সিএনজি পাম্পে গ্যাস সংকট নিরসনসহ ৫ দফা দাবি জানাল ঐক্য পরিষদ
- আপডেট সময় : ০১:১৯:৫০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে

পরিবহন খাতে চলমান গ্যাস সংকটের কারণে দৈনিক প্রায় ১২৫ কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতি এবং ৯ কোটি কর্মঘণ্টা অপচয় হচ্ছে বলে দাবি করেছে ২৪ ঘণ্টা সিএনজি (গ্যাস) সরবরাহ বাস্তবায়ন ঐক্য পরিষদ। সংগঠনটি সিএনজি ফিলিং স্টেশনগুলোতে নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং পাম্প থেকে অবৈধভাবে খোলা ক্যাসকেড সিলিন্ডারে গ্যাস বিক্রি বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে পরিষদের আহ্বায়ক বেলাল আহমেদ বলেন, ২০০২ সালে দেশে পরিবেশবান্ধব সিএনজিচালিত যানবাহনের যাত্রা শুরু হওয়ার পর বর্তমানে প্রায় ৫০ লাখ গাড়ি সড়কে চলাচল করছে। তবে মহেশখালী এলএনজি টার্মিনাল ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর থেকে সিএনজি স্টেশনগুলোতে গ্যাসের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী পাম্পগুলোতে ন্যূনতম ১৫ পিএসআই চাপ থাকার কথা থাকলেও বর্তমানে মাত্র ৪-৫ পিএসআই চাপ পাওয়া যাচ্ছে।
তিনি অভিযোগ করেন, এই সংকটের সুযোগ নিয়ে কিছু অসাধু পাম্প মালিক রাতের আঁধারে এবং সরকার নির্ধারিত বন্ধের সময়ে (সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ৯টা) কাভার্ডভ্যান ও ক্যাসকেড সিলিন্ডারে অবৈধভাবে গ্যাস পাচার করছেন। গ্যাস আইন-২০১০ এবং বিপণন নিয়মাবলি-২০১৪ অনুযায়ী পাম্প থেকে সিলিন্ডারে গ্যাস বিক্রি নিষিদ্ধ হলেও তা মানা হচ্ছে না। এছাড়া বিকেএমইএ-এর পক্ষ থেকে শিল্পের জন্য পাম্প থেকে গ্যাস নেওয়ার অনুমোদনের চেষ্টারও তীব্র নিন্দা জানিয়েছে পরিষদ।
১. দেশের সব সিএনজি ফিলিং স্টেশন ২৪ ঘণ্টা খোলা রেখে যানবাহনের জন্য নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে।
২. পাম্প থেকে অবৈধভাবে সিলিন্ডারে ও কাভার্ডভ্যানে গ্যাস সরবরাহ সম্পূর্ণ বন্ধ করতে হবে এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে।
৩. সিএনজি স্টেশনগুলোর জন্য বরাদ্দকৃত ৪.৫০ শতাংশ গ্যাসের জন্য পৃথক লাইন স্থাপন করতে হবে, যাতে তা অন্য খাতে ব্যবহার করা না যায়।
৪. কেবল বৈধ সিএনজিচালিত যানবাহনেই গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে।
৫. ‘আগে আসলে আগে পাবেন’ ভিত্তিতে গ্যাস দেওয়া, ভিআইপি সুবিধা বাতিল, কৃত্রিম সংকট ও মিটার কারসাজি রোধ এবং ট্রাফিক পুলিশের হয়রানি বন্ধে নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করতে হবে।
সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের সদস্য সচিব মো. গোলাম ফারুকসহ সিএনজিচালিত পরিবহন খাতের মালিক ও শ্রমিকরা উপস্থিত ছিলেন।


























