ঢাকা ০১:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শিল্পকলায় গ্রাফিতিতে চুনকালি: রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় গ্রেপ্তার চারজন শর্তসাপেক্ষে মুক্তি পেলেন সিজেপির তিন শীর্ষ নেতা ভুল হিসাব-নিকাশে ইয়েমেনের যুদ্ধে নতুন করে জড়িয়ে পড়লো সৌদি আরব যুব উন্নয়ন নিয়োগ পরীক্ষা ফাঁস: তদন্তে অগ্রাধিকার পাচ্ছে দুটি বিষয় এক বছরেও গাজায় শান্তি ফেরাতে ব্যর্থ ট্রাম্পের শান্তি বোর্ড রিয়াদ বিমানবন্দরে ফ্লাইট বন্ধ ১২ অক্টোবর পর্যন্ত, স্থগিত বাংলাদেশের ৯ ফ্লাইট দেশের প্রয়োজন অনুযায়ী দক্ষ জনশক্তি গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির ট্রাম্পের সংবাদ প্রচার বন্ধ করায় পাঁচ টিভি নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে তদন্ত সুন্দরবনের ৩৯ শতাংশ সুন্দরী গাছ আগামরা রোগে আক্রান্ত সড়ক দুর্ঘটনার কবলে পড়ে মানিকগঞ্জ যাত্রা বাতিল করলেন তানজিন তিশা

ট্রাম্পের সংবাদ প্রচার বন্ধ করায় পাঁচ টিভি নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে তদন্ত

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১১:৪৭:০৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬ ১ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সংবাদ প্রচার বন্ধ রাখার ঘটনায় পাঁচটি বড় টেলিভিশন নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে দেশটির বিচার বিভাগ। নেটওয়ার্কগুলো ফেডারেল অ্যান্টিট্রাস্ট আইন বা প্রতিযোগিতা-বিরোধী আইন লঙ্ঘন করেছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। গত মাসে হোয়াইট হাউস তিনটি সংবাদমাধ্যমের সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার বাতিল করার পর টেলিভিশন নেটওয়ার্কগুলো প্রেসিডেন্টের সংবাদ প্রচার বন্ধ করে দিয়েছিল।

বিচার বিভাগের মুখপাত্র এমিলি কনভিংটন গত শনিবার এই তদন্তের কথা নিশ্চিত করেছেন। তদন্তের আওতায় রয়েছে এবিসি, সিবিএস, সিএনএন, এনবিসি ও ফক্স নিউজ। তিনি জানান, বাণিজ্যিক প্রতিযোগীদের মধ্যে সম্মিলিতভাবে কোনো প্রতিষ্ঠানকে বর্জন করা হলে তা শেরম্যান অ্যাক্টের লঙ্ঘন হতে পারে, যা যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিযোগিতা-বিরোধী কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণ করে। এসব সংবাদমাধ্যম আইনটি লঙ্ঘন করেছে কি না, তা নির্ধারণ করতেই বিচার বিভাগের অ্যান্টিট্রাস্ট বিভাগ এই তদন্ত চালাচ্ছে।

ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে মূলধারার সংবাদমাধ্যমগুলোর বিরোধ দীর্ঘদিনের। ট্রাম্প নিয়মিত এসব গণমাধ্যমকে ‘ভুয়া খবর’ বলে আক্রমণ করে আসছেন। এই তদন্তের ফলে প্রশাসনের সঙ্গে মতবিরোধ থাকলেও প্রেসিডেন্টের সংবাদ প্রচার চালিয়ে যাওয়ার জন্য সংবাদমাধ্যমগুলোর ওপর আইনি চাপ ও আর্থিক ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। তবে সংশ্লিষ্ট টেলিভিশন নেটওয়ার্কগুলো এই তদন্তের বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো মন্তব্য করেনি।

ঘটনার সূত্রপাত গত মাসে, যখন হোয়াইট হাউস সিএনএন, এমএস নাউ ও পলিটিকোকে প্রেসিডেন্টের সংবাদ সংগ্রহের সুযোগ থেকে বাদ দেয়। এর প্রতিবাদে পাঁচটি সম্প্রচারমাধ্যমের সমন্বয়ে গঠিত টেলিভিশন পুল প্রেসিডেন্টের সংবাদ প্রচার বন্ধ করে দেয়। এই পাঁচ নেটওয়ার্ক হোয়াইট হাউসের প্রধান টেলিভিশন সংবাদ সংগ্রহকারী দলের অংশ এবং তারা প্রেসিডেন্টের সংবাদ সংগ্রহের ব্যয় ভাগাভাগি করে। এমনকি ট্রাম্পের প্রতি তুলনামূলকভাবে অনুকূল অবস্থানে থাকা ফক্স নিউজও এই প্রতিবাদে অংশ নিয়েছিল এবং অন্য কোনো মাধ্যমে বিকল্প ফুটেজ সরবরাহ করতে অস্বীকৃতি জানায়।

১৯ সেপ্টেম্বর হোয়াইট হাউস দাবি করেছিল, প্রেসিডেন্টের সংবাদ সংগ্রহের সুযোগ কোনো অধিকার নয়, বরং একটি সুযোগ মাত্র। এর বিরুদ্ধে সংবাদমাধ্যমগুলো মামলা করলে যুক্তরাষ্ট্রের জেলা আদালতের বিচারক টিমোথি কেলি জানান, নিষেধাজ্ঞাটি অসাংবিধানিক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আদালতের নির্দেশে ২৪ সেপ্টেম্বর হোয়াইট হাউস সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার ফিরিয়ে দেয়। তবে সাংবাদিকদের অধিকার নিয়ে কাজ করা আন্তর্জাতিক সংগঠন কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্টসের (সিপিজে) আমেরিকা অঞ্চলের পরিচালক হোসে জামোরা বিচার বিভাগের এই তদন্তের সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেন, সংবাদমাধ্যমগুলো সংবাদ সংগ্রহের সুযোগ রক্ষায় অবস্থান নিলে তাদের ভয় দেখানোর জন্য সরকারের অ্যান্টিট্রাস্ট তদন্ত ব্যবহার করা উচিত নয়।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্রাম্পের সংবাদ প্রচার বন্ধ করায় পাঁচ টিভি নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে তদন্ত

আপডেট সময় : ১১:৪৭:০৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সংবাদ প্রচার বন্ধ রাখার ঘটনায় পাঁচটি বড় টেলিভিশন নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে দেশটির বিচার বিভাগ। নেটওয়ার্কগুলো ফেডারেল অ্যান্টিট্রাস্ট আইন বা প্রতিযোগিতা-বিরোধী আইন লঙ্ঘন করেছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। গত মাসে হোয়াইট হাউস তিনটি সংবাদমাধ্যমের সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার বাতিল করার পর টেলিভিশন নেটওয়ার্কগুলো প্রেসিডেন্টের সংবাদ প্রচার বন্ধ করে দিয়েছিল।

বিচার বিভাগের মুখপাত্র এমিলি কনভিংটন গত শনিবার এই তদন্তের কথা নিশ্চিত করেছেন। তদন্তের আওতায় রয়েছে এবিসি, সিবিএস, সিএনএন, এনবিসি ও ফক্স নিউজ। তিনি জানান, বাণিজ্যিক প্রতিযোগীদের মধ্যে সম্মিলিতভাবে কোনো প্রতিষ্ঠানকে বর্জন করা হলে তা শেরম্যান অ্যাক্টের লঙ্ঘন হতে পারে, যা যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিযোগিতা-বিরোধী কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণ করে। এসব সংবাদমাধ্যম আইনটি লঙ্ঘন করেছে কি না, তা নির্ধারণ করতেই বিচার বিভাগের অ্যান্টিট্রাস্ট বিভাগ এই তদন্ত চালাচ্ছে।

ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে মূলধারার সংবাদমাধ্যমগুলোর বিরোধ দীর্ঘদিনের। ট্রাম্প নিয়মিত এসব গণমাধ্যমকে ‘ভুয়া খবর’ বলে আক্রমণ করে আসছেন। এই তদন্তের ফলে প্রশাসনের সঙ্গে মতবিরোধ থাকলেও প্রেসিডেন্টের সংবাদ প্রচার চালিয়ে যাওয়ার জন্য সংবাদমাধ্যমগুলোর ওপর আইনি চাপ ও আর্থিক ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। তবে সংশ্লিষ্ট টেলিভিশন নেটওয়ার্কগুলো এই তদন্তের বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো মন্তব্য করেনি।

ঘটনার সূত্রপাত গত মাসে, যখন হোয়াইট হাউস সিএনএন, এমএস নাউ ও পলিটিকোকে প্রেসিডেন্টের সংবাদ সংগ্রহের সুযোগ থেকে বাদ দেয়। এর প্রতিবাদে পাঁচটি সম্প্রচারমাধ্যমের সমন্বয়ে গঠিত টেলিভিশন পুল প্রেসিডেন্টের সংবাদ প্রচার বন্ধ করে দেয়। এই পাঁচ নেটওয়ার্ক হোয়াইট হাউসের প্রধান টেলিভিশন সংবাদ সংগ্রহকারী দলের অংশ এবং তারা প্রেসিডেন্টের সংবাদ সংগ্রহের ব্যয় ভাগাভাগি করে। এমনকি ট্রাম্পের প্রতি তুলনামূলকভাবে অনুকূল অবস্থানে থাকা ফক্স নিউজও এই প্রতিবাদে অংশ নিয়েছিল এবং অন্য কোনো মাধ্যমে বিকল্প ফুটেজ সরবরাহ করতে অস্বীকৃতি জানায়।

১৯ সেপ্টেম্বর হোয়াইট হাউস দাবি করেছিল, প্রেসিডেন্টের সংবাদ সংগ্রহের সুযোগ কোনো অধিকার নয়, বরং একটি সুযোগ মাত্র। এর বিরুদ্ধে সংবাদমাধ্যমগুলো মামলা করলে যুক্তরাষ্ট্রের জেলা আদালতের বিচারক টিমোথি কেলি জানান, নিষেধাজ্ঞাটি অসাংবিধানিক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আদালতের নির্দেশে ২৪ সেপ্টেম্বর হোয়াইট হাউস সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার ফিরিয়ে দেয়। তবে সাংবাদিকদের অধিকার নিয়ে কাজ করা আন্তর্জাতিক সংগঠন কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্টসের (সিপিজে) আমেরিকা অঞ্চলের পরিচালক হোসে জামোরা বিচার বিভাগের এই তদন্তের সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেন, সংবাদমাধ্যমগুলো সংবাদ সংগ্রহের সুযোগ রক্ষায় অবস্থান নিলে তাদের ভয় দেখানোর জন্য সরকারের অ্যান্টিট্রাস্ট তদন্ত ব্যবহার করা উচিত নয়।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh