্রেণির জন্য হুমায়ুন আজাদের ‘লাল নীল দীপাবলি বা বাংলা সাহিত্যের জীবনী’ ও জর্জ অরওয়েলের ‘অ্যানিমেল ফার্ম’ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

উৎসবটি সফল করতে শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান ইতিমধ্যে উপজেলার ১৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করেছেন এবং সাংবাদিক, সুধীসমাজসহ বিভিন্ন অংশীজনের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন। তিনি বলেন, মোবাইল ফোনে বুঁদ হয়ে থাকা বর্তমান প্রজন্মকে বই পড়ার আনন্দে উজ্জীবিত করা এবং তাদের মেধা ও মননশীলতার বিকাশ ঘটানোই উপজেলা প্রশাসনের এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য।

প্রকাশ : ১৮ আগস্ট ২০২৬, ১০: ২৭আপডেট : ১৮ আগস্ট ২০২৬, ১০: ২৮

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh

নিউজটি শেয়ার করুন

শ্রীমঙ্গলে বই পড়া উৎসবে অংশ নিল ২৫ হাজার শিক্ষার্থী

আপডেট সময় : ১১:০১:১৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে শিক্ষার্থীদের পাঠ্যবইয়ের বাইরে বই পড়ার প্রতি আগ্রহী করে তুলতে এবং তাদের জ্ঞান ও মননশীলতার বিকাশ ঘটাতে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজন করা হয়েছে বই পড়া উৎসব। ‘বই পড়ি, মন গড়ি’—এই স্লোগানকে সামনে রেখে আয়োজিত এই উৎসবে উপজেলার ৩৮টি মাধ্যমিক ও তদূর্ধ্ব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রায় ২৫ হাজার শিক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে।

গত ২১ জুলাই শ্রীমঙ্গল সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে উৎসবটির উদ্বোধন করা হয়। শ্রীমঙ্গল আবৃত্তি উৎসবের সমন্বয় এবং উত্তরণের পাঠ সহযোগিতায় এই আয়োজনে শিক্ষার্থীরা গল্প ও উপন্যাসসহ বিভিন্ন ধরনের বই পড়ার সুযোগ পাচ্ছেন। উৎসবের অংশ হিসেবে সোমবার শিক্ষার্থীদের নিয়ে একটি লিখিত প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়, যেখানে প্রায় ২৫ হাজার শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। এই পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে দ্বিতীয় ধাপের জন্য ১০ জনকে নির্বাচিত করা হবে এবং পরবর্তীতে তাদের মধ্য থেকে সেরা তিনজনকে চূড়ান্ত পর্বের জন্য বাছাই করা হবে।

প্রতিযোগিতায় মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক, স্নাতকোত্তর ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা চারটি আলাদা বিভাগে (ক, খ, গ ও ঘ) অংশ নিচ্ছেন। এছাড়া সাধারণ বইপ্রেমীদের জন্য রাখা হয়েছে একটি উন্মুক্ত বিভাগ। এই বিভাগে অংশগ্রহণের জন্য ১৭ আগস্ট পর্যন্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার ওয়েবসাইটের মাধ্যমে নিবন্ধনের সুযোগ ছিল।

প্রতিযোগিতার জন্য বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের উপযোগী মোট ১৪টি বই নির্বাচন করা হয়েছে। এর মধ্যে ষষ্ঠ শ্রেণির জন্য আব্দুল্লাহ আল-মুতী শরফুদ্দিনের ‘আবিষ্কারের নেশায়’ ও এ. পি. জে. আব্দুল কালামের ‘উইংস অব ফায়ার’; সপ্তম শ্রেণির জন্য শাহেদ আলীর ‘জিবরাইলের ডানা’ ও জুল ভার্নের ‘অ্যারাউন্ড দ্য ওয়ার্ল্ড ইন এইটি ডেইজ’; অষ্টম শ্রেণির জন্য হুমায়ুন আজাদের ‘লাল নীল দীপাবলি বা বাংলা সাহিত্যের জীবনী’ ও জর্জ অরওয়েলের ‘অ্যানিমেল ফার্ম’ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

উৎসবটি সফল করতে শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান ইতিমধ্যে উপজেলার ১৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করেছেন এবং সাংবাদিক, সুধীসমাজসহ বিভিন্ন অংশীজনের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন। তিনি বলেন, মোবাইল ফোনে বুঁদ হয়ে থাকা বর্তমান প্রজন্মকে বই পড়ার আনন্দে উজ্জীবিত করা এবং তাদের মেধা ও মননশীলতার বিকাশ ঘটানোই উপজেলা প্রশাসনের এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য।

প্রকাশ : ১৮ আগস্ট ২০২৬, ১০: ২৭আপডেট : ১৮ আগস্ট ২০২৬, ১০: ২৮

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh