ঢাকা ১০:২৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এআই-এর যুগেও নিজের অবস্থানে অনড় ‘লিপস্টিক কিং’ লি জিয়াকি টেকনাফে কাউন্সিলর একরামুল হত্যা: শেখ হাসিনাসহ ১১ জনের শুনানি আজ যুক্তরাষ্ট্রে শি জিনপিংকে লাল গালিচা অভ্যর্থনা, আলোচনায় বাণিজ্যসহ নানা ইস্যু টি-টোয়েন্টি র‍্যাংকিংয়ে শীর্ষে পাকিস্তানের আবরার, পেছনে ফেললেন রশিদকে টানা সাত দিন কমল বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম মহানবী (সা.)-এর ইনসাফ: মানবজাতির জন্য অনুপম আদর্শ মুকসুদপুরে পৃথক স্থান থেকে নারীসহ দুইজনের মরদেহ উদ্ধার ইউপি নির্বাচনে প্রার্থীদের জামানত ৫ গুণ বাড়ালো ইসি মেসির বিদায়ী ম্যাচের টিকিট বিক্রির নতুন সময়সূচি ঘোষণা নোয়াখালীতে নিম্নমানের সেতু নির্মাণ, দুই প্রকৌশলীর কৈফিয়ত তলব

১৬ আগস্ট ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন, সুবিধা পাবে ১ কোটি ৬০ লাখ পরিবার

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৭:৩৭:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অগাস্ট ২০২৬ ২২ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



দেশের প্রায় ১ কোটি ৬০ লাখ পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। আগামী ১৬ আগস্ট আনুষ্ঠানিকভাবে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার লতিফাবাদ ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। আগামী চার বছরে পর্যায়ক্রমে এই বৃহৎ জনগোষ্ঠীকে কর্মসূচির সুবিধা দেওয়া হবে।

গত বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সচিবালয়ে ফ্যামিলি কার্ড–সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক শেষে এসব তথ্য জানান সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। সমাজকল্যাণমন্ত্রী জানান, প্রকৃত সুবিধাভোগীদের অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করতে এবং অযোগ্যদের বাদ দিতে নিয়মিত তথ্য যাচাই ও হালনাগাদ করা হবে। এটি একটি ডাইনামিক সোশ্যাল রেজিস্ট্রি হিসেবে কাজ করবে, যেখানে মানুষের আর্থসামাজিক অবস্থার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে তথ্য সংশোধন করা হবে।

কর্মসূচি বাস্তবায়নে কোনো ধরনের ধর্ম, গোত্র বা রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনা করা হবে না বলে স্পষ্ট করেছেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, সরকারের অন্তর্ভুক্তিমূলক ও মানবিক রাষ্ট্র গঠনের নীতির ওপর ভিত্তি করেই এই কার্যক্রম চলবে। উদ্বোধনের পর আগামী অক্টোবরের শেষ নাগাদ দেশের সব ইউনিয়ন ও উপজেলায় ধাপে ধাপে তথ্য সংগ্রহের কাজ শুরু হবে। তবে একযোগে সারা দেশে এই কর্মসূচি চালু করা সম্ভব নয় বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

সহায়তার অর্থ পরিবারের নারী সদস্যদের হাতে দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করে সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, এতে এই অর্থ শিশুদের শিক্ষা, পুষ্টি, স্বাস্থ্যসেবা এবং হাঁস-মুরগি পালন, সেলাই বা কুটিরশিল্পের মতো ক্ষুদ্র উদ্যোগে ব্যয়ের সম্ভাবনা বেশি থাকে। যা গ্রামীণ দারিদ্র্য বিমোচন ও নারীর ক্ষমতায়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। দেশের ৫৬টি এলাকায় চালানো পাইলট প্রকল্পের সফলতার কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, যশোর ও নেত্রকোনায় তথ্য সংগ্রহে কিছু সমস্যা হলেও তা সমাধান করা হয়েছে। বাকি ৫৪টি এলাকায় ত্রুটির হার ছিল ৩ শতাংশেরও কম।

নতুন পদ্ধতি ও প্রশ্নমালার মাধ্যমে আগামী ১৬ আগস্ট থেকে সম্পূর্ণ অনলাইনে তথ্য সংগ্রহ শুরু হবে। স্বচ্ছতা বজায় রাখতে ইউনিয়ন থেকে জাতীয় পর্যায় পর্যন্ত পৃথক তদারকি ব্যবস্থা থাকবে। এছাড়া একই ব্যক্তি যাতে একাধিক সরকারি সুবিধা না পান, তা নিশ্চিত করতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও অর্থ মন্ত্রণালয় তথ্য যাচাই করবে। প্রধানমন্ত্রী নিজেই এই কর্মসূচির অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করছেন এবং কোনো ত্রুটি বা দুর্বলতার খবর গণমাধ্যমে এলে তা গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হবে বলে জানান মন্ত্রী।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin

নিউজটি শেয়ার করুন

১৬ আগস্ট ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন, সুবিধা পাবে ১ কোটি ৬০ লাখ পরিবার

আপডেট সময় : ০৭:৩৭:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অগাস্ট ২০২৬

দেশের প্রায় ১ কোটি ৬০ লাখ পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। আগামী ১৬ আগস্ট আনুষ্ঠানিকভাবে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার লতিফাবাদ ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। আগামী চার বছরে পর্যায়ক্রমে এই বৃহৎ জনগোষ্ঠীকে কর্মসূচির সুবিধা দেওয়া হবে।

গত বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সচিবালয়ে ফ্যামিলি কার্ড–সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক শেষে এসব তথ্য জানান সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। সমাজকল্যাণমন্ত্রী জানান, প্রকৃত সুবিধাভোগীদের অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করতে এবং অযোগ্যদের বাদ দিতে নিয়মিত তথ্য যাচাই ও হালনাগাদ করা হবে। এটি একটি ডাইনামিক সোশ্যাল রেজিস্ট্রি হিসেবে কাজ করবে, যেখানে মানুষের আর্থসামাজিক অবস্থার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে তথ্য সংশোধন করা হবে।

কর্মসূচি বাস্তবায়নে কোনো ধরনের ধর্ম, গোত্র বা রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনা করা হবে না বলে স্পষ্ট করেছেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, সরকারের অন্তর্ভুক্তিমূলক ও মানবিক রাষ্ট্র গঠনের নীতির ওপর ভিত্তি করেই এই কার্যক্রম চলবে। উদ্বোধনের পর আগামী অক্টোবরের শেষ নাগাদ দেশের সব ইউনিয়ন ও উপজেলায় ধাপে ধাপে তথ্য সংগ্রহের কাজ শুরু হবে। তবে একযোগে সারা দেশে এই কর্মসূচি চালু করা সম্ভব নয় বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

সহায়তার অর্থ পরিবারের নারী সদস্যদের হাতে দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করে সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, এতে এই অর্থ শিশুদের শিক্ষা, পুষ্টি, স্বাস্থ্যসেবা এবং হাঁস-মুরগি পালন, সেলাই বা কুটিরশিল্পের মতো ক্ষুদ্র উদ্যোগে ব্যয়ের সম্ভাবনা বেশি থাকে। যা গ্রামীণ দারিদ্র্য বিমোচন ও নারীর ক্ষমতায়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। দেশের ৫৬টি এলাকায় চালানো পাইলট প্রকল্পের সফলতার কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, যশোর ও নেত্রকোনায় তথ্য সংগ্রহে কিছু সমস্যা হলেও তা সমাধান করা হয়েছে। বাকি ৫৪টি এলাকায় ত্রুটির হার ছিল ৩ শতাংশেরও কম।

নতুন পদ্ধতি ও প্রশ্নমালার মাধ্যমে আগামী ১৬ আগস্ট থেকে সম্পূর্ণ অনলাইনে তথ্য সংগ্রহ শুরু হবে। স্বচ্ছতা বজায় রাখতে ইউনিয়ন থেকে জাতীয় পর্যায় পর্যন্ত পৃথক তদারকি ব্যবস্থা থাকবে। এছাড়া একই ব্যক্তি যাতে একাধিক সরকারি সুবিধা না পান, তা নিশ্চিত করতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও অর্থ মন্ত্রণালয় তথ্য যাচাই করবে। প্রধানমন্ত্রী নিজেই এই কর্মসূচির অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করছেন এবং কোনো ত্রুটি বা দুর্বলতার খবর গণমাধ্যমে এলে তা গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হবে বলে জানান মন্ত্রী।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin