ঢাকা ০৮:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার রায়পুরে সাহাবীর হত্যা মামলায় বাবা-ছেলে কারাগারে নারায়ণগঞ্জে জুলাই বিপ্লব বার্ষিকীর মাসব্যাপী কর্মসূচি উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলন ও কর্মসূচি ঘোষণা। মোঃ ইসমাইল হোসেন, ছাগলনাইয়াতে ট্রাক্টর ও সিএনজির সংঘর্ষে নিহত-১ ঢাকার ১৯ গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে এআই ক্যামেরা চালু, দেড় হাজার মামলা রেকর্ড সোনাগাজীতে ময়লার স্তূপে কারণে অতিষ্ঠ জনজীবন মানুষের মধ্যে ক্ষোভ ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই খুনি গ্রেফতার, রক্তমাখা ছুরি উদ্ধার চিলমারীতে ব্রহ্মপুত্রে বিলীন ২৫ বসতঘর, আতঙ্কে তীরবর্তী মানুষ রংপুরে ডিবি’র অভিযানে ৩ কেজি গাঁজা উদ্ধার, মাদক কারবারি আটক-১ লালমনিরহাটে ভারত গজলডোবা ব্যারাজের ৪০টি গেট খুলে দেওয়ায় বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি কুমিল্লায় স্কুল ছাত্র গুলিবিদ্ধের ঘটনায় বিদেশি পিস্তল ও গুলি সহ গ্রেফতার-৪

অভিভাবকহীন সুমিরকে বিদ্যালয়ের ভর্তি,অভিভাবক হলেন পৌর মেয়র ছানু

মোঃ কবির হোসেন, জামালপুরঃ
  • আপডেট সময় : ০২:০১:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৩ ৩৫৯ বার পড়া হয়েছে

অভিভাবকহীন সুমিরকে বিদ্যালয়ের ভর্তি,অভিভাবক হলেন পৌর মেয়র ছানু

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

মোঃ কবির হোসেন, জামালপুরঃ

বাবা মা এর বিবাহ বিচ্ছেদের শিকার জামালপুরের শিশু সুমির। বিচ্ছেদের পর আলাদা সংসার করছেন তার মা-বাবা। সুমির থাকছিল তার নানির কাছে। শেষ পর্যন্ত নানী দায়িত্ব গ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে তার দায়িত্ব নিজের হাতে নেন জামালপুর পৌরসভার মেয়র ও শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মোহাম্মদ ছানুয়ার হোসেন ছানু।

সেই সুমিরকে আজ বুধবার ( ২৫ জানুয়ারি) সকালে শহরের ২ নং পাথালিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি করান।

পৌর মেয়র আলহাজ্ব মোহাম্মদ ছানোয়ার হোসেন ছানু নিজে স্বশরীরে উপস্থিত থেকে অভিভাবকের জায়গায় নিজের নাম লিখেন। আজ থেকে সুমিরের অফিসিয়ালি অভিভাবক মেয়র আলহাজ্ব মোহাম্মদ ছানোয়ার হোসেন ছানু।

জানা যায়, জামালপুর শহরের পশ্চিম ফুলবাড়িয়া গত ১১ জানুয়ারি নানা বাড়ি থেকে হারিয়ে যায় সুমির। পরে তাকে খুঁজে পান শহরের ভ্যানগাড়ি চালক জুয়েল মিয়া। তিনি শিশু সুমিরকে ৯ দিন তার কাছে রেখে মঙ্গলবার সকালে সুমিরের নানীর কাছে সুমিরকে ফিরিয়ে দিতে যান। কিন্তু অভাবের সংসারে নাতিকে নিতে অস্বীকার করেন ফরিদা।

পরে ভ্যানচালক জুয়েল মিয়া শিশুটিকে নিয়ে পৌর মেয়র ছানুয়ার হোসেন ছানুর কাছে নিয়ে যান। শিশু সুমিরের এই পরিণতি শুনে মর্মাহত হোন মেয়র। পৌর মেয়র ছানু নিজেই শিশুটির দায়িত্ব নেন।

এ বিষয়ে মানবাধিকারকর্মী জাহাঙ্গীর সেলিম বলেন, শিশুটির দায়িত্ব নিয়ে মেয়র ছানুয়ার হোসেন ছানু মানবতার উজ্জ্বল নজির গড়েছেন। মেয়রের মতো এভাবে দায়িত্বশীল লোকজন যদি কুড়িয়ে পাওয়া বা হারিয়ে যাওয়া পথশিশুদের পাশে দাঁড়ান, সেটা সুন্দর সমাজ বিনির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

এ বিষয়ে জামালপুর পৌরসভার মেয়র ছানুয়ার হোসেন ছানু বলেন, মহান আল্লাহ সকল শিশুর হেফাজতকারী। আমি সুমিরের জীবন কাহিনি শুনে দায়িত্ব নেয়ার সিদ্ধান্ত নেই। তাকে লেখাপড়া শিখিয়ে মানবিক মানুষ হিসেবে গড়ে তুলবো। একদিন বড় হয়ে শিশু সুমিরই অবহেলিত শিশুদের পাশে দাঁড়াবে, সামাজিক ও মানবিক কাজ করে সমাজে আলো ছড়াবে বলে আমি বিশ্বাস করি।তার সুন্দর ভবিষ্যৎ কামনা করি।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

অভিভাবকহীন সুমিরকে বিদ্যালয়ের ভর্তি,অভিভাবক হলেন পৌর মেয়র ছানু

আপডেট সময় : ০২:০১:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৩
print news

মোঃ কবির হোসেন, জামালপুরঃ

বাবা মা এর বিবাহ বিচ্ছেদের শিকার জামালপুরের শিশু সুমির। বিচ্ছেদের পর আলাদা সংসার করছেন তার মা-বাবা। সুমির থাকছিল তার নানির কাছে। শেষ পর্যন্ত নানী দায়িত্ব গ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে তার দায়িত্ব নিজের হাতে নেন জামালপুর পৌরসভার মেয়র ও শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মোহাম্মদ ছানুয়ার হোসেন ছানু।

সেই সুমিরকে আজ বুধবার ( ২৫ জানুয়ারি) সকালে শহরের ২ নং পাথালিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি করান।

পৌর মেয়র আলহাজ্ব মোহাম্মদ ছানোয়ার হোসেন ছানু নিজে স্বশরীরে উপস্থিত থেকে অভিভাবকের জায়গায় নিজের নাম লিখেন। আজ থেকে সুমিরের অফিসিয়ালি অভিভাবক মেয়র আলহাজ্ব মোহাম্মদ ছানোয়ার হোসেন ছানু।

জানা যায়, জামালপুর শহরের পশ্চিম ফুলবাড়িয়া গত ১১ জানুয়ারি নানা বাড়ি থেকে হারিয়ে যায় সুমির। পরে তাকে খুঁজে পান শহরের ভ্যানগাড়ি চালক জুয়েল মিয়া। তিনি শিশু সুমিরকে ৯ দিন তার কাছে রেখে মঙ্গলবার সকালে সুমিরের নানীর কাছে সুমিরকে ফিরিয়ে দিতে যান। কিন্তু অভাবের সংসারে নাতিকে নিতে অস্বীকার করেন ফরিদা।

পরে ভ্যানচালক জুয়েল মিয়া শিশুটিকে নিয়ে পৌর মেয়র ছানুয়ার হোসেন ছানুর কাছে নিয়ে যান। শিশু সুমিরের এই পরিণতি শুনে মর্মাহত হোন মেয়র। পৌর মেয়র ছানু নিজেই শিশুটির দায়িত্ব নেন।

এ বিষয়ে মানবাধিকারকর্মী জাহাঙ্গীর সেলিম বলেন, শিশুটির দায়িত্ব নিয়ে মেয়র ছানুয়ার হোসেন ছানু মানবতার উজ্জ্বল নজির গড়েছেন। মেয়রের মতো এভাবে দায়িত্বশীল লোকজন যদি কুড়িয়ে পাওয়া বা হারিয়ে যাওয়া পথশিশুদের পাশে দাঁড়ান, সেটা সুন্দর সমাজ বিনির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

এ বিষয়ে জামালপুর পৌরসভার মেয়র ছানুয়ার হোসেন ছানু বলেন, মহান আল্লাহ সকল শিশুর হেফাজতকারী। আমি সুমিরের জীবন কাহিনি শুনে দায়িত্ব নেয়ার সিদ্ধান্ত নেই। তাকে লেখাপড়া শিখিয়ে মানবিক মানুষ হিসেবে গড়ে তুলবো। একদিন বড় হয়ে শিশু সুমিরই অবহেলিত শিশুদের পাশে দাঁড়াবে, সামাজিক ও মানবিক কাজ করে সমাজে আলো ছড়াবে বলে আমি বিশ্বাস করি।তার সুন্দর ভবিষ্যৎ কামনা করি।