ঢাকা ০৪:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ইসলামাবাদে পিটিআইয়ের মিছিল ঘিরে দেশজুড়ে ধরপাকড় ও কড়াকড়ি ৫১তম বিসিএসে ৫ হাজার চিকিৎসক নিয়োগ, আবেদন শুরু ১ অক্টোবর জানুয়ারি থেকে ইউপি নির্বাচন শুরুর পরিকল্পনা নির্বাচন কমিশনের আফগানিস্তানে পাকিস্তানের বিমান হামলা: নিহত ৪, পাল্টা ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি মধ্যপ্রাচ্যের সংকট কাটলে জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয় করবে সরকার মেধাভিত্তিক ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে শিক্ষার্থীদের প্রতি ডেপুটি স্পিকারের আহ্বান আবু ইয়াকুব ইউসুফ আল-কুমি: ইবন আরাবির বর্ণনায় এক সুফি সাধক সোনারগাঁয়ে মাদক ও সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে গ্রেপ্তার ১২ ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহে ট্যাব ও প্রশিক্ষণ শুরু সমাজসেবা অধিদপ্তরের জাতিসংঘে আজ প্রথম ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব মোকাবিলায় বিশকেকে চীন, রাশিয়া ও ভারতের নেতারা

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১০:২৬:৫৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



যুক্তরাষ্ট্রের বৈশ্বিক প্রভাবের পাল্টা শক্তি হিসেবে পরিচিত সাংহাই সহযোগিতা সংস্থা (এসসিও)-এর শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নিতে কিরগিজস্তানের রাজধানী বিশকেকে মিলিত হয়েছেন চীন, রাশিয়া ও ভারতের রাষ্ট্রপ্রধানরা। এই সম্মেলনে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নিচ্ছেন।

রুশ রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, সম্মেলনের ফাঁকে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেছেন। এই বৈঠকে পুতিন রাশিয়ার পক্ষ থেকে চীনের সঙ্গে ভিসামুক্ত ব্যবস্থা স্থায়ী করার প্রস্তুতির কথা জানিয়েছেন। এছাড়া মঙ্গলবার ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে পুতিনের বৈঠক এবং এসসিও-এর আনুষ্ঠানিক অধিবেশন শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

২০০১ সালে চীন, রাশিয়া ও মধ্য এশিয়ার চারটি দেশ মিলে নিরাপত্তাবিষয়ক ফোরাম হিসেবে এসসিও প্রতিষ্ঠা করে। বর্তমানে এর সদস্য দেশের সংখ্যা ১০টি। দেশগুলো হলো রাশিয়া, চীন, ভারত, ইরান, পাকিস্তান, বেলারুশ, কাজাখস্তান, কিরগিজস্তান, তাজিকিস্তান ও উজবেকিস্তান। ইউক্রেন যুদ্ধ এবং যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে ইরানের চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে রাশিয়া ও ইরান এই সম্মেলনকে পশ্চিমা নয় এমন অংশীদারদের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারের গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে দেখছে।

বেইজিং দীর্ঘদিন ধরে রাশিয়ার সমর্থনে একটি বিকল্প বিশ্বব্যবস্থার ধারণা প্রচার করে আসছে এবং এসসিও-কে জি৭-এর মতো পশ্চিমা সংগঠনের বিকল্প হিসেবে তুলে ধরছে। চীন এই সংস্থার পরিধি ও প্রভাব বাড়াতে উন্নয়ন ও আর্থিক সহায়তার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে। তবে বিশ্লেষকরা মনে করেন, এসসিও কোনো ঐক্যবদ্ধ রাজনৈতিক বা সামরিক জোট নয় এবং এর সদস্য দেশগুলোর নিজস্ব স্বার্থ ও মতপার্থক্য রয়েছে।

ভারতের জন্য এই সম্মেলন বাস্তব ফলাফলের চেয়ে কৌশলগত বার্তার ক্ষেত্রে বেশি গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। কার্নেগি ইন্ডিয়ার নিরাপত্তা বিষয়ক গবেষক দিনকর পেরি বলেন, এসসিও ভারতকে এমন একটি অঞ্চলে আলোচনার টেবিলে জায়গা করে দেয়, যা বড় শক্তিগুলোর প্রতিযোগিতার মাধ্যমে প্রভাবিত হচ্ছে। এর মাধ্যমে ভারত তার জাতীয় স্বার্থ রক্ষা এবং ভূরাজনৈতিক প্রবণতা পর্যবেক্ষণের সুযোগ পায়।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব মোকাবিলায় বিশকেকে চীন, রাশিয়া ও ভারতের নেতারা

আপডেট সময় : ১০:২৬:৫৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের বৈশ্বিক প্রভাবের পাল্টা শক্তি হিসেবে পরিচিত সাংহাই সহযোগিতা সংস্থা (এসসিও)-এর শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নিতে কিরগিজস্তানের রাজধানী বিশকেকে মিলিত হয়েছেন চীন, রাশিয়া ও ভারতের রাষ্ট্রপ্রধানরা। এই সম্মেলনে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নিচ্ছেন।

রুশ রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, সম্মেলনের ফাঁকে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেছেন। এই বৈঠকে পুতিন রাশিয়ার পক্ষ থেকে চীনের সঙ্গে ভিসামুক্ত ব্যবস্থা স্থায়ী করার প্রস্তুতির কথা জানিয়েছেন। এছাড়া মঙ্গলবার ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে পুতিনের বৈঠক এবং এসসিও-এর আনুষ্ঠানিক অধিবেশন শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

২০০১ সালে চীন, রাশিয়া ও মধ্য এশিয়ার চারটি দেশ মিলে নিরাপত্তাবিষয়ক ফোরাম হিসেবে এসসিও প্রতিষ্ঠা করে। বর্তমানে এর সদস্য দেশের সংখ্যা ১০টি। দেশগুলো হলো রাশিয়া, চীন, ভারত, ইরান, পাকিস্তান, বেলারুশ, কাজাখস্তান, কিরগিজস্তান, তাজিকিস্তান ও উজবেকিস্তান। ইউক্রেন যুদ্ধ এবং যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে ইরানের চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে রাশিয়া ও ইরান এই সম্মেলনকে পশ্চিমা নয় এমন অংশীদারদের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারের গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে দেখছে।

বেইজিং দীর্ঘদিন ধরে রাশিয়ার সমর্থনে একটি বিকল্প বিশ্বব্যবস্থার ধারণা প্রচার করে আসছে এবং এসসিও-কে জি৭-এর মতো পশ্চিমা সংগঠনের বিকল্প হিসেবে তুলে ধরছে। চীন এই সংস্থার পরিধি ও প্রভাব বাড়াতে উন্নয়ন ও আর্থিক সহায়তার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে। তবে বিশ্লেষকরা মনে করেন, এসসিও কোনো ঐক্যবদ্ধ রাজনৈতিক বা সামরিক জোট নয় এবং এর সদস্য দেশগুলোর নিজস্ব স্বার্থ ও মতপার্থক্য রয়েছে।

ভারতের জন্য এই সম্মেলন বাস্তব ফলাফলের চেয়ে কৌশলগত বার্তার ক্ষেত্রে বেশি গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। কার্নেগি ইন্ডিয়ার নিরাপত্তা বিষয়ক গবেষক দিনকর পেরি বলেন, এসসিও ভারতকে এমন একটি অঞ্চলে আলোচনার টেবিলে জায়গা করে দেয়, যা বড় শক্তিগুলোর প্রতিযোগিতার মাধ্যমে প্রভাবিত হচ্ছে। এর মাধ্যমে ভারত তার জাতীয় স্বার্থ রক্ষা এবং ভূরাজনৈতিক প্রবণতা পর্যবেক্ষণের সুযোগ পায়।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin