ঢাকা ০১:১১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নিউইয়র্কে মানবিক সহায়তা সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর প্রাতরাশ বৈঠক ডেঙ্গু ও হাম প্রতিরোধে ব্যর্থতার সুযোগ নেই: রুহুল আমিন হাওলাদার রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে পাঁচ দফা প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর নাটোর সদর উপজেলায় বক্তব্য দেওয়ার সময় মারা গেলেন মাদ্রাসা শিক্ষক রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে পাঁচ দফা প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘের মঞ্চে ট্রাম্পের উদ্দেশে কঠোর বার্তা দিলেন ইরানি প্রেসিডেন্ট ওমান উপকূলে মিসাইল হামলার কবলে বাংলাদেশি নাবিকদের জাহাজ ইবির সাদ্দাম হলের একই কক্ষের তিন বন্ধু হলেন সিভিল জজ যুক্তরাষ্ট্রের চাপের কাছে নতি স্বীকার করবে না ইরান: পেজেশকিয়ান নিউইয়র্কে গেটস ফাউন্ডেশনের সিইও মার্ক সুজম্যানের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক

লালমাইয়ে জমি নিয়ে বিরোধে বিধবার ঘর ভাঙচুরের অভিযোগ

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১০:৩০:২৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬ ৩৬ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



কুমিল্লার লালমাই উপজেলায় জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে আদালতে মামলা করায় এক বিধবার বসতঘর ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার বেলঘর দক্ষিণ ইউনিয়নের মিতল্লা গ্রামে মরহুম আবদুস সাত্তারের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার ৩ মিনিট ৪৩ সেকেন্ডের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, যেখানে দেখা যায় কয়েক ব্যক্তি বসতঘরের টিনের বেড়া খুলে রাস্তার পাশে স্তূপ করছেন। ভিডিওতে বিধবা পেয়ারা বেগম (৬০) ও তার তিন ছেলে শহিদুল, সুজন ও ইসমাইলকে কান্নাজড়িত কণ্ঠে ঘর ভাঙচুর বন্ধের অনুরোধ করতে দেখা যায়।

ভুক্তভোগী পেয়ারা বেগম জানান, তার স্বামীর রেখে যাওয়া জমি দেবর আবদুল মান্নান জোরপূর্বক দখল করে ঘর নির্মাণের উদ্যোগ নিলে তিনি কুমিল্লার আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারায় মামলা করেন। আদালতের নির্দেশে লালমাই উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) তদন্তের দায়িত্ব পান। তদন্তের অংশ হিসেবে দুই সপ্তাহ আগে লালমাই থানার এএসআই নজরুল ইসলাম উভয় পক্ষকে শান্তি বজায় রাখার নোটিশ দেন। অভিযোগ অনুযায়ী, মঙ্গলবার উপজেলা সার্ভেয়ার আবু হানিফ সরেজমিনে তদন্ত শেষে ফিরে যাওয়ার পরপরই আবদুল মান্নানের নেতৃত্বে তার ভাই আবুল কালাম ও আবু তাহেরসহ কয়েকজন গ্রামবাসীর উপস্থিতিতে ঘরটি ভেঙে ফেলা হয়।

পেয়ারা বেগম আরও অভিযোগ করেন যে, ঘর ভাঙার সময় তার ব্যবহৃত স্বর্ণের চেইন, কানের দুল, ছেলের একটি রেডমি মোবাইল ফোন এবং কিছু নগদ টাকা নিয়ে গেছে অভিযুক্তরা। এ বিষয়ে লালমাই থানার এএসআই নজরুল ইসলাম জানান, তিনি উভয় পক্ষকে শান্তি-শৃঙ্খলা ভঙ্গের বিষয়ে নোটিশ দিয়েছিলেন, কিন্তু পরবর্তী ভাঙচুরের ঘটনা তার দায়িত্বের বিষয় নয়।

ভুশ্চি বাজার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ প্রদীপ চক্রবর্তী জানান, ভিডিও দেখে ওসির নির্দেশে তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন এবং বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে। লালমাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, ভিডিওটি পুলিশের নজরে এসেছে এবং ভুক্তভোগীর পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এদিকে অভিযুক্ত আবদুল মান্নানের বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলেও প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh

নিউজটি শেয়ার করুন

লালমাইয়ে জমি নিয়ে বিরোধে বিধবার ঘর ভাঙচুরের অভিযোগ

আপডেট সময় : ১০:৩০:২৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬

কুমিল্লার লালমাই উপজেলায় জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে আদালতে মামলা করায় এক বিধবার বসতঘর ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার বেলঘর দক্ষিণ ইউনিয়নের মিতল্লা গ্রামে মরহুম আবদুস সাত্তারের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার ৩ মিনিট ৪৩ সেকেন্ডের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, যেখানে দেখা যায় কয়েক ব্যক্তি বসতঘরের টিনের বেড়া খুলে রাস্তার পাশে স্তূপ করছেন। ভিডিওতে বিধবা পেয়ারা বেগম (৬০) ও তার তিন ছেলে শহিদুল, সুজন ও ইসমাইলকে কান্নাজড়িত কণ্ঠে ঘর ভাঙচুর বন্ধের অনুরোধ করতে দেখা যায়।

ভুক্তভোগী পেয়ারা বেগম জানান, তার স্বামীর রেখে যাওয়া জমি দেবর আবদুল মান্নান জোরপূর্বক দখল করে ঘর নির্মাণের উদ্যোগ নিলে তিনি কুমিল্লার আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারায় মামলা করেন। আদালতের নির্দেশে লালমাই উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) তদন্তের দায়িত্ব পান। তদন্তের অংশ হিসেবে দুই সপ্তাহ আগে লালমাই থানার এএসআই নজরুল ইসলাম উভয় পক্ষকে শান্তি বজায় রাখার নোটিশ দেন। অভিযোগ অনুযায়ী, মঙ্গলবার উপজেলা সার্ভেয়ার আবু হানিফ সরেজমিনে তদন্ত শেষে ফিরে যাওয়ার পরপরই আবদুল মান্নানের নেতৃত্বে তার ভাই আবুল কালাম ও আবু তাহেরসহ কয়েকজন গ্রামবাসীর উপস্থিতিতে ঘরটি ভেঙে ফেলা হয়।

পেয়ারা বেগম আরও অভিযোগ করেন যে, ঘর ভাঙার সময় তার ব্যবহৃত স্বর্ণের চেইন, কানের দুল, ছেলের একটি রেডমি মোবাইল ফোন এবং কিছু নগদ টাকা নিয়ে গেছে অভিযুক্তরা। এ বিষয়ে লালমাই থানার এএসআই নজরুল ইসলাম জানান, তিনি উভয় পক্ষকে শান্তি-শৃঙ্খলা ভঙ্গের বিষয়ে নোটিশ দিয়েছিলেন, কিন্তু পরবর্তী ভাঙচুরের ঘটনা তার দায়িত্বের বিষয় নয়।

ভুশ্চি বাজার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ প্রদীপ চক্রবর্তী জানান, ভিডিও দেখে ওসির নির্দেশে তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন এবং বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে। লালমাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, ভিডিওটি পুলিশের নজরে এসেছে এবং ভুক্তভোগীর পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এদিকে অভিযুক্ত আবদুল মান্নানের বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলেও প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh