ঢাকা ০৫:৪৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সেন্ট গ্রেগরী কলেজে একাদশে ভর্তি পরীক্ষা ১৩ সেপ্টেম্বর, আবেদন শুরু ১ সেপ্টেম্বর সিংগাইরে মদ্যপ অবস্থায় মারামারি, চিকিৎসাধীন যুবকের মৃত্যু দেশজুড়ে আশঙ্কাজনকহারে বেড়েছে খুন, ৭ মাসে ২০৭৬ হত্যাকাণ্ড ২৯ আগস্ট থেকে চুয়াডাঙ্গায় আন্তঃজেলা বাস চলাচল বন্ধের ঘোষণা আষাঢ়িয়ারচর ব্রিজে ফাটল: ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট রূপপুর প্রকল্পে লিফট থেকে পড়ে শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু কুলাউড়ায় এনসিপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ১০, গ্রেপ্তার ৫ নারায়ণগঞ্জে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনা ও পানিতে ডুবে ৩ জনের মৃত্যু রূপগঞ্জে জলসিঁড়ি আবাসন প্রকল্পের বিরুদ্ধে কৃষিজমি রক্ষার দাবি ইউএস ওপেনে ওয়াইল্ড কার্ড পেলেন সেরেনা-ভেনাস, চার বছর পর ফিরছে উইলিয়ামস জুটি

ধলেশ্বরীর পাড়ে সরকারি জমিতে ফের অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৪৪:৫৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মুন্সীগঞ্জ পৌরসভার হাটলক্ষীগঞ্জ লঞ্চ টার্মিনালসংলগ্ন ধলেশ্বরী নদীর পাড়ের সরকারি জায়গা দখল করে নতুন করে স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। প্রকাশ্যে এই নির্মাণকাজ চললেও স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে এ নিয়ে ব্যাপক আলোচনা রয়েছে, তবে প্রভাবশালীদের ভয়ে কেউ প্রকাশ্যে মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছেন না।

শুক্রবার বিকালে সরেজমিনে দেখা যায়, লঞ্চ টার্মিনালের পশ্চিম পাশে নদীর পাড় ঘেঁষা ফাঁকা জায়গায় শ্রমিকেরা টিন ও কাঠের স্থাপনা তৈরির কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। গত কয়েকদিন ধরেই এই নির্মাণকাজ চলছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) এই এলাকায় অভিযান চালিয়ে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছিল। এরপর জায়গাটি দীর্ঘদিন উন্মুক্ত ছিল এবং শহরের কর্মব্যস্ত মানুষ সেখানে নদীর সৌন্দর্য উপভোগ করতে আসতেন। নতুন করে এই দখল প্রক্রিয়া শুরু হওয়ায় পরিবেশ নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি সরকারি সম্পত্তি বেদখল হওয়ার আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।

নির্মাণকাজের সঙ্গে বাল্কহেড জাহাজ মালিক সমিতির সংশ্লিষ্টতা রয়েছে বলে স্থানীয়দের একাংশ দাবি করলেও, সমিতির সহসভাপতি আবদুল জব্বার তা অস্বীকার করেছেন। তিনি জানান, সরকার আগের ঘর ভেঙে দেওয়ার পর তারা অন্য জায়গায় অফিস ভাড়া নিয়েছেন এবং কারা নতুন করে দোকান নির্মাণ করছে তা তাদের জানা নেই।

মুন্সিগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী শেখ এনামুল হক জানিয়েছেন, জায়গাটির কিছু অংশ তাদের হলেও মূলত এটি বিআইডব্লিউটিএর আওতাধীন। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। এছাড়া মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা জানিয়েছেন, জায়গাটি পানি উন্নয়ন বোর্ডের বলে তিনি সংশ্লিষ্টদের অবহিত করেছেন এবং প্রয়োজনে প্রশাসন সহযোগিতা করবে।

এদিকে বিআইডব্লিউটিএর যুগ্ম পরিচালক মো. মুস্তাফিজুর রহমান জানিয়েছেন, বিষয়টি সম্পর্কে খোঁজখবর নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে সরেজমিনে নির্মাণকাজ চলতে থাকলেও তা বন্ধে এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

ধলেশ্বরীর পাড়ে সরকারি জমিতে ফের অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ

আপডেট সময় : ০১:৪৪:৫৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬

মুন্সীগঞ্জ পৌরসভার হাটলক্ষীগঞ্জ লঞ্চ টার্মিনালসংলগ্ন ধলেশ্বরী নদীর পাড়ের সরকারি জায়গা দখল করে নতুন করে স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। প্রকাশ্যে এই নির্মাণকাজ চললেও স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে এ নিয়ে ব্যাপক আলোচনা রয়েছে, তবে প্রভাবশালীদের ভয়ে কেউ প্রকাশ্যে মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছেন না।

শুক্রবার বিকালে সরেজমিনে দেখা যায়, লঞ্চ টার্মিনালের পশ্চিম পাশে নদীর পাড় ঘেঁষা ফাঁকা জায়গায় শ্রমিকেরা টিন ও কাঠের স্থাপনা তৈরির কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। গত কয়েকদিন ধরেই এই নির্মাণকাজ চলছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) এই এলাকায় অভিযান চালিয়ে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছিল। এরপর জায়গাটি দীর্ঘদিন উন্মুক্ত ছিল এবং শহরের কর্মব্যস্ত মানুষ সেখানে নদীর সৌন্দর্য উপভোগ করতে আসতেন। নতুন করে এই দখল প্রক্রিয়া শুরু হওয়ায় পরিবেশ নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি সরকারি সম্পত্তি বেদখল হওয়ার আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।

নির্মাণকাজের সঙ্গে বাল্কহেড জাহাজ মালিক সমিতির সংশ্লিষ্টতা রয়েছে বলে স্থানীয়দের একাংশ দাবি করলেও, সমিতির সহসভাপতি আবদুল জব্বার তা অস্বীকার করেছেন। তিনি জানান, সরকার আগের ঘর ভেঙে দেওয়ার পর তারা অন্য জায়গায় অফিস ভাড়া নিয়েছেন এবং কারা নতুন করে দোকান নির্মাণ করছে তা তাদের জানা নেই।

মুন্সিগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী শেখ এনামুল হক জানিয়েছেন, জায়গাটির কিছু অংশ তাদের হলেও মূলত এটি বিআইডব্লিউটিএর আওতাধীন। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। এছাড়া মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা জানিয়েছেন, জায়গাটি পানি উন্নয়ন বোর্ডের বলে তিনি সংশ্লিষ্টদের অবহিত করেছেন এবং প্রয়োজনে প্রশাসন সহযোগিতা করবে।

এদিকে বিআইডব্লিউটিএর যুগ্ম পরিচালক মো. মুস্তাফিজুর রহমান জানিয়েছেন, বিষয়টি সম্পর্কে খোঁজখবর নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে সরেজমিনে নির্মাণকাজ চলতে থাকলেও তা বন্ধে এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh